আমরা যেভাবে আল্লাহ্র নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবমূল লেখক : শায়েখ সালিহ আল-মুনাজ্জিদ | রহমান রহীম আল্লাহ্ তায়ালার নামে-প্রশ্ন:আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা আমাদেরকে অসংখ্য নেয়ামত দিয়ে ধন্য করেছেন। আমাদের প্রতি তাঁর এই সকল নেয়ামতের শুকরিয়া আদায়ের সর্বোত্তম উপায় কী?
উত্তর:প্রথমত : ধন্যবাদ বা কৃতজ্ঞতা জানানোর উদ্দেশ্য হলো কারও উপকার এবং সদয় আচরণের প্রতিদান স্বরূপ তার প্রশংসা করা এবং তার প্রতিও সদয় আচরণ করা। মানুষের ধন্যবাদ এবং প্রশংসা পাওয়ার সবচেয়ে যোগ্য সত্ত্বা হলেন আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয় তা‘আলা। কারণ জাগতিক এবং আধ্যাত্মিক উভয় ক্ষেত্রেই তিনি আমাদেরকে অসংখ্য অনুগ্রহের মাধ্যমে ধন্য করছেন। এইসব নেয়ামতের জন্য তিনি আমাদেরকে তার প্রশংসা করার এবং সেগুলোকে অস্বীকার না করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন (অর্থের ব্যাখ্যা): “অতএব, তোমরা আমাকে স্মরণ করো, আমি তোমাদেরকে স্মরণ করব। আর আমার শোকর আদায় করো, আমার সাথে কুফরী কোরো না।” [আল-বাকারা; ২ : ১৫২]
দ্বিতীয়ত: যারা আল্লাহ্র এই নির্দেশের আনুগত্য করেছেন এবং তাঁর যোগ্য শোকরকারী বান্দা বলে বিবেচিত হওয়া পর্যন্ত তাঁর প্রশংসা করেছেন গেছেন, তারা হলেন নবী এবং রাসূলগণ (‘আলাইহিমুস সালাম)।আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন (অর্থের ব্যাখ্যা) : “নিশ্চয়, ইবরাহীম ছিলেন (একাই) এক উম্মত (একটি জাতির জীবন্ত প্রতীক), আল্লাহ্র একান্ত অনুগত, ও একনিষ্ঠ। তিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। তিনি ছিলেন তার রবের নেয়ামতের শোকরকারী। তিনি তাকে বাছাই করেছেন এবং তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করেছিলেন।” [সূরা নাহল; ১৬ : ১২০-১২১]
“সে তাদের বংশধর, যাদেরকে আমি নূহের সাথে আরোহণ করিয়েছিলাম, নিশ্চয় তিনি ছিলেন কৃতজ্ঞ বান্দা।” [ সূরা বনী ইসরাইল; ১৭ : ৩]
তৃতীয়ত: আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআনে আমাদের প্রতি তাঁর কিছু নেয়ামতের কথা উল্লেখ করেছেন এবং সেসব জন্য আমাদেরকে শুকরিয়া আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আমাদেরকে এ কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, খুব অল্প কিছু মানুষই তাঁর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করে থাকে। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন (অর্থের ব্যাখ্যা) :
১) “হে মু’মিনগণ! আমি তোমাদেরকে যে হালাল রিযিক দিয়েছি তা থেকে আহার করো এবং আল্লাহ্র জন্য শোকর করো যদি তোমরা তাঁরই ইবাদত করো।” [সূরা বাকারা; ২ : ১৭২]
২) “আর অবশ্যই আমি তো তোমাদেরকে যমীনে প্রতিষ্ঠিত করেছি এবং তাতে তোমাদের জন্য রেখেছি জীবনোপকরণ। তোমরা খুব কমই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাকো।” [সূরা আরাফ; ৭ : ১০]
৩) “আর তাঁর নির্দেশনসমূহের মধ্যে রয়েছে, তিনি [বৃষ্টির] সুসংবাদ বহনকারী হিসেবে বাতাস প্রেরণ করেন এবং যাতে তিনি তোমাদেরকে তাঁর রহমত আস্বাদন করাতে পারেন এবং যাতে তাঁর নির্দেশে নৌযানগুলো চলাচল করে, আর যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ থেকে কিছু সন্ধান করতে পারো। আর যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও।” [সূরা রুম; ৩০ : ৪৬]
৪) আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআনে যেসব আধ্যাত্মিক নেয়ামতের উল্লেখ করেছেন সেগুলো হলো (অর্থের ব্যাখ্যা): “হে মু’মিনগণ! যখন তোমরা সালাতে দণ্ডায়মান হতে চাও, তখন তোমাদের মুখ এবং কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত করো, মাথা মাসেহ করো এবং টাখনু পর্যন্ত পা (ধৌত করো)। আর যদি তোমরা অপবিত্র থাকো, তবে ভালোভাবে পবিত্র হও। আর যদি অসুস্থ হও কিংবা সফরে থাকো অথবা যদি তোমাদের কেউ পায়খানা থেকে আসে অথবা তোমরা যদি স্ত্রী সহবাস করো অতঃপর পানি না পাও, তবে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করো। সুতরাং তোমাদের মুখ ও হাত তা দ্বারা মাসেহ করো। আল্লাহ্ তোমাদের উপর কোন সমস্যা সৃষ্টি করতে চান না। বরং তিনি তোমাদের পবিত্র করতে চান এবং তোমাদের উপর তাঁর নেয়ামত পূর্ণ করতে চান, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো।” [সূরা মায়েদা; ৫ : ৬]
রয়েছে আরও অনেক অফুরন্ত নেয়ামত। আমরা এখানে সেগুলো থেকে মাত্র কয়েকটা উল্লেখ করলাম। বলাই বাহুল্য যে, আল্লাহ্র সমস্ত নেয়ামতের তালিকা করা অসম্ভব। এই মর্মে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন (অর্থের ব্যাখ্যা): “আর তোমরা যা চেয়েছ, তার প্রত্যেকটি থেকে তিনি তোমাদেরকে দিয়েছেন এবং যদি তোমরা আল্লাহ্র নেয়ামতের গণনা করো, তবে তার সংখ্যা নিরূপণ করতে পারবে না। নিশ্চয় মানুষ অতিমাত্রায় যালিম, ও অকৃতজ্ঞ।” [সূরা ইবরাহীম; ১৪ : ৩৪]
আমরা আল্লাহ্র নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করলে তিনি আমাদের ত্রুটিবিচ্যুতিকে ক্ষমা করে দেবেন এবং আমাদের প্রতি করুনা করবেন। এই মর্মে তিনি বলেন (অর্থের ব্যাখ্যা): “আর যদি তোমরা আল্লাহ্র নেয়মত গণনা করো, তবে তার ইয়ত্তা পাবে না। নিশ্চয় আল্লাহ্ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” [সূরা নাহল; ১৬ : ১৮]
আল্লাহ্ না চাইলে, কেউ তাঁর প্রশংসা করতে পারে না। তাই মুসলিমরা সর্বদাই আল্লাহ্র কাছে সাহায্য চেয়ে প্রার্থনা করে, যেন তিনি তাদেরকে তাঁর নেয়ামতের শুকরিয়া করার সামর্থ্য দান করেন। একারণেই বিশুদ্ধ হাদীসে আল্লাহ্র প্রশংসা করার জন্য তাঁর সাহায্য চেয়ে দো‘আ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মু‘আয ইবনু জাবাল (রা) বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ্র রাসুল (সা) তার হাত ধরে বললেন: “হে মু‘আয! আল্লাহ্র কসম, তোমাকে আমি ভালবাসি, আল্লাহ্র কসম, আমি তোমাকে ভালোবাসি।” তারপর তিনি বললেন, “হে মু‘আয! আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি যে, প্রত্যেক সালাতের শেষে তুমি বলতে ভুলে যাবে না : হে আল্লাহ্! তোমাকে উত্তমরূপে স্মরণ করার, তোমার শুকরিয়া করার এবং তোমার ইবাদত করার জন্য আমাকে সাহায্য করো।” [আবু দাউদ (১৫২২) এবং নাসা‘ঈ কর্তৃক সংকলিত; সহীহ আবি দাউদে আল-আলবানি হাদীসটি সহীহ বলে মত দিয়েছেন]
আল্লাহ্র নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করলে, আমরা তাঁর পক্ষ থেকে আরও বেশী নেয়ামত প্রাপ্ত হবো। এই মর্মে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন (অর্থের ব্যাখ্যা): “আর যখন তোমাদের রব ঘোষণা দিলেন, ‘যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের বাড়িয়ে দেবো, আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, নিশ্চয় আমার আযাব বড় কঠিন।” [ইবরাহীম; ১৪:৭]
চতুর্থত: মানুষ কীভাবে তার প্রতিপালকের দেওয়া নেয়ামতরাজির শুকরিয়া আদায় করবে? আল্লাহ্র শুকরিয়া আদায়ের ক্ষেত্রে সবগুলো নির্ধারিত শর্তসমূহ পূর্ণ করা অপরিহার্য। যেমন : অন্তরের শুকরিয়া, জিহ্বার শুকরিয়া এবং অন্য সকল শারীরিক ক্ষমতার শুকরিয়া।ইবনুল কাইয়্যিম (র) বলেন: “অন্তরের শুকরিয়া হলো আত্মসমর্পণ এবং বিনম্রতায়; জিহ্বার শুকরিয়া হলো প্রশংসা এবং স্বীকারোক্তিতে; আর শারীরিক ক্ষমতার শুকরিয়া হলো আনুগত্য এবং বশ্যতায়।” [মাদারিজ আল-সালিকীন (২/২৪৬)]
উল্লিখিত বিষয়গুলোর বিশ্লেষণ:১) অন্তরের শুকরিয়া: এর অর্থ হলো, আল্লাহ্ তাঁর বান্দার প্রতি যে অনুগ্রহ করেছেন, অন্তর সেই অনুগ্রহসমূহকে পূর্ণ গুরুত্বের সাথে উপলব্ধি করে এবং দ্বিধাহীন চিত্তে স্বীকার করে যে, কেবল আল্লাহ্ই তাকে এইসব অনুগ্রহ দান করেছেন যার কোনো শরীক বা অংশীদার নেই। আল্লাহ্ তায়ালা বলেন (অর্থের ব্যাখ্যা): “আর তোমাদের কাছে যেসব নেয়ামত আছে তা আল্লাহ্র পক্ষ থেকে।” [আন-নাহল; ১৬ : ৫৩]
আমরা সমস্ত নেয়ামত যে আল্লাহ্র পক্ষ থেকে পাই, তা স্বীকার করা কেবল মুস্তাহাব (উৎসাহিত) নয়; বরং তা ফরয (বাধ্যতামূলক)। এইসব নেয়ামত আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারও পক্ষ থেকে এসেছে বলে বিশ্বাস করলে তা হবে কুফরী।
শায়েখ আব্দুর রাহ্মান আস-সা‘দি (রা:) বলেছেন: “মানুষকে পরিপূর্ণভাবে স্বীকার করতে হবে যে, সমস্ত নেয়ামতরাজি আল্লাহ্র পক্ষ থেকে। তবেই সে পরিপূর্ণভাবে তাওহীদ-কে অর্জন করবে। যে কেউ মুখে বা অন্তরে আল্লাহ্র নেয়ামতসমূহকে অস্বীকার করবে, সে একজন কাফির এবং ইসলামের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই।যে দৃঢ়ভাবে অন্তরে বিশ্বাস করে যে, সকল নেয়ামত শুধুমাত্র আল্লাহ্র পক্ষ থেকে, আবার কখনও কখনও সেগুলোকে আল্লাহ্র পক্ষ থেকে, কখনও নিজের কর্ম বা অন্যের প্রচেষ্টার ফসল মনে করে – যেমনটি অনেক মানুষের মুখে শোনা যায় – তাহলে তাকে তাওবা করতে হবে এবং সমস্ত নেয়ামতসমূহ তার সৃষ্টিকর্তা ছাড়া অন্য কারও পক্ষ থেকে বলে মনে করবে না এবং সে অবশ্যই নিজেকে দিয়ে তা (তাওবা) করাবে। কারণ আল্লাহ্র নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে, ঈমান এবং তাওহীদ অর্জন করা যায় না।ঈমানের মূলকথাই হলো আল্লাহ্র শুকরিয়া আদায় করা যা তিনটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত : বান্দার প্রতি আল্লাহ্র সমস্ত নেয়ামতকে অন্তরে স্বীকার করা এবং সেগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা; আল্লাহ্র শুকরিয়া আদায় করা; এবং এই শুকরিয়াকে কাজে লাগিয়ে একমাত্র আল্লাহ্র ইবাদত এবং আনুগত্য করা যিনি সমস্ত নেয়ামতের যোগানদাতা।” [আল-কাওল আস্-সাদীদ ফী মাকাসিদুত তাওহীদ (পৃষ্ঠা ১৪০)]
যারা তাঁর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করে না, তারা কোন ধরণের মানুষ, সে সম্পর্কে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন (অর্থের ব্যাখ্যা): “তারা আল্লাহ্র নেয়ামত চেনে, তারপরও তা অস্বীকার করে, আর তাদের অধিকাংশই কাফির।” [সূরা নাহল; ১৬ : ৮৩]
ইবনু কাসির (রা:) বলেছেন: “তারা তো নিজেরাই জানে যে, একমাত্র আল্লাহ্ তা‘আলাই হচ্ছেন নিয়ামতরাজি দানকারী। কিন্তু এটা জানা সত্ত্বেও তারা এগুলো অস্বীকার করছে এবং তারা অন্যদের ইবাদত করছে। এমনকি তারা মনে করছে যে, সাহায্যকারী অমুক, আহার্যদাতা অমুক।” [তাফসীর ইবনু কাসির (৪/৫৯২)]
২) মুখের শুকরিয়া: এর অর্থ হলো, সমস্ত নেয়ামত রাজি শুধুমাত্র আল্লাহ্র পক্ষ থেকে – একথা অন্তরে বিশ্বাস করার পর, তা মৌখিকভাবে স্বীকার করা এবং নিজের জিহ্বাকে সর্বদায় আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা’র প্রশংসায় নিয়োজিত রাখা। তাঁর বান্দা মুহাম্মাদের (সা) প্রতি তাঁর নেয়ামতের কথা উল্লেখ করে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন: “তিনি তোমাকে পেয়েছেন নিঃস্ব। অতঃপর তিনি সমৃদ্ধ করেছেন।” [সূরা আদ-দুহা; ৯৩ : ৮]
আল্লাহ্র এই নেয়ামতের জন্য রাসূলকে কী করতে হবে, তা আল্লাহ্ তা‘আলা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন: “আর তোমার রবের অনুগ্রহ তুমি বর্ণনা করো।” [সূরা আদ-দুহা; ৯৩ : ১১]
উল্লিখিত আয়াতের ব্যাখ্যা ইবনু কাসির (রা:) বলেছেন: “যখন আপনি নিঃস্ব এবং অভাবগ্রস্থ ছিলেন, আল্লাহ্ তখন আপনাকে সমৃদ্ধ এবং অভাবমুক্ত করেছেন করেছেন : তাই আপনার প্রতি অনুগ্রহের কথা ঘোষণা করুন।” [তাফসীর ইবনু কাসির (৮/৪২৭)]
আনাস ইবনু মালিক থেকে বর্ণিত। আল্লাহ্র রাসূল (সা:) বলেছেন : “আল্লাহ্ সেই ব্যক্তির প্রতি খুশি হন, যে কোনো খাবার খাওয়ার পরে তাঁর প্রশংসা করে অথবা যে কোনো পান করার পরে তাঁর প্রশংসা করে।” [সহীহ্ মুসলিম (২৭৩৪)]
আবুল ‘আব্বাস আল-কুরতুবি (রা:) বলেছেন: উল্লিখিত হাসীসে প্রশংসা বলতে শুকরিয়া আদায় করাকে বোঝানো হয়েছে। আমরা দেখেছি যে, প্রশংসার মাধ্যমে শুকরিয়া হতে পারে কিন্তু শুকরিয়ার মাধ্যমে প্রশংসা নাও হতে পারে। নেয়ামত সংখ্যায় যত ক্ষুদ্রই হোক না কেন, তার জন্য শুকরিয়া আদায় করাই হলো আল্লাহ্ তা‘আলা’র সন্তুষ্টি অর্জনের সর্বোত্তম উপায় যা জান্নাতের অধিবাসীদের সবচেয়ে মহান বৈশিষ্ট্য। যখন জান্নাতীরা বলবে, “আপনি আমাদেরকে এমন কিছু দিয়েছেন যা সৃষ্টির মধ্যে অন্য কাউকে দেননি,” তখন আল্লাহ্ তাদের উদ্দেশে বলবেন : “আমি কি তোমাদেরকে তার চেয়েও অধিক উত্তম কিছু দেবো না?” তারা বলবে “সেটা কী? আপনি কি আমাদের মুখমণ্ডলগুলোকে উজ্জ্বল করেননি এবং আমাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাননি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি রক্ষা করেননি? তিনি বলবেন, “তোমাদের প্রতি আমি সন্তুষ্ট হয়ে গেলাম এবং এরপর আর কখনোও তোমাদের প্রতি রাগান্বিত হবো না।” “এই বিরাট সম্মান অর্জনের উপায় হলো শুররিয়া আদায় করা। কারণ নেয়ামতের শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে শুধুমাত্র আল্লাহ্কেই ওই নেয়ামতের সৃষ্টিকর্তা হিসেবে স্বীকার করা হয়। যিনি নেয়ামতসমূহকে সম্মান ও অনুগ্রহস্বরূপ তাঁর বান্দার নিকট পৌঁছে দেন। যে বান্দা নিঃস্ব এবং অসহায় এবং যে অনুগ্রহ ছাড়া চলতে পারে না। কাজেই শুকরিয়া আদায় করাটা আল্লাহ্র হক্ব এবং আমাদের প্রতি তাঁর অনুগ্রহের স্বীকৃতি। এই স্বীকৃতি দেওয়া বান্দার অত্যাবশ্যক কর্তব্য। একারণেই আল্লাহ্ তাঁর শুকরিয়া আদায়ের পুরস্কারকে এত সম্মানজনক করেছেন।” [আল-মুফহিম লিমা আশকালা মিন তালখীস কিতাব মুসলিম (৭/৬০,৬১)]
এ কারনে সালাদের কেউ কেউ বলেছেন: কেউ কোনো নেয়ামতের কথা গোপন করলে সে ওই নেয়ামতকে অস্বীকার করল, আর কোনো নেয়ামতের কথা প্রকাশ করলে সে ওই ওটার জন্য শুকরিয়া আদায় করলো।
এ কথার মন্তব্যে ইবনুল কায়্যিম (রা:) বলেছেন: “আল্লাহ্ যখন কোনো ব্যক্তির প্রতি অনুগ্রহ করেন, তিনি ওই বান্দার উপর সেই অনুগ্রহের প্রভাব দেখতে ভালোবাসেন।” [মাদারিজি আল সালেকিন (২/২৪৬)]
উমার ইবনু আব্দুল আযীয (রা:) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন : (আল্লাহ্র) নেয়ামতের কথা পরস্পরকে স্মরণ করিয়ে দাও। কারণ সেগুলো আলোচনা করাও হলো শুকরিয়া আদায় করা।
৩) শারীরিক ক্ষমতার শুকরিয়া: এর অর্থ হলো শারীরিক ক্ষমতাকে আল্লাহ্র আনুগত্যের জন্য ব্যবহার করা এবং সেগুলোকে সবধরণের পাপাচার এবং আল্লাহ্র বিরুদ্ধাচরণ থেকে দূরে সরিয়ে রাখা যেসব কাজ আল্লাহ্ নিষিদ্ধ করেছেন।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন (অর্থের ব্যাখ্যা): “হে দাউদ পরিবার, তোমরা কৃতজ্ঞতাস্বরূপ ‘আমল করে যাও।” [সূরা সাবা; ৩৪ : ১৩]
আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত: “আল্লাহ্র রাসুল (সা) যখন সালাত আদায় করতেন, তিনি এত দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকতেন যে, তাঁর পা দুটো ফুলে যেতো। ‘আয়েশা (রা) বললেন : হে আল্লাহ্র রাসুল! আপনি এমনটি করছেন যখন আল্লাহ্ আপনার অতীত ও ভবিষ্যতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিয়েছেন? তিনি বললেন : “হে আয়েশা! আমি কি শোকর গুজারি বান্দা হবো না?” [আল-বুখারি (৪৫৫৭) এবং মুসলিম (২৮২০)]
ইবনু বাত্তল (রা) বলেছেন: আত-তাবারি বলেছেন: এব্যাপারে বিশুদ্ধ মত হলো, শুকরিয়ার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, ওই নেয়ামত আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারও পক্ষ থেকে নয় এবং কাজের (শুকরিয়ার) মধ্য দিয়েই তার প্রমাণ এবং যেহেতু শুকরিয়া আদায় করা হয়েছে তাই সেটা প্রমাণিত। তবে প্রমাণিত হওয়ার পর ব্যক্তির কাজকর্ম যদি ভিন্নরূপ দেখা যায়, তাহলে সে নিজেকে শোকরকারী বলার যোগ্য নয়। একে মৌখিক শুকরিয়া বলা যেতে পারে। একথা যে সত্য, তার প্রমাণ হলো আল্লাহ্ তা‘আলা’র বাণী (অর্থের ব্যাখ্যা) : “হে দাউদ পরিবার, তোমরা কৃতজ্ঞতাস্বরূপ ‘আমল করে যাও।” [সূরা সাবা; ৩৪ : ১৩]। এটি জানা কথা যে, আল্লাহ্ যখন তাদের প্রতি তাঁর নেয়ামতের জন্য শুকরিয়া আদায় করতে বলেছিলেন, তখন তিনি তাদেরকে শুধু মুখেই ওকথা স্বীকার করার জন্য আদেশ করেননি। কারণ তাদের প্রতি নেয়ামতসমূহ আল্লাহ্র দেওয়া একথা তারা অস্বীকার করেনি। বরং তিনি তাদেরকে আনুগত্যপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে তাঁর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করার হুকুম দিয়েছিলেন। ঠিক এ কারণেই, রাতে সালাত আদায় করার সময় যখন রাসূলের (সা) পা দুটো ফুলে যেতো, তখন তিনি বলতেন: আমি কি শোকর গুজারি বান্দা হবো না? [শাহ্র সহীহ্ আল-বুখারি (১০/১৮৩,১৮৪)]
আবু হারুন বলেন : হঠাৎ আবু হাজিমের সাথে আমার দেখা হলো। আমি বললাম : আল্লাহ্ আপনার উপর দয়া করুন, চোখের শুকরিয়া কী? তিনি বললেন : আপনি তাদের (দু’চোখ) মাধ্যমে ভালো কিছু দেখলে তা প্রকাশ করুন। আর তাদের মাধ্যমে মন্দ কিছু দেখলে তা গোপন করুন। আমি বললাম : কানের শুকরিয়া কী? তিনি বললেন : আপনি তাদের (দুই কান) মাধ্যমে ভালো কিছু শুনলে তা মনে রাখুন। আর তাদের মাধ্যমে মন্দ কিছু শুনলে তা ভুলে যান। ইবনু রাজাব আল হানবালি (রা:) বলেন: শুকরিয়া দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হলো ফরয (বাধ্যতামূলক)। অর্থাৎ ফরয কাজগুলো সম্পাদন করা এবং নিষিদ্ধ কাজগুলো বর্জন করা। এমনটি করা অত্যাবশ্যক এবং শুকরিয়া আদায়ের জন্য এমনটি করাই যথেষ্ট। একারণেই একজন সালাফের মতে: শুকরিয়া হলো পাপ কাজ ত্যাগ করা। সালাফদের আরেকজন বলেছেন: শুকরিয়া হলো কোনো নিয়ামত ব্যবহার করে তাঁর (আল্লাহ্র) বিরুদ্ধাচরণ না করা।
আবু হাজিম আল-যাহিদ সবধরনের শারীরিক ক্ষমতার শুকরিয়া সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন : এগুলোকে (শারীরিক ক্ষমতাগুলোকে) পাপ থেকে বাঁচিয়ে রাখা এবং এগুলোর ব্যবহার করে আল্লাহ্র প্রতি আনুগত্য করতে কাউকে সাহায্য করা। অতঃপর তিনি বলেন: যে ব্যক্তি তার জিহ্বা দিয়ে শুকরিয়া করে কিন্তু বাকি শারীরিক ক্ষমতা দিয়ে করে না, তার অবস্থা ওই লোকের মতো, যার একটা আলখাল্লা আছে কিন্তু সে তা গায়ে না দিয়ে, হাতে ধরে নিয়ে বেড়ায়। ফলে শীতে, গরমে , তুষারে বা বৃষ্টিতে ওই আলখাল্লা তার কোনো উপকারেই আসে না।
দ্বিতীয় প্রকার শুকরিয়া হলো মুস্তাহাব। কোনো ব্যক্তি এই কাজগুলো ফরজ ইবাদত করার পর এবং নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ পরিত্যাগ করার পর, অতিরিক্ত বা নফল ইবাদত হিসেবে করে থাকে। শুকরিয়া আদায়ের এই স্তরটি তাদের, যারা সৎকর্মে অগ্রগামী এবং আল্লাহ্ তা‘আলা’র অধিক নৈকট্যলাভকারী। [জামি‘উল ‘উলুম ও’য়াল হুকাম (পৃষ্ঠা ২৪৫, ২৪৬)]
সারকথা:আল্লাহ্র নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে চাইলে, আপনাকে অবশ্যই অন্তরে স্বীকার করতে হবে যে, সমস্ত অনুগ্রহ এবং নেয়ামতের যোগানদাতা হলেন শুধুমাত্র আল্লাহ্। এই আন্তরিক স্বীকারোক্তির ফলে আপনি আল্লাহ্কে শ্রদ্ধা এবং ভক্তির সাথে ভালবাসতে পারবেন। আপনি মুখ দিয়ে স্বীকার করবেন, তিনিই হলেন একমাত্র অনুগ্রহকারী। অতএব, ঘুম থেকে জেগে উঠেই আপনি তার প্রশংসা করবেন। কারণ তিনি আপনাকে নতুন জীবন দান করেছেন। পানাহার করার পরে তাঁর প্রশংসা করবেন। কারণ তিনি অনুগ্রহ করে আপনাকে খাইয়েছেন এবং পান করিয়েছেন। আর এভাবে প্রতিটি অনুগ্রহের জন্য তাঁর শুকরিয়া আদায় করবেন।আপনি শারীরিক ক্ষমতার মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করবেন। চোখ দিয়ে মন্দ কিছু দেখবেন না। কান দিয়ে গান বাজনার মতো খারাপ কিছু শুনবেন না। পায়ে হেঁটে নিষিদ্ধ স্থানে যাবেন না। হাত দিয়ে কোনো পাপ কাজ করবেন না। যেমন : কোনো নিষিদ্ধ প্রেমপত্র বা নিষিদ্ধ চুক্তি লিখবেন না। শারীরিক ক্ষমতা দ্বারা শুকরিয়া করার মধ্যে রয়েছে কোরআন পড়া, জ্ঞান বাড়ে এমন বই পড়া , উপকারী ও প্রয়োজনীয় জিনিস শোনা । এছাড়া অন্য সকল ক্ষমতা বিভিন্ন ইবাদাত এবং আনুগত্যের কাজে ব্যবহার করা উচিত। মনে রাখবেন, আল্লাহ্র নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে পারাটাও তাঁর পক্ষ থেকে আরেকটি নেয়ামত এবং এজন্যও শুকরিয়া আদায় করতে হবে। ফলে শোকরকারী যতই আল্লাহ্র শুকরিয়া আদায় করে, ততই আল্লাহ্র নেয়ামত উপভোগ করে অনুগ্রহপ্রাপ্ত হয়।
আমরা দো‘আ করি আল্লাহ্ যেন আপনাকে আমাকে এবং সর্বোপরি সবাইকে তা-ই করার তাওফীক দান করেন যা তিনি ভালোবাসেন এবং পছন্দ করেন।
#অষ্ট্রেলিয়ায়_উট_হত্যা ও দি ঘ্যান রুট প্রসঙ্গঃ
আফগান থেকে উটগুলো নিজের ইচ্ছায় আসে নাই , নিজের ইচ্ছায় মরছেও না…#দি_ঘ্যান হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেইড-ডারউইন রুটে চলাচলকারী একটি ট্রেন , এই রুটটি দৈর্ঘ্যে ২৯৭৯ কিলোমিটার , যা অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘতম এবং পৃথিবীর অন্যতম দীর্ঘ ট্রেন রুটগুলোর একটি।
অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-দক্ষিনে যোগাযোগকারী এই ট্রেন সার্ভিস চালু হয় ১৯২৯ সালে। এর রুট ও ট্র্যাক সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে। মহাদেশটি একটি দেশ হয়ে উঠার ক্ষেত্রে, দেশটির অর্থনীতিতে এর অবদান অসামান্য।
“দি ঘ্যান” হচ্ছে “দি আফগান এক্সপ্রেস” এর সংক্ষিপ্ত রূপ। হ্যাঁ , আফগান মানে আফগানিস্তান! অস্ট্রেলিয়া দেশটি আসলে একটি মহাদেশ , আকারে বিরাট বড় (আয়তনে পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহত্তম দেশ)।
সেই যুগে ইউরোপীয়রা দূর দূরান্তে যোগাযোগের জন্যে ঘোড়া ব্যাবহার করতো। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার ভূপ্রকৃতির শুষ্কতা কুখ্যাত।
একারণে , দূর-দূরান্তে যোগাযোগের জন্যে অস্ট্রেলিয়ায় ঘোড়া ব্যাবহার করা সম্ভব ছিল না। ফলে উপনিবেশ স্থাপনকারী ইউরোপীয়রা বিকল্পের সন্ধান করতে বাধ্য হয়।
১৮৩৮ সালে ঔপনিবেশিক ইউরোপীয়রা আফগানিস্তান থেকে ১৮ জন উটের চালক নিয়ে আসে।
অস্ট্রেলিয়ার ভূপ্রকৃতির সাথে পরিচিত হওয়ার পর তারা উট আনা যেতে পারে মতামত দিলে , ১৮৪০ সালে উট আনা হয়। প্রথম উটটির নাম ছিল, “হ্যারি”।
পরীক্ষামূলক অভিযানে হ্যারি সন্তোষজনক সার্ভিস দেয়। সেই শুরু , এর পরে বৃটিশ ভারতে উট বিক্রেতা বড় ব্যবসায়ী জর্জ জেমস ল্যানডেলসকে অস্ট্রেলিয়ায় উট সরবরাহ ও উটের চালক নিয়োগের জন্যে বিশেষভাবে নিয়োগ দেয়া হয়।
উটের প্রবর্তন অস্ট্রেলিয়ায় যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলে। ১৯৩০ সাল পর্যন্ত দলে দলে উটের চালক আনা হয়।
তারা “আফগান” হিসেবে পরিচিত হলেও , এসেছিলেন বর্তমান সময়ের আফগানিস্তান , পাকিস্থান ও ইরান থেকে । এথনিসিটিতে তারা পশতুন, বালুচ ও সিন্ধী।
এই উটের সুবাদে অস্ট্রেলিয়ার উত্তর ও দক্ষিন অঞ্চলে যোগাযোগের আপাতত অসম্ভব রুট চালু হতে পেরেছিল। পরে , এক পর্যায়ে সেই রুট মাথায় নিয়ে ট্রেন চালু করা হয়।
একারণেই এতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন রুটটির নাম হয়ে যায় , দি আফগান এক্সপ্রেস ।পরে তা নাম সংক্ষিপ্ত করে “দি ঘ্যান” ডাকা হয়। এখনও এই ট্রেনের লোগোতে উটের ছবি ব্যাবহৃত হচ্ছে।
যোগাযোগের জন্যে ভীনদেশ থেকে এসে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও , যন্ত্রযান প্রবর্তিত হওয়ায় এক সময় উটগুলো বেকার হয়ে যায়।
অল্প কিছু উট এখনও ট্যুরিস্টদের চড়ার জন্যে ব্যাবহৃত হচ্ছে , মানুষের সেবা যত্ন পাচ্ছে। বাকীগুলো অনাথ হয়ে ওয়াইল্ড ক্যামেল হিসেবে বাস করছে।
এরা পরিত্যাক্ত হওয়ার পর অবাধে বংশ বিস্তার করেছে , সংখ্যায় বেড়েছে। মরুভূমির প্রাণী উট নাকি শুষ্ক দেশ অস্ট্রেলিয়ার পানি খেয়ে কমিয়ে ফেলছে।
এ কারণে সরকারি সিদ্ধান্তে আগামীকাল থেকে এক কর্মসূচি শুরু হচ্ছে , হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে দশ হাজার উট হত্যা করা হবে।
এক শত ষাট বছর আগে হ্যারির অস্ট্রেলিয়ায় আসা দিয়ে শুরু , তারপর তার স্বজাতিরা অস্ট্রেলিয়া গড়ে তুলতে অর্থনীতির লাইফ লাইন যোগাযোগ ব্যাবস্থায় বিপ্লব ঘটিয়েছিল ।
বছরের পর বছর তারা দেশটির জন্যে বংশ পরস্পরায় শ্রম দিয়ে গেছে। এক সময় প্রয়োজন ফুরালে পরিত্যাক্ত করা হয়েছিল ।
আজ আপদ বিবেচনায় গুলি করে মারা হবে। নিজের ইচ্ছায় আসে নাই , নিজের ইচ্ছায় মরছেও না…
মাত্র এক কাপ আদা-চায়ের আনেক গুণ ।
এক কাপ আদা-চায়ের কদর অনেকের কাছেই রয়েছে। কিন্তু জানেন কি, এই কাপ কাপ আদা-চায়ে কী কী গুণ? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, চায়ের সঙ্গে যদি আদা যুক্ত হয়, তাহলে এর উপকারিতা বাড়ে কয়েক গুণ। কারণ আদায় রয়েছে জীবাণুরোধী উপাদান, যা রোগ-জীবাণু ঠেকায়। জ্বর জ্বর ভাব, গলাব্যথা ও মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে আদা-চা।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, আদাতে প্রচুর ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়াম ও অন্যান্য খনিজ থাকে বলে শরীরের জন্য উপকারী। চলুন, জেনে আসি আদা-চায়ের কিছু গুণের কথা:
১. মোশন সিকনেস বা গতিজনিত অসুস্থতার জন্য উপকারী হতে পারে এক কাপ আদা-চা। ভ্রমণের আগে আপনি যদি এক কাপ আদা-চা খেয়ে নেন, তাহলে মোশন সিকনেসের কারণে বমি বমি ভাব কমে যাবে। এ ছাড়া মাথাব্যথা কমাতে দারুণ কার্যকর এই চা।
২. অনেক সময় খাওয়ার কারণে পেটে অস্বস্তি বা খারাপ লাগতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে এক কাপ গরম আদা-চা খেয়ে নিন। সঙ্গে সঙ্গে উপকার পাবেন। খাবার দ্রুত হজমেও সাহায্য হবে।
৩. হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে আদা সরাসরি হজমের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।
৪. আদা-চা অবসাদ দূর করে শরীর ও মনে চাঙা ভাব আনে।
৫. মাত্র এক কাপ আদা-চা মানসিক চাপ ও অস্থিরতা কমিয়ে দিতে পারে।
৬. কফ বা খুসখুসে কাশি উপশমে আদা-চায়ে আছে প্রাকৃতিক নিরাময় উপাদান।
৭. খাবারে অরুচি দূর করতে সাহায্য করে। হজমে সহায়ক এনজাইমগুলো নিঃসরণ ঘটিয়ে খাদ্য পরিপাকেও সহায়তা করে আদা।
৮. আদায় উচ্চমাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। তাই এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
৯. আদাতে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। এটি রক্ত সঞ্চালন-প্রক্রিয়া উন্নত করে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি আদার রস ধমনিতে চর্বি জমতে বাধা দেয়। ফলে প্রতিদিন আদা-চা পান করলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।
১০. অম্লতার বিরুদ্ধে খুব ভালো লড়তে পারে আদা-চা।
এ তথ্য #নিউজ_উইক এর।
অন্য একটি স্বাস্থ্য #জার্নাল জানাচ্ছে এভাবে–
আদার চা পানের আটটি সুফল
বাঙালির প্রাত্যহিক জীবনে আদা একটি অন্যতম অপরিহার্য উপাদান। প্রায় সব রান্নাতেই আমরা কম-বেশি আদা ব্যবহার করি। আর সাধারণ সর্দি-কাশি, ঠান্ডায় ঘরোয়া চিকিত্সা হিসেবে আদার ব্যবহার সুপ্রাচীন কাল থেকেই চলে আসছে।
আদার রস মিশ্রিত রং চা আমরা অনেকেই পান করি। কিন্তু এর গুণাগুণ জানি কজনে? গতকাল শনিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে আদার চা পানের আটটি সুফল উল্লেখ করা হয়েছে।
বিতৃষ্ণা ও বমি ভাব দূর করে
কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আগে এ কাপ আদা চা পান করে নিতে পারেন। এতে করে যাত্রার গতির ফলে শরীরে যে বিবমিষা ও বমি বমি ভাব তৈরি হয়, তা দূর হবে।
পাকস্থলীর কর্মক্ষমতা বাড়ায়
আদা চা খাবার হজম করে পাকস্থলীর পরিপাক-প্রক্রিয়া উন্নত করতে সহায়তা করে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খেয়ে পেট ফুলিয়ে ফেলেছেন? চিন্তা নেই। চটপট এক কাপ আদা চা পান করুন। স্বস্তি পাবেন।
শরীরের প্রদাহ কমায়
আদাতে ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়ামসহ মানবদেহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অনেকগুলো খনিজ উপাদান উচ্চমাত্রায় রয়েছে। এগুলো একই সঙ্গে ব্যথানাশক হিসেবেও কাজ করে। তাই পেশি ও জয়েন্টের ব্যথা কমানোর জন্য এটি একটি উত্কৃষ্ট ঘরোয়া উপাদান। আদার চা পানের পাশাপাশি ব্যথা কমাতে এটি জয়েন্টে লাগাতেও পারেন।
শ্বাসতন্ত্রের রোগ মোকাবিলা করে
সাধারণ ঠান্ডা, সর্দি-কাশি নিরাময়ে আদা যে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে তা কম বেশি সবারই জানা। অ্যালার্জিজনিত কারণে শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা বোধ করলে, আদার চা পানে সুফল পেতে পারেন।
রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়
আদাতে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে। এটি রক্ত সঞ্চালন-প্রক্রিয়া উন্নত করে হূত্যন্ত্রকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি আদার রস ধমনিতে চর্বি জমতে বাধা দেয়। ফলে প্রতিদিন আদা চা পান করলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।
ঋতুচক্রের ফলে সৃষ্ট প্রদাহ লাঘব করে
যেসব নারী ঋতুচক্রের সময় শারীরিক যন্ত্রণায় ভোগেন, আদা তাঁদের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি উপাদান। আদা মিশ্রিত গরম চায়ে তোয়ালে ভিজিয়ে নিংড়ে নিন। এরপর তলপেটে সেঁকা দিন। এটি আপনার ব্যথা কমাবে এবং আপনার মাংসপেশিকে আরাম দেবে। এর পাশাপাশি মধু মিশিয়ে এক কাপ আদা চা পান করলে আরও ভালো ফল পাবেন।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
আদাতে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। তাই এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
মানসিক চাপ কমায়
আদার তীব্র নির্যাস মানসিক চাপ ও উত্তেজনা হ্রাস করতে সহায়তা করে।
নির্লজ্জ প্রাণী আর, বর্বর ইতরদের প্রশ্নের কিছু নমুনা তো এমন…!!!

” #সোমালিয়া থেকে প্রশ্ন আসে,
“আমাদের যদি সেহরী বা ইফতার খাবার জন্য কোন কিছু না থাকে তবে কি আমাদের রোজা হবে???”
#ফিলিস্তিন থেকে প্রশ্ন আসে,
“আমি মোহাম্মদ, গাজা থেকে বলছি, আমার বয়স হচ্ছে ১১। আমার প্রশ্ন হল, শায়খ মিসাইলের বিস্ফোরনের কারনে আমার মুখের ভিতর ঢুকে যাওয়া ময়লা এবং পাথরের কারনে আমার রোজা কি ভেঙে যাবে?”
#সিরিয়া থেকে প্রশ্ন আসে,
“কেমিক্যাল অস্ত্রের আক্রমনে কি রোজা ভেঙে যাবে?”
নির্লজ্জ প্রাণী আর, বর্বর ইতরদের প্রশ্নের কিছু নমুনা তো এমন…!!!
@তারাবীর নামাজ ৮ রাকায়াত নাকি ২০ রাকায়াত?@হাত নাভির নিচে বাঁধবো নাকি বুকে?@শবে বরাতে রুটি হালুয়া খাওয়া যাবে?@আমিন জোরে বলবো নাকি আস্তে?@ওরা ওরশ করে কি করেনা? @ওরা ওহাবী না সুন্নী??@নবী মাটির তৈরি না নুরের তৈরি না কি তামার তৈরী??@ওরা কিয়াম করে কি করেনা??@ঈদের নামাজ ৬ তাকবিরে না কি ১২ তাকবিরে ।
জ্বীন শয়তান ও মানুষ শয়তানদের শিখিয়ে দেয়া আরো এমন হাজারো প্রশ্ন ।
বর্তমানের ইহুদীরা কি সেই নবী ইয়াকুব আঃ এর বংশধর বনী ইসরাইল?

বর্তমানের #ইহুদীরা কি সেই নবী #ইয়াকুব_আঃ এর বংশধর #বনী_ইসরাইল?বর্তমানের ইহুদিরা আর পবিত্র কুর’আন ও বাইবেলে বর্ণিত ইহুদিরা একই বংশদ্ভূত নয়। আমরা জানি যে হযরত ইব্রাহিমের (আ) দুইটি ছেলে ছিল, একজন হযরত ইসমাইল (আ) ও অন্যজন হযরত ইসহাক (আ)।
দুই জনেই আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা’য়ালার প্রেরিত নবী ছিলেন। দারুন মজার! পিতা ও পুত্রদ্বয়, একই পরিবারের তিনজনই আল্লাহর প্রেরিত নবী! কথার শেষ এখানেই না, হযরত ইসহাকের (আ) ছেলে হযরত ইয়াকুবও (আ) আল্লাহর একজন নবী।
আরও মজার হল, হযরত ইয়াকুবের ছেলে হযরত ইউসুফও (আ) নবী!! মাত্র তিন জেনারেশনের মধ্যে ৫ জন নবী!!হযরত ইয়াকুবের (আ) বার জন পুত্র ছিল। ইয়াকুবের (আ) অন্য নাম ইসরাইল।.এই বারোজন পুত্র থেকে বারটি গোত্রের সূচনা হয়। সেই গোত্রগুলোকেই আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা’য়ালার অশেষ কুদরতে হযরত মুসা (আ) মিসর থেকে লোহিত সাগর পার হয়ে সিনাই উপত্যাকায় নিয়ে আসেন।পরে তারা ফিলিস্তিনে প্রতিষ্ঠিত হয়। বুঝতেই পারছেন যে বনী ইসরাইল হল হযরত ইব্রাহিমের (আ) বংশধর। ৭৪০ খৃষ্টাব্দের আগে ইহুদিদের বড় একটা অংশই ছিল এই বংশধরের মধ্যে।
কিন্তু বর্তমানের বেশিরভাগ ইহুদিই (> ৯৩%) ইহুদি হযরত ইব্রাহিমের (আ) বংশধর না! তাদের সাথে মধ্যপ্রাচ্যেরও কোন সম্পর্ক নেই!! তাদের পূর্বপুরুষদেরও কেউ কোন কালেই মধ্যপ্রাচ্যে ছিল না! তাদের সাথে মধ্যপ্রাচ্যের কারোরই রক্তের কোন সম্পর্ক নেই!!.তিন ধরণের ইহুদি বর্তমানে আছে,১. আশকেনাজি (Ashkenazi Jews): ইহুদি বর্তমান ইহুদিদের ৯৩% ই এরা, এদের পূর্বপুরুষরা খাজারিয়া অঞ্চলে বসবাস করতো, এরা ককেশাস অঞ্চলের লোক, মধ্যেপ্রাচ্যের নয়!.২. সেফারডিম ইহুদি (Sephardic Jews): স্পেনের ইহুদিরা, যারা খৃষ্টাব্দ ৭৩ সালে রোমানসৈন্য কতৃক Temple of Solomon ভেঙ্গে দেয়ার ফলে স্পেন ও গ্রীসে অভিবাসী হয়।.৩. মিজরাহিম ইহুদি (Mizrahi Jews): একইভাবে, তারাও আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের ইহুদি, যারা ৭৩ খৃষ্টাব্দে রোমানসৈন্য কর্তৃক Temple of Solomon ভেঙ্গে দেয়ার ফলে আরব, ইরান, ইরাক, উত্তর আফ্রিকায় অভিবাসী হয়, যাদের পূর্বের ইহুদিদের সাথে সত্যিকারের রক্তের সম্পর্ক আছে!.৭০০ খৃষ্টাব্দের পর সারা পৃথিবীতে তিনটি সুপারপাওয়ার সাম্রাজ্য ছিল।১. রোমান এম্পায়ার: খৃষ্টানদের,২. মুসলিম খিলাফত: মুসলিমদের ও৩. খাজার সাম্রাজ্য : Pagan বা প্রকৃতি পূজকদের, এই খাজাররা খুবই শক্তিশালী ছিল, তাদের প্রতিরোধের কারণে মুসলিমরা ইউরোপে যেতে পারেনি, নতুবা ইউরোপ হয়তো আজ মুসলিমদের দখলে থাকতো!!.খাজার সাম্রাজ্যের প্রধান যে তাকে বলা হত কাগান (Kagan)। সে চিন্তা করে দেখলো যে তারা ছাড়া অন্য যে দুটি সুপার পাওয়ার সাম্রাজ্য আছে তারা ঐশ্বরিক ধর্মের অনুসারী অথচ আমরা এত শক্তিশালী হয়ে প্রকৃতির পূজা করে বেড়ায়!!
তারপর সে সিদ্ধান্ত নিলেন যে তারাও একটি ঐশ্বরিক ধর্মের অনুসারী হবে!! সে চিন্তা করে দেখলো যে যদি তারা খৃষ্টান ধর্ম গ্রহণ করে তবে তারা রোমান চার্চের অধীনে থাকতে হবে! আর যদি ইসলাম গ্রহণ করে তবে খলিফার অধীনে থাকতে হবে।
সুতরাং সে সিদ্ধান্ত নিলে যে সে এবং তার প্রজারা সবাই একযোগে ইহুদি ধর্ম গ্রহণ করবে!! সে সারা রাজ্য এই ঘোষণা দেয়ার পর সারা রাজ্যের অধিবাসীরা একত্রে ইহুদি ধর্ম গ্রহণ করে।ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধর্মের পরিবর্তনের উদহারণ এটি!! পুরো রাজ্য একযোগে ইহুদি হয়ে যায়!! এরা সবাই ককেশাস অঞ্চলের, বর্তমানে এটা প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে।.কাজেই বুঝতেই পারছেন তাদের পূর্বপুরুদের মধ্যপ্রাচ্যের সাথে কোনই সম্পর্ক নেই! যখন রাশিয়ানরা ১৩০০ শতকে খাজার সাম্রাজ্যকে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে দখল করে নিল তখন খাজারের ইহুদিরা পশ্চিমের দিকে রওনা দিল। তাদের বেশিরভাগই গেল রাশিয়া ও পোল্যান্ডে।
তারপর তারা আস্তে আস্তে জার্মানীতে ছড়িয়ে পড়লো। জার্মানীতে যখন তারা গেল তখন তাদের বলা হত আশকেনাজি (ইউরোপের ইহুদি (জার্মান শব্দ))!! এই ইহুদিরাই পরবর্তীতে সমগ্র ইউরোপে ও পরে যুক্তরাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়ে!!
আর্থার কোস্টলার (Arthur Koestler), তিনি নিজেই একজন আশকেনাজি ইহুদি, তিনি এই সংক্রান্ত গবেষণা করেন এবং এর উপর একটা বই লেখেন। বইটির নাম ‘The Thirteenth Tribe’। আসল ইহুদিরা বনী ইসরাইলের ১২ টি গোত্রের, বর্তমান ইহুদিরা মধ্যপ্রাচ্য নয় বরং ককেশাস (ইউরোপ) থেকে এসেছে বলে তিনি উপহাস করে বলেছেন ১৩তম গোত্র!.শুধু আর্থার কোস্টলার নয় ইসরাইলের অনেক ইহুদি ইতিহাসবিদ স্বীকার করেন যে তাদের পূর্বপূরুষগণ ককেশাস অঞ্চলের, খাজার সম্রাজ্যের, ফিলিস্তিনের নয়!!
ইংরেজী ও উর্দূ ভাষার চর্চায় হারিয়ে যাচ্ছে মাতৃভাষা।

বাঙালি জাতির বিশেষ করে বাংলাদেশীদের সবচেয়ে ঐতিহ্যময় এবং গর্বের বিষয় হচ্ছে তাদের ভাষা। বাংলা ভাষার ইতিহাস এবং ভাষার জন্য বাংলাদেশী বাঙালিদের ত্যাগ পুরো বিশ্বের কাছে সমাদৃত। তবে সমসয়াময়িক অবস্থায় বাংলা ভাষাভাষি নতুন প্রজন্মের কাছে এ ভাষা কতটুকু সমাদৃত?
উত্তরের খোঁজ করতেই ঝুকতে হয় সদ্য বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া কিংবা প্রাথমিক পর্যায় পর্যন্ত পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যার ওপর। যে টি না বললেই নয়,শিক্ষিত ও শহুরে আধুনিক অভিভাবকদের ইংরেজী মাধ্যমে পড়াশোনার দিকে ঝোঁক এখন সব থেকে বেশি৷ ইংরেজি চর্চায় পিছিয়ে পরা চলবেনা এমন প্রতিযোগিতায় লিপ্ত এখন অধিকাংশ শহুরে আধুনিক অভিভাবকেরা। বাড়তি চাপ এসে পরছে শিক্ষার্থীদের কাঁধে৷
অপর দিকে দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিঁটিয়ে আছে অসংখ্য কওমী মাদ্রাসা । এ সকল মাদ্রাসার শিক্ষা দানের প্রধান মাধ্যম হলো দুনিয়া ও আখেরাতে কোন প্রকার প্রয়োজনে না লাগা উর্দূ ও ফার্সীর মত আমাদের জন্য সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় ভাষা ।সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় হলো এ সব মাদ্রাসার ৯৮% শিক্ষকের দুই লাইন বাংলা শুদ্ধ করে পড়ার যোগ্যতা নেই । যদিও উর্দূ ফার্সী এদের সিলেবাসভূক্ত তথাপিও এই দুটি ভাষার কোন প্রকার ভূৎপত্তিগত জ্ঞান নেই ৯৯.৯৯% কওমী শিক্ষকের।
উল্লেখ্য যে,এই সকল কওমী মাদ্রাসার ছাত্র হলো ৯৮% ই গ্রামের সহজ সরল মূর্খ বাবা মায়ের সন্তান ।তাদেরও আকাঙ্খা ঐ শহুরে আধুনিক বাবা মায়ের মতই । এসব অবিভাবকের আশা থাকে ছেলে আমার ইসলাম শিখে মৃত্যুর পর আমাদের জন্য দোয়া করবে । কিন্তু হয় উল্টো । তারা ওখানে ইসলাম কোরআন ও হাদীস থোরাই শিখে । মাদ্রাসায় ভর্তির প্রথম দিন থেকেই কওমী শিক্ষকরা বাচ্চাদের যা শিখায় তা হলো বাংলা,ইংরেজী শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি ঘৃনা ও বিদ্বেষ । এমন কি তারা তাদের জাতভাই আলীয়া মাদ্রাসাকেই সবচেয়ে বেশি ঘৃনা করে বাংলা ও ইংরেজী শিখায় বলে । ফলে এক একটা কওমী শিক্ষিত ছাত্র গড়ে উঠে সাক্ষাৎ সমালোচনাকারী ও হিংসুটে হয়ে ।
অন্যদিকে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ইংরেজী ও কওমী মাদ্রাসায় উর্দূ ভাষার চর্চার গুরুত্ব বাড়ার সাথে সাথে মাতৃভাষার গৌরব ম্লান হয়ে পরছে নতুন প্রজন্মের কাছে। তাছাড়া ঘরের বৌ ঝিয়েদের নষ্ট করার জন্যতো ঘরে রাখাই আছে ক্যাবল টিভি । যার মাধ্যমে তারা শিখছে উর্দূর সহোদর ভাষা হিন্দি । আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকতে নিজস্বতা হারাচ্ছে বাঙ্গালীদের অনেক ত্যাগের দ্বারা অর্জিত ভাষা এই প্রিয় মাতৃ পিতৃ ভাষা।
সেই সাথে ছোট বাচ্চাদের থেকেই এখন ভাষার বিকৃতির শুরু হচ্ছে। ইংরেজী ও উর্দূ মাধ্যমে পড়ুুয়া কিছু শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে খুব সহজেই ঠাওর করা যায়, নিজস্ব ভাষার প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি৷ বাংলা ভাষার শুদ্ধ চর্চা এসব মাধ্যমে হয়না বললেই চলে।কওমী মাদ্রাসার বড় বড় হুজুরগুলোও শুদ্ধ বাংলা বলতে পারেনা ৯৫% । ফলে বাংলা ভাষা তার গৌরব কতটুকু ধরে রাখতে পারবে তা আসলেই এখন চিন্তার বিষয়।
কিছু অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইংরেজী মাধ্যমে পড়াশোনা না করলে পেশাগত জীবনে পিছিয়ে পরবে তাদের সন্তানেরা।এবং অনেক গ্রাম্য লোক তার সন্তানদের কওমীতে পড়ান এই আশায় যে,আর কিছু না হোক তার সন্তান তো ইমামতি আর মক্তবে পড়িয়ে এবং মিলাদ পড়িয়ে চলতে পারবে!!! অথচ এই চিন্তা করে ইসলাম শিখানোর ফলে তারা ইসলাম না শিখে পয়সার ধান্ধায় থাকে সারাক্ষণ । বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনার কার্যক্রম নিয়েও তারা যথেষ্ট সন্দিহান। অনেক অভিভাবক বাচ্চাদের ধারণক্ষমতা যাচাই বাছাই না করেই তাদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে পশ্চিম থেকে আগত উর্দূ ও ইংরেজী ভাষার মোটা মোটা পুস্তক।
এই ধারা চলছে বহুদিন ধরে ।সেই কওমী তৈরীর পর থেকে উর্দূ ফার্সী ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর থেকে ইংরেজী । এ পর্যায়ে এসে এই সব শিক্ষার্থীরাই ঘটাচ্ছে ভাষা বিকৃতি।যে কোন সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে ভাষা।বাংলাদেশের প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ মুসলীম। মুসলীম সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে হলে বাংলা ভাষার মাধ্যমে ধর্ম চর্চা করতে হবে । ফলে ধর্মে সাথে সাথে নিজস্ব ভাষাও বেঁচে থাকবে । যুগে যুগে, সময়ের পালা বদলের সাথে ভাষায় এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। যোগ হয়েছে বহু শব্দ। অন্যদিকে বিলুপ্ত ও হয়েছে অনেক শব্দ।
হাজার বছরের পুরোনো এই ভাষার জন্য মানুষ শহীদ হয়েছেন। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম যাদের স্মরণ করছে শ্রদ্ধাভরে। বর্তমান প্রজন্মের এমন অসুস্থ প্রতিযোগিতায় তা আর কতদিন টিকে থাকবে!
প্রয়োজনীয় ইংরেজী ভাষা আমাদের দরকার । কিন্তু উর্দূ ও ফার্সী ভাষার আদৌ কি কোন প্রয়োজন আছে?হ্যাঁ যে কেউ ইচ্ছে করলে যে কোন ভাষা শিখতেই পারে । কিন্তু রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যম ও শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বাংলা/আরবী/ ও ইংরেজী ভাষা রেখে বাকি সকল ভাষা চিরতরে বন্ধ করে দেয়া জোর দাবি জানাচ্ছি ।
কাদেরের দামি ঘড়ি কেন তোশাখানায় জমা হলো না:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের দামি ঘড়ি সংগ্রহ কেন রাষ্ট্রীয় তোশাখানায় জমা হলো না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে টিআইবি। মন্ত্রীর ঘড়ি সংগ্রহ কী একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা, না কী ব্যাপকতর ও গভীরতর বিস্তৃতির লক্ষণ মাত্র তা দেশবাসীকে জানানোর আহ্বানও জানিয়েছে টিআইবি।
আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান এ কথা বলেন।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদকের দামি ঘড়ি সংগ্রহের বিষয়ে দেওয়া ব্যাখ্যাকে প্রশ্নবিদ্ধ ও অপর্যাপ্ত। তিনি বলেন, এসব সামগ্রী কেন যথানিয়মে ও যথাসময়ে রাষ্ট্রীয় তোশাখানায় জমা দেওয়া হলো না, তা দেশবাসীকে জানানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে সংগৃহীত এ ধরনের উপহার কী ঘড়িতেই সীমাবদ্ধ, এরূপ সংগ্রহ কী শুধু সড়ক ও সেতু মন্ত্রীরই, না কী এর স্বরূপ ও বিস্তৃতি আরও ব্যাপক ও গভীর, তা খতিয়ে দেখে দেশবাসীকে জানাবার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের তাঁর হাতে থাকা দামি ঘড়িগুলো উপহার হিসেবে পেয়েছেন বলে সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন। তিনি বলেছেন, দলের নেতা-কর্মীরা তাঁকে ভালোবেসে এগুলো দিয়েছেন।
টিআইবি বিবৃতিতে বলছে, যেভাবেই মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উপহারসমূহ পেয়ে থাকুন না কেন ২০১২ সালের জুনে হালনাগাদকৃত তোশাখানা বিধি ১৯৭৪ অনুযায়ী উপহারসমূহ যথাসময়ে তোশাখানায় জমা দেওয়া হলো না কেন; জমা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত যেহেতু তিনি নিয়েছেন সেহেতু সংশ্লিষ্ট ধারা অনুসরণ করে উপহার প্রাপ্ত বস্তুর প্রকৃত মূল্য অনুযায়ী অর্থ রাষ্ট্রীয় কোশাগারে জমা দেওয়া হয়েছে কী না? এ ধরনের প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর জানার অধিকার জনগণের রয়েছে।
সরকারের অন্যতম প্রভাবশালী মন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক অবস্থানে থেকে তিনি কি অন্যদের স্থাপিত দৃষ্টান্ত অনুসরণ করলেন, না কী অন্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করলেন? এরূপ প্রশ্ন উত্থাপিত হওয়া অমূলক না বলে মন্তব্য করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য মতে মন্ত্রী বলেছেন যে, ঠিকাদারেরা নির্বাচনের সময় “একটা এমাউন্ট” দিতে চেয়েছিল, যা তিনি গ্রহণ করেননি। তাঁর (মন্ত্রী কাদের) মতো গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থেকে সেসব ঠিকাদারদের এ ধরনের অনৈতিকতা ও দুর্নীতির চর্চা প্রতিরোধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? কাউকে কী তালিকাভুক্ত করা হয়েছে? না কী কমপক্ষে জনস্বার্থে তাদের তালিকা প্রকাশ করা হবে?
বিষয়গুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা এবং নিজের দলের নেতা কর্মীসহ কাউকে ছাড় দেওয়া হবে নাÑ এই অঙ্গীকারের সঙ্গে কী সামঞ্জস্যপূর্ণ বিবেচিত হবে? এসব প্রশ্নের জবাব দেওয়ার মতো সৎ সাহসের দৃষ্টান্ত সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা সৃষ্টিতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শতবর্ষ উদ্যাপন কার্যক্রমের শুরুর লগ্নে স্মরণ করা অযৌক্তিক হবে না, যে তোশাখানা বিধি জাতির পিতার নেতৃত্বাধীন সরকার কর্তৃক প্রণীত হয়েছিল, বর্তমান সরকারের আমলে হালনাগাদ হয়েছে, আর নভেম্বর ২০১৮ সালে তোশাখানা জাদুঘর উদ্বোধন করা হয়েছিল।
বইয়ের শিরোনাম দেখলেই বোঝা যায় বইয়ের ভেতরে কী আছে

কিছু বই এমন আছে এগুলোর শিরোনাম দেখলেই বোঝা যায় বইয়ের ভেতরে কী আছে এবং কতটুকু হিংসাত্মক মনোভাব নিয়ে বইটি লেখা হয়েছে ৷ আর এটাও বোঝা যায় যে , লেখক কত হিংসুক ও ছোটো মনের মানুষ ৷ এইরকম কিছু বই হচ্ছে
এই বইগুলোর কিছু কওমী সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত
যা কওমী ছাত্রদের ছোট অবস্থায় পড়ানো হয়।
আজব গীবতের সিলেবাস।

১. ডাঃ জাকির নায়েকের হাকীকত
২. জাকির নায়েকের আসল চেহারা
৩. ডাক্তার যখন মুফাসসির
৪. ডাক্তার জাকির নায়েকের ভ্রান্ত মতবাদ
৫. মওদূদী ফিতনা
৬. মওদূদী মতবাদ
৭. মওদূদী মতবাদের এক্স-রে রিপোর্ট
৮. মওদূদী মতবাদ এক আয়নায় তিন চেহারা
৯. মওদূদী সাহেব ও ইসলাম
১০. মিস্টার মওদুদীর নতুন ইসলাম
১১. মিষ্টার মওদুদীর নতুন ধর্ম
১২. মওদূদী খোমেনী ভাই ভাই
১৩. কথা সত্য মতলব খারাপ
১৪. ফিৎনায়ে মওদূদী ৷
১৫. মওদূদী মতবাদ ও তার স্বরূপ
১৬. ইসলাম ও মওদুদীবাদের সংঘাত।








#হিউম্যান_ডগ – মানব কুত্তা

২৬ ডিসেম্বর ঢাকার হাতিরঝিলে দেখা গেছে এক নারীর হাতে ‘মানব কুকুর’! কি সাংঘাতিক তাইনা?
বাংলাদেশে অনেকেই এটার সাথে পরিচিত না। আর ইতিমধ্য মানব কুকুর ছবি ভাইরাল হয়েছে। অনেকে হিউম্যান ডগ শব্দটা নতুন শুনলেন হয়তো।এটা বিদেশি সংস্কৃতি।এটাকে ট্যাবু বলে। দিন দিন পশ্চিমা সংস্কৃতি আমাদের গ্রাস করছে!

ন্যাশনাল জিওগ্রাফি তে ‘ট্যাবু’ প্রোগ্রামটা দেখলে মোটামুটি ধারনা পাবেন।
‘Secret Life of The Human pups’ লিখে ইউটিউবে ডকুমেন্টারি টা দেখতে পারবেন। এ ছাড়াও Life of the Human Pups লিখেও সার্চ করতে পারেন।
বাংলাদেশের সমাজে এসব কুত্তা সংস্কৃতি বেনানান। কিন্তু কিছু মানুষ এটেনশন স্বীকার… ভাইরাল হবার জন্য নানান পন্থা বেছে নেয়। তাই বলে ঢাকার রাস্তায় কোনো পুরুষকে ‘হিউম্যান ডগ’ বানিয়ে নারী হেটে বেড়াবে আর তবু বলবে নারী নির্যাতিত!

আমি এখানে দেখছি পুরুষ নির্যাতিত। নারীবাদিরা কখনো পুরুষ নির্যাতন নিয়ে কথা বলেনা।এই মানব কুকুর বর্তমান বাংলাদেশে পুরুষ নির্যাতনের চিত্র সবাইকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল… সেই সাথে পশ্চিমা সংস্কৃতি বাংলাদেশকে কতটা গ্রাস করেছে সেটাও।
সমাজ গরিবরা নষ্ট করেনা; নষ্ট করে কথিত এলিট শ্রেণীর সংস্কৃতি আমদানী কারকরা।
#জর্দা_তামাক_ও_ধুমপান হারাম হওয়ার কোরআনিক দলীল । নিকৃষ্ট জর্দা,তামাক ও ধূমপান ছাড়ার কিছু কৌশল

আমার দেশের ৯৫% আলেম ও মোল্লারা জর্দার নেশায় নেশাগ্রস্থ। তারা নিজেরা এই নিকৃষ্ট ও খারাপ গন্ধযু্ক্ত তামাকে আসক্ত বিধায় ধুমপায়ীদের বিষয়ে সত্য ফতোয় দেয়ার সাহস রাখেনা । মূলতঃ তামাক ও তামাক জাতীয় সকল দ্রব্য খাওয়া ও পান করা সম্পূর্ণ হারাম ।কেননা এটা জান্নামীদের একটি খাদ্য ।তামাক,জর্দা ও ধূমপানের মধ্যে রয়েছে জাহান্নামী খাদ্যের পূর্ণ বৈশিষ্ট্য।সূরা আল-গাশিয়াহ’র ৭ নয় আয়াতে আল্লাহ বলেন–” “(জাহান্নাীদের যে খাদ্য দেয়া হবে)এটা তাদের পুষ্টিও যোগাবেনা ক্ষুদাও নিবারন করবেনা। জর্দা-গুল ও বিড়ি-সিগারেটে পুষ্টিও যোগায়না ক্ষুদাও নিবারন করেনা । তবে বিভিন্ন রোগ তৈরী করে জাহান্নামের অগ্রীম কিছু শাস্তি দুনিয়াতেই শুরু হয় ।#ধুমপান_হারাম_কেন_১) এটি বিভিন্ন রোগের কারণ ও স্বাস্থের জন্য ক্ষতি কারক। নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হারাম।#আল্লাহ_বলেন—নিজের জীবনকে ধ্বংসের সম্মুখীন করো না।” [বাকারা: ১৯৫]
২) এটি মৃত্যুর অন্যতম একটি কারণ। আর আত্মহত্যা করা হারাম।#আল্লাহ_বলেন— “আর তোমরা নিজেদের কাউকে হত্যা করো না।” [নিসা: ২৯]
৩) ধূমপানের মধ্যে রয়েছে জাহান্নামী খাদ্যের বৈশিষ্ট্য। “এটা তাদের পুষ্টিও যোগাবেনা ক্ষুদাও নিবারন করবেনা।“[সূরা আল-গাশিয়াহঃ ৭]
৪) অর্থ অপচয় হয়।#আল্লাহ_বলেন— “অপচয়কারী শয়তানের ভাই।”[সূরা ইসরা: ২৭]
৫) মুসলিম-অমুসলিম সকলেই একমত যে নিকোটিন একটি ক্ষতিকারক বস্তু। আল্লাহ তায়ালা নাপাক জিনিস ভক্ষণ করতে নিষেধ করেছেন।#আল্লাহ_বলেন— “…তাদের জন্য যাবতীয় পবিত্র বস্তু হালাল ঘোষনা করেন ও নিষিদ্ধ করেন যাবতীয় নাপাক ক্ষতিকারক বস্তুসমূহ।” [আরাফ: ১৫৭]
৬) এটি একটি প্রকাশ্য পাপ। আর প্রকাশ্যে পাপাচার করার শাস্তি আরও বেশী।#আল্লাহ_বলেন—“তোমরা প্রকাশ্য গুনাহ থেকেও বেঁচে থাকো,গোপন গুনাহ থেকেও বেঁচে থাকো; নিঃসন্দেহে যারা কোন গুনাহের কাজ করবে,তাদের কৃতকর্মের যথাযথ ফল তাদেরকে প্রদান করা হবে।”-[সূরা আনআম,আয়াত ১২০]
৭) আল্লাহ নির্দেশের সরাসরি বিরোধিতা এটি। কেননা, আল্লাহ তায়ালা পবিত্র ও হালাল জিনিসভক্ষণ করতে আদেশ করেছেন। #আল্লাহ_বলেন—“হে ঈমানদারগণ, তোমরা পবিত্র বস্তু সামগ্রী আহার কর, যেগুলো আমি তোমাদেরকে রুযী হিসাবে দান করেছি এবং শুকরিয়া আদায় কর আল্লাহর, যদি তোমরা তাঁরই বন্দেগী কর।” [সূরা বাকারা: ১৭২]
৮) তামাক নেশা দ্রব্যের অন্তর্ভূক্ত। #রাসূল_সাঃ_বলেন— কম হোক বা বেশী হোক সকল প্রকার নেশা দ্রব্য ইসলামে হারাম। [সূনানে ইবনে মাজাহ, ৩য় খন্ড, অধ্যায়ঃ ৩০, হাদীস নংঃ ৩৩৯২)
৯) এর মাধ্যমে ধুমপায়ী নিজের যেমন ক্ষতি করে অন্যের ক্ষতি করে। আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা) #রাসূল_সাঃ_বলেন— থেকে বর্ণনা করেছেন যে, “নিজের ক্ষতি স্বীকার করবেনা, অন্যকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবেনা।” [মুয়াত্তা মালিক; হাদিস নং ৩২; হাদীসটির ইসনাদ সহীহ]
#তামাক_জর্দা ও #ধূমপান ছাড়ার কিছু কৌশলঃ
প্রথমেই বলবো যদি আত্মহননের পথে চলতে চান তবে জর্দা,গুল,তামাক খেয়ে যান এবং ধূমপান করতে থাকুন। আর সুন্দর পৃথিবীতে সুস্থ্য ভাবে বাঁচতে চাইলে জর্দা-গুল ও ধূমপান অবশ্যই ছেড়ে দিন। ইদানিং বিদেশে অনেক তামাক জাতীয় দ্রব্য ও সিগারেটের প্যাকেটে এধরনের সতর্ক সংকেত লেখা হয়। #তামাক_ও_ধূমপান_মৃত্যুর_অন্যতম_কারণ।তামাক ও ধূমপানের কুফল হিসেবে ফুসফুসের ক্যান্সার, হার্টের রক্তনালি সরু ও ব্লক হয়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বৃদ্ধি, মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে বাধা, যৌন ক্ষমতা হ্রাসসহ ক্ষুদামান্দা, হাই ব্লাড প্রসার, পায়ু পথে পাইলস, নানা ক্ষতিকর দিক রয়েছে । অনেকেই জর্দা-গুল ও ধূমপান নামক এই ঘাতককে চিরতরে নির্বাসনে দিতে চান কিন্তু নানা কারণে এই জর্দা ও ধূমপান আর ছাড়া হয় না। বিশেষজ্ঞগণ ধূমপানের আসক্তি থেকে নিজেকে রক্ষার কিছু উপায় বলে দিয়েছেন। এসব অনুসরণ করলে অবশ্যই জর্দার নেশা ও ধূমপান ছাড়া সম্ভব। এ উপায় গুলো হলো হচ্ছে-
১. প্রথমে সিদ্ধান্ত নিন কেন জর্দা, ধূমপান ও তামাকদ্রব্য ছাড়া আপনার জন্য জরুরি। অর্থাৎ কি কারণে এসব ছাড়তে চান। যেমন ক্যান্সার ও হার্ট অ্যাটাক সহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমাতে।
২. কোন ধরনের থেরাপি বা বিকল্প মেডিকেশন ছাড়া জর্দা, ধূমপান ও তামাকদ্রব্য ছাড়া ঠিক নয়। কারণ জর্দা ও সিগারেটের নিকোটিনের ওপর ব্রেইন অনেক ক্ষেত্রে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ছেড়ে দিলেই নানা উপসর্গ শুরু হয়। তাই জর্দা ও সিগারেটের বিকল্প থেরাপির কথা চিন্তা করতে হবে।
৩. নিকোটিনের বিকল্প হিসেব প্রথম অবস্থায় গাম, লজেন্স ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে।
৪. নিকোটিনের বিকল্প ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
৫. একা একা জর্দা, ধূমপান ও তামাকদ্রব্য না ছেড়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্য (যদি তামাকসেবী থাকেন), বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মীদের উত্সাহিত করে একসঙ্গে জর্দা, ধূমপান ও তামাকদ্রব্য ত্যাগের ঘোষণা দিন।
৬. মানসিক চাপ কমাতে চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে হালকা ম্যাসাজ নিন।
৭. অ্যালকোহল সম্পূর্ণ পরিহার করুন।
৮. মনোযোগ অন্যদিকে নিতে ঘরের কাজ অথবা অন্য যে কোন কাজ করতে চেষ্টা করুন।
৯. জর্দা, ধূমপান ও তামাকদ্রব্য ত্যাগের জন্য বার বার চেষ্টা করুন। একবার ছেড়ে দিলে দ্বিতীয় বার আর ধূমপান করবেন না।
১০. নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
১১. প্রচুর পরিমাণ সবুজ শাক-সবজি ও রঙিন ফলমূল খান।
১২. জর্দা, ধূমপান ও তামাকদ্রব্য বন্ধ করে যে আর্থিক সাশ্রয় আপনার হবে তার একটা অংশ জনকল্যাণ অথবা হালকা বিনোদনে ব্যয় করুন।
১৩. এবং জর্দা, ধূমপান ও তামাকদ্রব্য ছাড়ুন বন্ধু-বান্ধব বা প্রেমিক-প্রেমিকাকে খুশি করার জন্য নয়, বরং জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য ও দুনিয়াতে সুস্বাস্থ্য সহ জীবন যাপনের জন্যই এটা করেছেন। এমন জোরালো অবস্থান নিন।
১৪. গুল-জর্দা-ধূমপানের লোভ থেকে মুক্তির কিছু অতিরিক্ত আধুনিক উপায়ঃ
কোন বিষয়টি আপনাকে পান খেতে বা ধূমপান করতে কিংবা গুল গ্রহণে আগ্রহী করে তুলবে তা আপনিই ভালো জানবেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, দিনের যেই সময়গুলোতে আপনার তামাক জাতীয় নেশা গ্রহণের ইচ্ছা হয় সে সময় অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করা উচিৎ।
ধরা যাক কাজের বিরতির সময়টায় আপনার #পান_সিগারেটের অভ্যাস, তাহলে তামাক ছাড়ার পর ঐ সময়টুকু কাটাতে পারেন কোনো সহকর্মীদের সঙ্গে গল্প করে, বই পড়ে অথবা হেঁটে আসুন এক চক্কর। আপনার অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসকে বদলে ফেলুন স্বাস্থ্যকর অন্য কিছুতে।
আসলে নিকোটিন গ্রহণের ইচ্ছা একেকজনের বেলায় একেক রকমভাবে জেগে ওঠে। তবে সাধারণভাবে বেশিরভাগ জর্দা সেবনকারী ও ধূমপায়ীর দৈনন্দিন জীবনে এমন কিছু সময় থাকে যখন ধূমপান জর্দা জাতীয় তামাক নিতে ইচ্ছা হয়। সেগুলো থেকে মুক্তি পাবেন এভাবে:
১. অফিসের কাজ, পড়াশোনা কিংবা ঘরের কাজ থেকে বিরতিঃ# একটু ফেইসবুকে উঁকি দিন, ইউটিউবে কোনো ভিডিও দেখুন। # রাস্তায় একটা চক্কর দিয়ে আসুন। # স্বাস্থ্যকর কোনো নাস্তা খান, যেমন আপেল। # রান্নাঘরে গিয়ে এক গ্লাস পানি খান।
২. অনেকেই খাওয়ার পরে পান ও সিগারেট খান, কেউ কেউ দুটোই এক সাথে খান ।জর্দা ও ধূমপান ছাড়ার পর এই ইচ্ছা দূর করা অনেক কঠিন হতে পারে। এক্ষেত্রে # স্বাস্থ্যকর কোনো ডেজার্ট খান। # খাওয়া শেষে সোজা চলে যান প্লেট ধুঁতে।# কোন পাজল অথবা এক কথায় উত্তর দেয়ার কুইজে মেতে উঠুন, এতে আপনার মনোযোগ ধূমপান ও পান খাওয়া থেকে দূরে সরে যাবে।
৩. চা-কফিঃ অফিস কিংবা ক্লাসের ফাঁকে টং দোকানে দাঁড়িয়ে চায়ে চুমুক দেয়া অনেকের রোজকার অভ্যাস, সঙ্গে সিগারেট ও কোয়লে পান তো থাকেই অনেকের। এক্ষেত্র # সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নিউজ ফিডটা ঘুরে আসুন চা-কফি খেতে খেতে। # কোনো বই কিংবা পত্রিকা পড়ুন। # এমন কোনো বন্ধুর সঙ্গে আড্ডায় মেতে উঠুন যিনি ধূমপান করেন না।
৪. দুশ্চিন্তাঃ দুশ্চিন্তা অনেকের ধূমপান ও তামাক সেবন করার প্রধান কারণ। তবে ধূমপান করে অথবা এক ডিব্বা জর্দা দিয়ে কয়েকটি পান খেয়েও কিন্তু দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত হওয়া যায় না, কিছু উপায় হলো # ৫মিনিট মৃত্যু- কবর ও পরকালের চিন্তা করুন। # ৫ মিনিট হেঁটে আসুন।# আপনার দুশ্চিন্তার কারণ নিয়ে কোনো বন্ধুর সঙ্গে অথবা স্ত্রীর সঙ্গে কিংবা সন্তানদের সাথে কথা বলুন, হয়ত তারা আপনাকে সাহায্য করতে পারবেন।
৫. ট্রাফিক জ্যামে কিংবা অপেক্ষার প্রহরেঃ অপেক্ষার কঠিন সময়টা সহজ করতে অনেকেই সিগারেট জ্বালান কিংবা পান চিঁবায়। এক্ষেত্রে ধূমপান ও পান-জর্দা ছাড়ার পর আপনি নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারেন অন্যকিছু দিয়েঃ # কোনো(ইসলামী) গানের প্লে লিস্ট ডাউনলোড করে নিন,কিংবা প্রিয় বক্তার বক্তৃতা (#নোমান_আলী_খানে’র ডাবিং করা বক্তৃতা আপনাকে নতুন চিন্তার খোরাক যোগাবে) শুনতে শুনতে সময় পার করে দিন।# এমন কোনো বন্ধু কিংবা আত্মীয়কে ফোন করুন যার সঙ্গে অনেকদিন কথা হয় না।# চিনিমুক্ত কোনো লজেন্স খান বা চিউয়িং গাম চিবান।# বাসে বা ট্রেনে বসে থাকলে নতুন কোনো বই পড়ুন।
এমন আরও অনেক অ-নে–ক উপায় আছে ধূমপান,পান-জর্দা ও গুল খাওয়া থেকে বাঁচার, একটিতে কাজ না হলে আরেকটি চেষ্টা করতে থাকুন। অথবা নিজেই নির্বাচন করুন নিজের মুক্তির পথ ও পন্থা । তবে যে পথে হাঁটা শুরু করেছেন, সেই পথ ভুলবেন না যেন। লক্ষ্যে আপনাকে পৌছতেই হবে ।
#জর্দা_ও_ধূমপান_ছাড়ার_কিছু_কার্যকর_খাবার
তামাক-জর্দা ও বিড়ি-সিগারেট ছেড়ে দিতে চাইলেও অনেকেই নানা কারণে ছাড়তে পারছেন না। ধূমপান বাদ দেওয়ার কয়েক দিন পরই আবার ফুঁকতে শুরু করে দেন।পান-জর্দা ছাড়ার এক সাপ্তাহের মধ্যেই পোক পোক করে পিক ফেলে চারদিকের পরিবেশ বিশ্রি করে ফেলেন ।জর্দার ও ধূমপানের নেশা ছাড়তে যেমন তীব্র মানসিক শক্তি দরকার, তেমনি কিছু খাদ্যাভ্যাস এসব #বাজে_অভ্যাস ছাড়তে সাহায্য করতে পারে। মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, উদ্বেগের মতো সমস্যাগুলো কাটাতে অনেকে পান-সিগারেটের মত ধর্ম ও জীবন ধ্বংসাত্মক নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েন।
তামাকে থাকা নিকোটিন যে আসক্তি তৈরি করে, তা থেকে সহজে মুক্তি মেলে না। কিন্তু কিছু প্রাকৃতিক উপায়ে কার্যকরভাবে এসব থেকে নিজেকে দূরে রাখা যায়।আসুন জেনে নেই কয়েকটি কার্যকর উপায়:
#পানিশরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর করে ফেলতে পানি সবচেয়ে কার্যকর। এটি ধূমপান থেকে মুক্তি দিতে সরাসরি সাহায্য করে। প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং শরীর থেকে নিকোটিনের প্রভাব কাটতে থাকে। যখনই জর্দা,গুল ও ধূমপানের ইচ্ছা হবে, তখনই ১/২ গ্লাস পানি পান করুন।
#মুলা_ও_বিটনিকোটিনযুক্ত জর্দা ও সিগারেট খাওয়ার ফলে শরীরে যে অম্ল ভাব সৃষ্টি হয়, মুলা খেলে এতে প্রভাব পড়ে। মুলার জুস করে তাতে মধু মিশিয়ে খেল ভালো ফল পাওয়া যায়।
#ওটসশরীর থেকে ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ দূর করে দিতে পার ওটস। এতে তামাক(জর্দা) সেবন ধূমপানের ইচ্ছা কমে। দুই কাপ পানি ফুটিয়ে তাতে দুই চা চামচ ওটস মিশিয়ে সারা রাত রাখুন। সকালে আবার ওই ওটসের মিশ্রণ গরম করে পান করুন। নিয়মিত এভাবে খেলে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর হবে এবং জর্দা ও বিড়ি-সিগারেটের ইচ্ছা কমবে।
#মধুমধু পুষ্টিগুণে ভরপুর। শরীর থেকে নিকোটিনের প্রভাব কাটাতে এবং তামাক দ্রব্য ও ধূমপানের আসক্তি দূর করতে মধু দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে। এতে দরকারি ভিটামিন, এনজাইম, প্রোটিন আছে, যা যাবতীয় তামাক জাতীয় দ্রব্য সেবনের অভ্যাস থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করে।
#জিনসেংএক চামচ জিনসেং পাউডার জুসে বা সুপে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খেলে সারা দিনের জন্য গুল-জর্দা ও বিড়ি-সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। ফলে নেশার ফাঁস ধীরে ধীরে আলগা হতে শুরু করে।
#আদাপান-জর্দা ও ধুমপান ছাড়তে আদা দারুন কাজে লাগে । এতে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান নানাভাবে নিকোটিন গ্রহণের ইচ্ছাকে দমিয়ে দেয়। আদা-চা বা কাঁচা আদা খেতে পারেন।
#মরিচের_গুঁড়ানিয়মিত মরিচের গুঁড়া যদি খাওয়া যায়, তাহলে ফুসফুসের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। একই সঙ্গে জর্দা ও ধূমপানের ইচ্ছাও কমতে থাকে। খাবারের মধ্যে বা এক গ্লাস পানিতে অল্প পরিমাণ মরিচের গুঁড়া ফেলে সেই পানি পান করলে দারুণ উপকার পাওয়া যেতে পারে।(গ্যাস হতে পারে)
#আঙুরের_রসনিকোটিন গ্রহণের নেশা ছাড়তে আঙুরের রস ও দারুণ কার্যকর। জর্দা খাওয়া ও ধূমপানের ফলে শরীরে যে ক্ষতিকর র়্যাডিকেলস তৈরি হয়, তার প্রভাব কাটাতে আঙুরের রস খেতে পারেন। ফুসফুসের ক্ষতি কমায় এ জুস।
রচনা ও সম্পাদনাঃ———-#মরুচারী_মুসাফির (ইবনে মোশারফ)।

