
🤔🤔”পাপকে ঘৃণা করো ,পাপীকে নয়”।
অনেক আলেম অজ্ঞতা হেতু এবং অনেক হক্কানী আলেম ভর করে ভ্রম হেতু বয়ানে, ওয়াজের ময়দানে এমন ইসলাম বিরোধী কথা প্রচার করেন সঠিক ইসলামী গবেষণা না থাকার কারনে।
শুধু পাপকে ঘৃণা করার কথা থাকলে শ য় তা ন আজ ও জান্নাতে থাকত।
💜💙আল্লাহ যখন কোন লোককে অপছন্দ করেন তখন জিব্রাইল আঃ কে ডাক দিয়ে বলেন, আমি অমুক বান্দাকে অপছন্দ করি তুমিও তাকে অপছন্দ কর, তখন জিব্রাইল আঃ তাকে অপছন্দ করেন। এবং সেই খবর সমস্ত আসমান জমিনের ফেরেশতাদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে এবং সমস্ত আসমান-জমিনের ফেরেশতারাও তাকে ঘৃণা করতে থাকে।
–সহীহ মুসলিম-২৬৩৯।
উক্ত হাদিসের(ﺑﻐﺾ) শব্দ এসেছে যার অর্থ সরাসরি ঘৃণা করা, বিদ্বেষ পোষণ করা, অপছন্দ করা।
অর্থাৎ জিব্রাইল আঃ ও ঘৃণা করেন, বিদ্বেষ পোষণ করেন বা অপছন্দ করেন তা প্রমাণিত।
মূলত কেউ যদি স্বেচ্ছায় এবং সজ্ঞানে কোরআনের এই আয়াতগুলোকে অস্বীকার করে অথবা অ্যাপ্লাই করার চিন্তাভাবনা থেকে বিরত থাকে অথবা পাপকে ঘৃণা করে পাপীকে ভালবাসতে থাকে তাহলে সরাসরি কোরআনের আয়াত অস্বীকারকারী এবং কুফুরি কাজ হিসেবে গণ্য হবে।
আমার দেশের বহু আলেম অজ্ঞতাবশত গানের এই কলিকে আওড়ে ঘন্টার পর ঘন্টা ওয়াজ করতে দেখা গেছে। আবার বহু হক্কানী আলেম ও গবেষণা না করার ধরণ এই কথাটাকেই চালিয়ে দিচ্ছে এবং অনেক ওয়াজ মাহফিলে বলেও বেড়াচ্ছেন। মূলত হক্কানী হোক আর ভন্ড আলেম হোক আমার দেশের মেক্সিমাম আলেমগণ গবেষণা করেন না । তাছাড়া বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশে ভন্ড আলেমের সংখ্যা ব্যাপক এবং অগণিত মূলত ৯০% আলেম ব্যবসায়ী মনোভাব নিয়ে ওয়াজ নসিহত করে বেড়ান।
চোর,যিনাকারী ব্যাভিচারিকে শাস্তি দেয়ার কথা বলা হয়েছে কোরআনে৷ চুরি,যিনা,অপরাধকে শুধু ঘৃনা করার মধ্যে সীমিত করে দেয়া হয়নি বরং পাপিকে দুনিয়াতেই মানুষের হাতে শাস্তি দেওয়ার কথা বলেছেন।
কোরআনের বিভিন্ন আয়াত মতে ক্ষমাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে ।ক্ষমা একটি মহৎ কাজ হিসাবে।
তবে সেই ক্ষমা তাদের জন্য প্রযোজ্য যারা তওবাকারী।সামাজিক অপরাধী পাপির ক্ষমা দুনিয়াতে নেই। সামাজিক অপরাধি এবং প্রকাশ্যে কবিরা গুনায় লিপ্ত কারীর সাজা দুনিয়াতে দেওয়ার জন্য আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু কেউ যদি শুধু পাপকে ঘৃণা করে আর পাপীকে ক্ষমা করে দেয় তাহলে ওই সমাজের সবাই পাপের সমান গুনাগার হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। তার সাজা জনসমক্ষে প্রচন্ড ঘৃণা ভরে দিতে হবে এবং তা যেন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে। এবং এই শাস্তি দেখে পরবর্তী কেউ যেন এই কাজ করতে আর সাহস না করে।
ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষ, তাদের প্রত্যেককে একশ’ করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাকো। মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। নূর-২। এখানে আল্লাহ সরাসরি ঘৃণাভরে শাস্তির নির্দেশ দিয়েছেন এবং কোন প্রকার দয়ামায়া না করার জন্য স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে।
সুতরাং পাপি ও পাপ উভয়কে ঘৃণা করতে হবে।কোনটাই ছাড় দেয়া হয়নি কোরআন এবং হাদিসে। কারণ এভাবে ছাড় দিতে দিতে সমাজের মধ্যে পাপকর্ম এমনভাবে ছড়িয়ে পড়বে এবং ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে যে ইহা রোধ করা আর অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায়।
আমাদের দেশে এই জাতীয় একটা সিনেমার গান ও প্রচলিত আছে–
মানুষ নিষ্পাপ পৃথিবীতে আসে. ……..
পাপকে ঘৃণা কর পাপীকে নয়………
এ সমস্ত কথা মূলত কোরআন হাদিসের বিষয়ে অজ্ঞ অথবা না স্তি ক মুরতাদদের কথা।








