আগের দিনে বিয়ে মানেই ছিল আনন্দ । আর বর্তমানে বিয়ে মানেই হলো আতঙ্ক । আগের দিনে বিয়ের দাওয়াত পেলে মানুষের মন ভরে যেতো , আর বর্তমানে ব্লাড প্রেসার বেড়ে যায় । কারণ আজকাল বিয়ে বাড়ী মানেই হলো হাইজ্যাকারের বাড়ী । বিয়ে বাড়ীতে প্যান্ডেলের গেটেই এখন টেবিল চেয়ার নিয়ে নিঃর্লজ্জের মত উপহারের জন্য বসে থাকে আর এতিমের মত তাকিয়ে থাকে দাওয়াতী মেহমানের হাতের দিকে । । মনে হয় রেস্টুরেন্টের ক্যাশ কাউন্টার । রেস্টুরেন্টের বাকী খাওয়া গেলেও এই বিয়ে বাড়ীর অভিনব রেস্টুরেন্টে বাকী খাওয়ার সুযোগ নেই । রক্ত বিক্রি করে হলেও/ ছেলের স্কুলের বেতন না দিয়ে হলেও/ ঔষধ না কিনে হলেও আপনাকে এখানে নগদ Pay করতে হবে । মানুষের দৃষ্টভঙ্গী এত নিচে নেমেছে যে আজকাল বহু মানুষ বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করে উপহার তথা টাকা পাওয়ার আশায় ।অনেকেতো আগেই হিসাব করে- কত টাকা খরচ হবে আর কত টাকার উপহার আসবে । ইদানিং না্কি কুলখানিতে টাকা নেয়া হয় । যাইহোক, বিয়েতে আমরা খামে ভরে টাকা দিয়ে আসি অনিচ্ছা সত্বেও । অথচ বিয়েটা হয় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী এবং প্রয়োজনীয় টাকা হাতে নিয়েই শরু করে । বিয়েতে টাকা না দিলেও নিকৃষ্ট সমালোচনা ছাড়া কিছু করতে পারবেনা । পক্ষান্তরে, রোগ-ব্যধী বিনা নোটিশেই চলে আসে এবং আমরা হাসপাতালে বা বাড়ীতে রোগী দেখতে যাই । আমি মধ্যপ্রাচ্যে দেখেছি আরবরা বিয়েতে কিছু না দিলেও রোগীকে তারা কিছু না কিছু দেবেই । এটা সুন্নত এবং রোগী তাতে শান্তি পায় ফলে তার রোগ দ্রুত ভাল হতে সাহায্য করে । আমরা কি রোগীকে খামে ভরে টাকা দিয়ে আসতে পারিনা ? চলুন আমরা ভাল কিছুর প্রচলন করি । আসুন আমরা নতুন করে এই পদ্ধতি শুরু করি । আসুন আমরাই প্রথম শুরু করি । দায় সারার জন্য কলা- রুটি আর ফরমালিনযুক্ত আপেল- কমলা না নিয়ে আমরা খামে ভরে রোগীক ৫০০/১০০০ টাকা দিতে পারি । তাতে সওয়াব যেমন হবে তেমনি মিটে যাবে রোগীর আর্থিক সমস্যা ।
শাহবাগ বললে যে নামটি অবধারিতভাবে সামনে চলে আসে, সেটিহল মাওলানা ফরীদ উদ্দিন মাসঊদ। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ফোন করলাম তাঁকে। সবেমাত্র ইন্ডিয়া থেকে বাইপাস সার্জারি করিয়ে এসেছেন। বেশি কথা বলা ডাক্তারের নিষেধ। তবুও কথা বললেন। শুরু করলাম এভাবে—
-আপনি শাহবাগ আন্দোলনের সাথে একাত্মতা জানিয়েছিলেন। তার মানে তারা সঠিক ছিল? যা করছিল ঠিকই করছিল?
মাওলানা মাসঊদ : আমি যখন শাহবাগ আন্দোলনের সাথে একাত্মতা জানিয়েছিলাম, তখন তাদেরকে সঠিকই মনে করেছিলাম এবং এখনো তা-ই মনে করি।
রশীদ জামীল : যখন এবং ছিল, তার মানে পরে তারা আর সঠিক ছিল না বা আপনার কাছে সঠিক মনে হয়নি। যদি তা-ই হয়, তাহলে প্রতিবাদ করলেন না তো?
মাওলানা মাসঊদ : প্রতিবাদ করলাম না…কথাটা সঠিক নয়। যখন শাহবাগের সাথে অ্যান্টি ইসলাম কিছু নাস্তিকের সম্পৃক্ততার কথা প্রকাশিত হয়েছে, তখন আমি প্রতিবাদ করেছি। এখনো আমার প্রতিবাদের অনেক ভিডিও ক্লিপ ইউটিউবে সার্চ করলে পাবেন।
রশীদ জামীল : কিন্তু তখন শাহবাগের পক্ষে আপনার নেওয়া অবস্থানের ব্যাপারটি যেভাবে ফলাও করে প্রকাশ করেছিলেন, প্রতিবাদের ব্যাপারটি তো সেভাবে প্রচার করলেন না।
মাওলানা মাসঊদ : দেখুন মাওলানা, কোনোটাই আমি ফলাও করে প্রচার করিনি। আমি যখন শাহবাগে গিয়েছিলাম, তখন সেই ব্যাপারটিকে জামায়াত-শিবিরের লোকজন ব্যাপকভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আমার কওমি আলেম-ওলামার সরল আবেগটাকে আমার বিরুদ্ধে টেনে নিতে চেষ্টা করেছে এবং অনেকাংশে সফলও হয়েছে। কিন্তু নাস্তিকতার বিরুদ্ধে আমার বক্তব্য বা অবস্থানের ব্যাপার কেউ সেভাবে সামনে নিয়ে আসেনি।
রশীদ জামীল : আপনি শাহবাগ গেলেন, শাপলায় গেলেন না কেন? যে চেতনা থেকে শাহবাগ গিয়েছিলেন বলে আপনার দাবি, সেই একই চেতনা থেকেই তো উচিত ছিল শাপলায় যাওয়া এবং আলেম-ওলামার সাথে একাত্মতা জানানো।
মাওলানা মাসঊদ : আমি শাপলায় কীভাবে যাব। সেই রাস্তা তো আমার জন্য বন্ধ করে রাখা হয়েছিল।
রশীদ জামীল : কারা বন্ধ করে রাখল? কীভাবে করল?
মাওলানা মাসঊদ : আমি কারও নাম নিতে চাই না। হেফাজতের ইসলামের ভেতরের কিছু মানুষ চাননি আমি আল্লামা শাহ আহমদ শফী দামাত বারাকাতুহুমুল আলিয়ার কাছে যাই। সবসময় তাঁরা একটি প্রতিবন্ধকতার দেয়াল খাড়া করে রেখেছেন।
রশীদ জামীল : আপনি তখন আল্লামা আহমদ শফীকে চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠিতে আপনি তাঁকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিতে। কেন করেছিলেন? আর কিছু বলার থাকলে সরাসরি চট্টগ্রাম চলে যেতে পারতেন। হুজুরের সাথে ফেইস টু ফেইস হয়ে কথা বলতে পারতেন—যেটুকু আপনার বলার ছিল।
মাওলানা মাসঊদ : আমি আন্দোলন প্রত্যাহারের জন্য অনুরোধ জানাইনি। আমি অনুরোধ জানিয়েছিলাম দাবিগুলোর সাথে আরেকটি দাবি যুক্ত করে নিতে। সেটি হলো জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করা। আর আমি হুজুরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। আমাকে হুজুরের সাথে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। বার বার ফোন করার পরও আমাকে জানানো হয়েছে ‘হুজুর অসুস্থ। কথা বলতে পারবেন না’।
রশীদ জামীল : আমি জানি না কথাটি সত্যি কি না। এক সাক্ষাৎকারে আপনি বলেছিলেন, ‘শাহবাগে গিয়ে আমি আমার জীবনের সবচে বড় নেক কাজ করেছি’। কথাটি যদি একটু ব্যাখ্যা করতেন?
মাওলানা মাসঊদ : কথাটি আমি ঠিক কীভাবে বলেছিলাম আমার মনে নেই। তবে এটুকু মনে আছে যে, এমন একটি কথা আমি বলেছিলাম। কথাটির ব্যাখ্যা হলো, আমি আজীবন মওদুদিবাদের বিরোধিতা করে আসছি। এই মিশন নিয়ে আমি কাজ করছি সারাজীবন। এই কাজটি আমি পেয়েছি আমার আকাবির-আসলাফ তথা ওলামায়ে দেওবন্দের কাছ থেকে। আপনি জানেন, মওদুদিয়্যতের সাথে আমাদের মূল বিরোধটা হলো আকাইদ সংক্রান্ত। ইসমতে আম্বিয়া এবং আদালতে সাহাবা সংক্রান্ত। মওদুদিরা আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামকে ‘মাসুম আনিল খাতা’ মানে না। সাহাবায়ে কেরামকে সমালোচনার ঊর্ধ্বে স্বীকার করে না। আর ইসমতে আম্বিয়া এবং আদালতে সাহাবা অস্বীকারকারীদের বিরোধিতা করাকে আমি একটি নেক কাজ এবং শ্রেষ্ঠ ইবাদত মনে করি। শাহবাগের জমায়েতকে আমার কাছে একটি সুবর্ণ সুযোগ মনে হয়েছিল। আমার কাছে মনে হয়েছিল সাহাবার দুশমনদের বিরুদ্ধে এটি একটি শক্ত অবস্থান। এই সুযোগকে কাজে লাগানো যেতে পারে। এই নেক নিয়তেই আমি সেখানে গিয়েছিলাম।
রশীদ জামীল : কিন্তু এই নেক কাজটি করতে আপনি এমন জায়গায় চলে গেলেন, যেখানে নাচ-গান-বাজনা এবং ছেলেমেয়েদের বেপর্দা সহাবস্থান ছিল। কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
মাওলানা মাসঊদ : ……………………
রশীদ জামীল : একটি টেলিভিশন টকশোতে আপনি বলেছিলেন, ‘আমি ইস্তেখারা করে শাহবাগে গিয়েছিলাম’। ইস্তেখারাটির কি একটু ব্যাখ্যা করবেন?
মাওলানা মাসঊদ : ……………………… . বিস্তারিত, বহুবচন, পৃষ্ঠা-৩১৫ বিশ্বাসের বহুবচন প্রকাশ করছে কালান্তর পাওয়া যাবে ১৩ মে ২০১৮ থেকে, সারাদেশে। (বহুবচনে সকল লভ্যাংশ শাপলায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায়দের জন্য উৎসর্গিত)
সমকামিতা বলতে বোঝায়, সমলিঙ্গের ব্যক্তির প্রতি স্নেহ বা প্রণয়ঘটিত এক ধরণের যৌন প্রবণতা। এ প্রবণতা কি ব্যধি না সুস্থ মানসিকাতর যৌন আকাক্সক্ষা? বিষয়টি বিতর্কের। তবে সমকামিতা যে কোনো ধর্মেই নিষিদ্ধ। ধর্মে কোনো কিছু নিষিদ্ধের একটি কারণ হচ্ছে তা সমাজের জন্য ক্ষতিকর। ধর্ম কোনো ক্ষতিকর বিষয়কে সমাজের জন্য অনুমতি দেয় না। পশ্চিমা বিশ্বে সমকামিতার বৈধতা নিয়ে আন্দোলন চললেও এবার তা শুরু হয়েছে বাংলাদেশেও। সমকামীদের একটি গ্রুপ এই প্রথম সমকামী নারী কমিক চরিত্র তৈরি করেছে। গ্রুপটি বলছে, সমকামিতার ব্যাপারে লোকজনকে সচেতন করতেই তাদের এই উদ্যোগ। তাদের শ্লোগান কমিক স্ট্রিপের এই কার্টুন চরিত্রটির মধ্য দিয়ে সারা দেশে ভালোবাসার স্বাধীনতার বার্তা পৌঁছে যাবে। তারা বলছেন, কে কাকে ভালোবাসবে এই সিদ্ধান্ত ও স্বাধীনতা তার নিজের। বাংলাদেশে সমকামিতা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। এ জন্যে সমকামী নারী ও পুরষকে গোপনে তাদের জীবন যাপন করতে হয়! সমকামিতার বৈধতার চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠেও নেমেছে সমকামীরা। ২০১৪ সালের বাংলা নববর্ষে প্রথম সমকামীরা র্যালি বের করে। সম্প্রতি সমকামীদের সম্মেলনও হয়ে গেল। দিন যেতে যেতে সমকামিদের আন্দোলন আরও তীব্র হবে। বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হচ্ছে সুশীল সমাজকে। ইসলামে সমকামিতাকে ব্যভিচারের চেয়েও ভয়ঙ্কর ঘোষণা করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা হযরত লুত আ. এর কালের লোকদের শুধুমাত্র এই কারণেই সমূলে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন যে, তারা সমকামী ছিল। কোরআনে সমকামীদের শাস্তির ঘটনাটি বর্ণিত হয়েছে এভাবে “আর তাঁর কওমের লোকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার (গৃহ) পানে ছুটে আসতে লাগল। পূর্ব থেকেই তারা কু-কর্মে তৎপর ছিল। লুত আ. বললেন-হে আমার কওম! আমার কন্যারা রয়েছে, এরা তোমাদের জন্য অধিক পবিত্রতমা। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং অতিথিদের ব্যাপারে আমাকে লজ্জিত করো না, তোমাদের মধ্যে কি কোন ভাল মানুষ নেই। তারা বলল, তুমি তো জানই, তোমার কন্যাদের নিয়ে আমাদের কোন আগ্রহ নেই। আর আমরা কি চাই, তাও তুমি অবশ্যই জান। লূত আ. বললেন-হায়, তোমাদের বিরুদ্ধে যদি আমার শক্তি থাকত অথবা আমি কোন সুদৃঢ় আশ্রয় গ্রহণ করতে সক্ষম হতাম। মেহমান ফেরেশতারা বললেন, হে লূত! আমরা তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ হতে প্রেরিত ফেরেশতা। এরা কখনো তোমার দিকে পৌঁছাতে পারবে না। ব্যস তুমি কিছুটা রাত থাকতে থাকতে নিজের লোকজন নিয়ে বাইরে চলে যাও। আর তোমাদের কেউ যেন পিছনে ফিরে না তাকায়। কিন্তু তোমার স্ত্রী নিশ্চয় তার উপরও তা আপতিত হবে, যা ওদের উপর আপতিত হবে। ভোর বেলাই তাদের প্রতিশ্রুতির সময়, ভোর কি খুব নিকটে নয়? অবশেষে যখন আমার হুকুম এসে পৌঁছাল, তখন আমি উক্ত জনপদকে উপরকে নিচে করে দিলাম এবং তার উপর স্তরে স্তরে কাঁকর পাথর বর্ষণ করলাম। {সূরা হুদ-৭৮-৮২} সমকামিতার কারণে হযরত লুতের উম্মতদের ধ্বংস করার বর্ণনা আল্লাহ তায়ালা এভাবেই কোরআনে এনেছেন। ব্যভিচারের কারণে আল্লাহ তায়ালা কোনো জনপদকে ধ্বংস করে দিয়েছেন এমন ঘটনা কোরআনের কোথাও উল্লেখ নেই। এতে স্পষ্ট হয় ব্যভিচারের চেয়েও সমকামিতা আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় অপরাধ। হাদিসে সমকামিতাকে জ্বেনার সমতুল্য বলে আখ্যায়িত করে কঠিন শাস্তির কথা বর্ণিত হয়েছ। হযরত আবু মুসা আশআরী রা. থেকে বর্ণিত। রাসুল সা. বলেছেন, যে পুরুষ পুরুষের সাথে নোংরা কাজে লিপ্ত হয়, উভয়ে ব্যভিচারকারী হিসেবে সাব্যস্ত হবে। তেমনি যে নারী আরেক নারীর সঙ্গে কুকর্মে লিপ্ত হয় উভয়ে ব্যভিচারকারী হিসেবে সাব্যস্ত হবে। (শুয়াবুল ঈমান) হযরত ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত। রাসুল সা. ইরশাদ করেছেন, লুত আ. এর কওমের মত কুকর্মে লিপ্ত উভয়কে হত্যা করে ফেল। (মুসনাদে আহমাদ, সুনানে ইবনে মাজাহ,সুনানে আবু দাউদ) “ইবনে আব্বাস বলেন, রাসুল (স) বলেছেন, তোমরা যদি কাউকে পাও যে লুতের সম্প্রদায় যা করত তা করছে, তবে হত্যা কর যে করছে তাঁকে আর যাকে করা হচ্ছে তাকেও।” (আবু দাউদ ৩৮:৪৪৪৭) “জাবির (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা) বলেছেন, আমি আমার উম্মতের জন্য সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটা আশঙ্কা করি সেটা হল লুতের উম্মত যা করত সেটা যদি কেউ করেৃ ” (তিরমিজি) কোরআন হাদিসে এভাবেই সমকামকে কঠিন অপরাধ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু অপরাধ নয়, সমকামিতার কারণে ভয়াবহ শাস্তিও নেমে আসার হুমকি দেওয়া হয়। শাস্তি যখন আসবে শুধুমাত্র সমকামীদের ওপর নয়, ভাল মন্দ সবার ওপরেই আসবে।
আমার wife কেমন হবে, আমার gf কেমন হবে,আমার কয়টি বাচ্চা হবে, ২০ বছর পর আমি দেখতে কেমন হব, বলে যারা বিভিন্ন পোষ্ট করছেন তারা নিজের অজান্তেই নিজের ঈমান হারিয়ে ফেলেছেন!
ভাই আপনারা কি আমার এই কথায় আশ্চর্য হচ্ছেন? এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই যেটা সত্য সেটাই বললাম..
আপনি ফেইসবুকের যেসব এ্যাপ ইউজ করে নিজের ভবিষ্যৎ জেনে নিচ্ছেন তা আপনার নিজের অজান্তেই আপনাকে মুশরিক বানিয়ে ফেলেছে! বানিয়ে ফেলছে আপনাকে কাফির ! বের করে দিচ্ছে আপনাকে মুসলিম মিল্লাত থেকে! তওবা করে ফিরে আসুন..
ভাই আপনারা হয়তো ফান করার জন্যই পোষ্ট গুলি করছেন কিন্তুু এটা এমন এক বিষয় নিয়ে ফান করা হচ্ছে যা আপনার ঈমান ধ্বংস করে দিচ্ছে!
আপনি যে এপের আশ্রয় নিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ জানলেন তাকে ইসলামী পরিভাষায় গায়িব বলা হয় বা ভবিষ্যৎ বক্তা বা গনকের কথা বিশ্বাস করাকে বুঝায়!
মনে রাখতে হবে পৃথিবীর কোন এ্যাপ গনক শুধু নয় পৃথিবীতে যত নবী রাসুল এসেছিলেন তারা কেউই গায়িব বা ভবিষ্যৎ জানতেন না! অথচ আপনি বিশ্বাস করছেন একটি এ্যাপ আপনার ভবিষ্যৎ জানে! আস্তাগফিরুল্লাহ! আল্লাহ বলেনঃ ﻗُﻞ ﻟَّﺎ ﻳَﻌْﻠَﻢُ ﻣَﻦ ﻓِﻰ ﭐﻟﺴَّﻤَٰﻮَٰﺕِ ﻭَﭐﻟْﺄَﺭْﺽِ ﭐﻟْﻐَﻴْﺐَ ﺇِﻟَّﺎ ﭐﻟﻠَّﻪُ ﻭَﻣَﺎ ﻳَﺸْﻌُﺮُﻭﻥَ ﺃَﻳَّﺎﻥَ ﻳُﺒْﻌَﺜُﻮﻥَ বলুন, আল্লাহ ব্যতীত নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে কেউ গায়বের খবর জানে না এবং তারা জানে না যে, তারা কখন পুনরুজ্জীবিত হবে। সূরা আন নম্ল ( ﺍﻟﻨّﻤﻞ ), আয়াত: ৬৫
উপরের আয়াতটি ভালভাবে দেখুন যেখানে পৃথিবীর কেউই গায়িব জানেনা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া সেখানে আপনি একটি এ্যাপকে গায়িব জানে বলে বিশ্বাস করছেন! যেটা সরাসরি আল্লাহর সাথে শরিক করা..
রাসুল ﷺ বলেনঃ যে ব্যাক্তি কোন ভবিষ্যৎ বক্তা তথা গনক এ্যাপ পীর জ্বীনের কথা বিশ্বাস করে সে আমার উপর নাযিলকৃত কোরআন হাদিস অস্বীকার করল! বলুনতো, যে ব্যাক্তি কোরআন হাদিস অস্বীকার করে সে কি মুসলিম হতে পারে?? অবশ্যই না! ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻭَﺍﻟْﺤَﺴَﻦِ ﻋَﻦ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﷺ ﻗَﺎﻝَ ﻣَﻦْ ﺃَﺗَﻰ ﻛَﺎﻫِﻨًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﺮَّﺍﻓًﺎ ﻓَﺼَﺪَّﻗَﻪُ ﺑِﻤَﺎ ﻳَﻘُﻮﻝُ ﻓَﻘَﺪْ ﻛَﻔَﺮَ ﺑِﻤَﺎ ﺃُﻧْﺰِﻝَ ﻋَﻠَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ ﷺ আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি কোন ভবিষ্যৎ বক্তার নিকট উপস্থিত হয়ে সে যা বলে তা সত্য মনে (বিশ্বাস) করল, সে ব্যক্তি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর অবতীর্ণ (কুরআনের হাদিস ) অস্বীকার করল।’’ গ্রন্থঃ হাদীস সম্ভার অধ্যায়ঃ ২২/ নিষিদ্ধ কার্যাবলী হাদিস নম্বরঃ ২০৫৩ আহমাদ ৯৫৩৬, হাকেম ১৫, সহীহুল জামে’ ৫৯৩৯, ইবনু মাজাহ ৬৩৯, তিরমিজি ১৩৫ ইফাঃ হাদিসের মানঃ সহিহ অভিশপ্ত শয়তান আপনাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে তা কি একটুও ভাববেন না?? রাসুল ﷺ আরো বলেন,যে ব্যাক্তি কোন ভবিষ্যৎ বক্তার কথা বিশ্বাস করে তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল হবেনা! ﻭَﻋَﻦْ ﺻَﻔِﻴَّﺔَ ﺑِﻨﺖِ ﺃَﺑِﻲ ﻋُﺒَﻴﺪٍ ﻋَﻦ ﺑَﻌﺾِ ﺃَﺯﻭَﺍﺝِ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﷺ ﻭَﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻨﻬَﺎ ﻋَﻦِ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﷺ ﻗَﺎﻝَ ﻣَﻦْ ﺃَﺗَﻰ ﻋَﺮَّﺍﻓﺎً ﻓَﺴَﺄَﻟَﻪُ ﻋَﻦْ ﺷَﻲْﺀٍ ﻟَﻢْ ﺗُﻘْﺒَﻞْ ﻟَﻪُ ﺻَﻼَﺓٌ ﺃَﺭْﺑَﻌِﻴﻦَ ﻟَﻴﻠَﺔ ﺭﻭﺍﻩ ﻣﺴﻠﻢ স্বাফিয়্যাহ বিনতে আবূ উবাইদ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন স্ত্রী (হাফসাহ রাযিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণনা করেছেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি গণকের নিকট এসে কোন (গায়বী) বিষয়ে প্রশ্ন করে, তার চল্লিশ দিনের নামায কবুল করা হয় না।’ গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (ইফাঃ) অধ্যায়ঃ ৪০/ সালাম ( ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻟﺴﻼﻡ ) হাদিস নম্বরঃ ৫৬২৭ হে আমার মুসলিম ভাইয়েরা শয়তানের ফাঁদে পড়ে কেন এভাবে নিজের ঈমান বিসর্জন দিচ্ছেন? ? একটু ফান করতে গিয়ে শয়তান আপনাকে কাফির মুশরিকে পরিনত করছে অথচ আপনি টেরও পাচ্ছেন না! কবে ফিরবে আপনাদের হুশ??
সৌদি আরবকে নিয়ে ফের উপহাস করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, সৌদি আরবের অর্থ ছাড়া আর কিছুই নেই।
ফক্স
নিউজ’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌদি আরবের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে
নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন ট্রাম্প। এবং এটাকে তিনি নিজের জন্য গর্ব
হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
গত বছরও
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, তাদের সেনা-সমর্থন ছাড়া সৌদি রাজা
সালমান দুই সপ্তাহও ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না। মার্কিন সরকারই সৌদি আরবকে
রক্ষা করছে বলে তিনি জানিয়েছিলেন।
এছাড়াও ফক্স
নিউজের উপস্থাপক ওই সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে ইরানের আকাশসীমায় অত্যাধুনিক
মার্কিন ড্রোন ধ্বংস, ইরানিদের মাধ্যমে তেল ট্যাংকার আটক এবং হরমুজ
প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন করেন।
এ সংক্রান্ত
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারা যেসব তেল ট্যাংকার আটক করেছে সেগুলো
আমাদের নয় এবং হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা ইস্যুতে বলব ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকে
হরমুজ প্রণালী আমাদের জন্য খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।
ট্রাম্প
দাবি করেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তাদের জাহাজ খুব একটা চলাচল করে না। পারস্য
উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্লোগান তুলে আমেরিকা
ইরানবিরোধী জোট গঠনে ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প এসব কথা বললেন।
দক্ষিণ ভারতে নিয়ম ছিল যে হিন্দু ব্রাহ্মণ নারী ব্যতীত অন্য কোনো হিন্দু নারী তার স্তনকে ঢেকে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র ব্রাহ্মণ শ্রেণীর হিন্দু নারীরা তাদের স্তনকে এক টুকরো সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে পারতো, বাকি হিন্দু শ্রেণীর নারীদেরকে প্রকাশ্যে স্তন উন্মুক্ত করে রাখতে হতো। আবৃত করতে হলে দিতে হবে স্তনশুল্ক অর্থাৎ শুল্কের বিনিময়ে কিনে নিতে হবে আত্মমর্যাদা ! শুল্কের পরিমাণ নির্ভর করবে স্তনের আকারের উপর! যার স্তন যতবড় তার শুল্ক তত বেশী !
এই স্তনশুল্কের মোটা অংশ চলে যেত পদ্মনাভ মন্দিরে ! গিনেস বুকের তথ্য অনুযায়ী, এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মন্দির!
১৮০৩ সালে নাঙ্গেলী (Nangeli) নামক এক নিম্ন বর্ণের হিন্দু নারী তার স্তনকে আবৃত করে রাখে এবং “স্তন কর” দিতে অস্বীকৃতি জানায়। কিন্তু শুল্ক সংগ্রাহকের নজরে পড়ায় তারা শুল্ক দাবী করে ! অস্বীকৃত হয় নাঙ্গেলি ! শুল্ক সে দেবে না ! শুল্ক সংগ্রাহকরা অতিষ্ট করে তোলে নাঙ্গেলীকে! দিন দিন করের বোঝাও বাড়তে থাকে! অবশেষে কর দিতে রাজী হয় নাঙ্গেলি ! শুল্ক সংগ্রাহকরা তার থেকে স্তন কর চাইতে এলে , নাঙ্গেলী তাদের কিছুক্ষণ বসতে বলে। তারপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে ফেলে তার স্তন দুটি ! শুল্ক সংগ্রাহকের হাতে শুল্কস্বরূপ তুলে দেয় কলাপাতার আবরণে রক্ত মাখা স্তন! অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে নাঙ্গেলির মৃত্যু হয় !
দক্ষিণ ভারতে নারীদের স্তন আবৃত করার জন্য বহু সংগ্রাম করতে হয়েছে। হিন্দু পুরোহিতরা স্পষ্ট করে বলে দেয়- নিচু বর্ণের নারীদের শরীরের উপরের অংশ আবৃত করা ধর্ম-বিরোধী। বিষয়টি নিয়ে ১৮৫৯ সালে দক্ষিণ ভারতে একটি দাঙ্গা সংগঠিত হয়। এই দাঙ্গার উদ্দেশ্য ছিলো হিন্দু নারীদের শরীরের উপরের অংশ আবৃত করার অধিকার আদায় করা। এই দাঙ্গা “কাপড়ের দাঙ্গা” হিসেবে পরিচিত।
বাংলাদেশের আইন সভার সদস্য অর্থাৎ এমপি বুবলি ভাড়াটে লোক দিয়ে পরীক্ষার সংবাদ আন্তজার্তিক গনমাধ্যম দ্যা গার্ডিয়ান,বিবিসি, আরব বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী আরবি পত্রিকায় আল খালিজ সহ বিশ্বের প্রায় ডজন খানেক পত্রিকায় ছাপা হয়েছে । ফলে দেশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে । আজ ইজিপশিয়ান এক ডাক্তার আমাকে পত্রিকার খবরটি দেখিয়ে জিজ্ঞেস করলো যে তোমার দেশে ডিগ্রী পাশ না করেই এই মেয়ে আইন সভার সদস্য হলো কি করে? আমি যখন বল্লাম যে আমাদের সংসদে থ্রি -ফোর পাশ করা এমপি ও আছে । তখন সে বল্ল তোমাদের দেশে কি শিক্ষিত লোক নেই । আমি শুধু বলেছি আছে
আপনি রাগ হয়ে বললেন, ” মর তুই “, ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন,”তোর ভবিষ্যৎ অন্ধকার “,ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন,”তোর মুখ দেখতে চাই না”,ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন, ” জীবনে স্বামীর ভাত খাইতে পারবি না”,ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন,”মরার সময় তো পানি পাবি না “,ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন,” তুই তো ফেল নিশ্চিত “,ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন,”আমার লাশ দেখবি “,ফেরেশতা বলল “আমিন”….আপনিই তো সেই মানুষ,যে সন্তানকে যে ভাবে ভালোবাসেন এর চেয়ে বেশি ভালো জীবনে বাসেন নি কাওকে,নিজেকেও না।আপনিই তো সেই মানুষ,যার চেয়ে আন্তরিক দু’য়া এই পৃথিবীততে কেউ করবে না তার জন্যে,সে নিজেও না।এমনিতেই মানুষের সব কথার শেষে ফেরেস্তা রা আমিন আমিন বলেন। আর সন্তানের জন্য বাবা মা’র মুখ থেকে বের হওয়া প্রতিটি শব্দ মারাত্মক শক্তিশালী মিসাইল একেক টা।আসুন এর মর্যাদা বুঝি,এর অপব্যবহার না করি। খুব কস্ট পাই অনেক বাবা মা’র ভাষা শুনে, অবাক হই,এদের কেও আল্লাহ্ সন্তান দেন। হ্যা,সন্তান অন্যায় করেছে,কিন্তু মা-বাবা হিসেবে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার না করে আসুন বলি, “আল্লাহ তোমাকে হিদায়াত দিন,আমার জন্য চক্ষু শীতলকারি বানান।”অথবা বলতে পারেনআল্লাহ তোমাকে ওমর(রা) মত বানান।আল্লাহ তোমাকে আয়েশা(রা) মত বানান।আল্লাহ তোমাকে কাবা ঘরের ইমাম বানান।আল্লাহুম্মা আমীন!💗 রাগের সময়ও আমাদের কথা বলা অভিশাপ দেওয়া এগুলো আল্লাহ কবুল করেন। তাই যখনি বুঝবেন কোন কিছুতে রাগ উঠে যাচ্ছে মেজাজ এর টেম্পারেচার বাড়ছে, শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বাচার জন্য তখনিﺃﻋﻮﺫ ﺑﺎﺍﻟﻠﻪ ﻣﻦ ﺍﻟﺸﻴﻄﺎﻥ ﺍﻟﺮﺟﻴﻢ …..’আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’মনে মনে পড়তে থাকবেন দেখবেন নিজের প্রতি নিজের কন্ট্রোল চলে এসেছে ইনশা-আল্লাহ।📚📖📌 বাবা-মা যারা আছেন তারা এই বই গুলা পড়বেন অনেক কিছু শিখতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। ১.প্যারেন্টিং -(আধুনিক যুগে আমার সন্তানকে কিভাবে মানুষ করবো)২.সন্তানের চরিত্র গঠনের পরিবার ও পরিবেশ৩.প্যারেন্টিং – (এন ইসলামিক আইডিলজ ফর চিল্ডেন)৪.সন্তান লালন-পালনে আর্দশ মায়ের ভূমিকা৫.সন্তান স্বপ্নের পরিচর্যা৬.আপনার সন্তান আপনার ভবিষ্যৎ৭.যখন তুমি মা (শুধু মা-বাবার ক্ষেত্রে না,আমরা যা-ই, যাকে ই বলি না কেন,আমাদের কথার শেষে ফেরেস্তারা আমিন বলেন,তাই কথা বলার সময় ভেবে বলা উচিত।)কপিকরা
আপনি রাগ হয়ে বললেন, ” মর তুই “, ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন,”তোর ভবিষ্যৎ অন্ধকার “,ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন,”তোর মুখ দেখতে চাই না”,ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন, ” জীবনে স্বামীর ভাত খাইতে পারবি না”,ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন,”মরার সময় তো পানি পাবি না “,ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন,” তুই তো ফেল নিশ্চিত “,ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন,”আমার লাশ দেখবি “,ফেরেশতা বলল “আমিন”….আপনিই তো সেই মানুষ,যে সন্তানকে যে ভাবে ভালোবাসেন এর চেয়ে বেশি ভালো জীবনে বাসেন নি কাওকে,নিজেকেও না।আপনিই তো সেই মানুষ,যার চেয়ে আন্তরিক দু’য়া এই পৃথিবীততে কেউ করবে না তার জন্যে,সে নিজেও না।এমনিতেই মানুষের সব কথার শেষে ফেরেস্তা রা আমিন আমিন বলেন। আর সন্তানের জন্য বাবা মা’র মুখ থেকে বের হওয়া প্রতিটি শব্দ মারাত্মক শক্তিশালী মিসাইল একেক টা।আসুন এর মর্যাদা বুঝি,এর অপব্যবহার না করি। খুব কস্ট পাই অনেক বাবা মা’র ভাষা শুনে, অবাক হই,এদের কেও আল্লাহ্ সন্তান দেন। হ্যা,সন্তান অন্যায় করেছে,কিন্তু মা-বাবা হিসেবে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার না করে আসুন বলি, “আল্লাহ তোমাকে হিদায়াত দিন,আমার জন্য চক্ষু শীতলকারি বানান।”অথবা বলতে পারেনআল্লাহ তোমাকে ওমর(রা) মত বানান।আল্লাহ তোমাকে আয়েশা(রা) মত বানান।আল্লাহ তোমাকে কাবা ঘরের ইমাম বানান।আল্লাহুম্মা আমীন!💗 রাগের সময়ও আমাদের কথা বলা অভিশাপ দেওয়া এগুলো আল্লাহ কবুল করেন। তাই যখনি বুঝবেন কোন কিছুতে রাগ উঠে যাচ্ছে মেজাজ এর টেম্পারেচার বাড়ছে, শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বাচার জন্য তখনিﺃﻋﻮﺫ ﺑﺎﺍﻟﻠﻪ ﻣﻦ ﺍﻟﺸﻴﻄﺎﻥ ﺍﻟﺮﺟﻴﻢ …..’আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’মনে মনে পড়তে থাকবেন দেখবেন নিজের প্রতি নিজের কন্ট্রোল চলে এসেছে ইনশা-আল্লাহ।📚📖📌 বাবা-মা যারা আছেন তারা এই বই গুলা পড়বেন অনেক কিছু শিখতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। ১.প্যারেন্টিং -(আধুনিক যুগে আমার সন্তানকে কিভাবে মানুষ করবো)২.সন্তানের চরিত্র গঠনের পরিবার ও পরিবেশ৩.প্যারেন্টিং – (এন ইসলামিক আইডিলজ ফর চিল্ডেন)৪.সন্তান লালন-পালনে আর্দশ মায়ের ভূমিকা৫.সন্তান স্বপ্নের পরিচর্যা৬.আপনার সন্তান আপনার ভবিষ্যৎ৭.যখন তুমি মা (শুধু মা-বাবার ক্ষেত্রে না,আমরা যা-ই, যাকে ই বলি না কেন,আমাদের কথার শেষে ফেরেস্তারা আমিন বলেন,তাই কথা বলার সময় ভেবে বলা উচিত।)
ভারতে থাকলে আমার জীবনে নোবেল পাওয়া হবে না : তসলিমা কিছুদিন আগেই এবছরের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছেন বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিত ব্যানার্জি। নোবেল বিজয়ী চতুর্থ বাঙালি তিনি। অভিজিত নোবেল বিজয়ের পর তসলিমা নাসরিনের একটি সোশ্যাল সাইটের স্ট্যাটাস নিয়ে সমালোচনা হয়েছিল। পরে তিনি নিজেই আরেকটি স্ট্যাটাসে স্বীকার করেছেন যে, আগের স্ট্যাটাসটা সকলের বোধগম্য নয়। উল্লেখ্য, অনেকেই মনে করেন তসলিমা একদিন নোবেল পাবেন। কিন্তু প্রখ্যাত এই লেখিকা নিজে কী ভাবছেন? ভারতে নির্বাসিতা এই লেখিকা আজ রবিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে লিখেছেন, ‘কাল দিল্লিতে এক প্রচণ্ড ধনী লোকের বাগানবাড়িতে গান শোনার এবং রাতের খাবার খাওয়ার নেমন্তন্ন ছিল। ধনী লোকদের সংগে আমার ওঠাবসা একদম নেই। আমার চারপাশে সব নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত।’তিনি বলেন, ‘আমন্ত্রিত সকলেই ভারতীয়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আমাকে নামে চেনেন, কেউ কেউ বই-টই পড়েছেন আমার বা আমার সম্পর্কে যে খবর টবর মাঝে মধ্যে বেরোয়; সেগুলো পড়েছেন। প্রায় সকলেই আমাকে নিয়ে উদবিগ্ন, তারা বুঝে পাচ্ছেন না, কেন আমি এই দেশের নাগরিক না হয়েও এই পোড়া দেশে পড়ে আছি!’ তসলিমা বলেন, ‘এখানে কাউকে বিশ্বাস করা যায় না, এখানের মানুষ টাকা ছাড়া আর কিচ্ছু বোঝে না, সহযোগিতা, সমমর্মিতা বলে কিছুরই অস্তিত্ব নেই, যুক্তি নেই, বোধ নেই, বিবেক নেই। আর ওখানের মানে ইউরোপের মানুষ মানুষকে সম্মান করে। ওখানে মানুষকে বিশ্বাস করা যায়। এদেশে থেকে দুদিন পর পর ভিসার সমস্যা নিয়ে কেন নিজেকে ভুগতে দিচ্ছি। জীবনটা খুব ছোট।’ তিনি বলেন, ‘আমার উচিত এই দু’র্নী’তিবাজ, ঠ’গবাজ, আর বিশ্বাস’ঘা’ত’কদের দেশ ছেড়ে চলে যাই, অন্য কোথাও অন্য কোনওখানে গিয়ে বিশুদ্ধ বাতাস নিই ফুস্ফুস ভ’রে। এখানে কোনও দ্রব্য বিশুদ্ধ নয়, জল বাতাস সব কিছুতে বি’ষ। আমি বলেছি, আমার বেড়ালকে ছেড়ে আমি তো কোথাও যেতে পারবো না। তারা আমার উত্তর শুনে বি’র’ক্তই হলেন।’ তসলিমা বলেন, ‘আর একজন বললেন, এই দেশে থাকলে আমার জীবনে নোবেল পাওয়া হবে না। নোবেল? আকাশ থেকে পড়লাম। নোবেল কেন পেতে যাবো আমি! এইসব প্রশ্নের সামনে আমি খুব অপ্রস্তুত বোধ করি। আমি সঠিক কোনও উত্তর খুঁজে পাই না।’ তিনি বলেন, ‘এরপর এমন প্রশ্ন করলে ভাবছি আমি তাদের কাছে জানতে চাইবো, তারা কেন এই দেশে থাকেন! তারা তো চাইলেই এই দেশের চেয়ে ভালো ভালো দেশে গিয়ে বাস করতে পারেন। তারাই বা বিষাক্ত বাতাস ফুসফুসে নিচ্ছেন কেন!’