শ্রদ্ধা ,ভালবাসাও দোয়া এমন জিনিস যা সমস্ত টাকা-পয়সা ও দুনিয়ার বিনিয়মেও পাওয়া যায়না । অথচ এই লোকটা মানুষের দুই পয়সার উপকার করার সময়টুকুও পায়নি ।জালিমের কারাগারে দীর্ঘদিন বন্দি থাকা বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের প্রাণ পুরুষ হাফেজ ড.মুসরি সবাইকে ছেড়ে চলে গেছেন, মিশরের ইতিহাসে তিনিই ছিলেন জনগনের ভোটে নির্বাচিত সরকার,
কিন্তু দুর্ভাগ্য এক বছরের মাথায় ইসরাইলের মদদে লোভী সেনাপ্রধান সিইসি সড়যন্ত্র করে ইসরাইলী শাসন চালু করার জন্য এবং ইহুদীদের এজেন্ট বাস্তবায়ন করার জন্য প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুসরি কে ক্ষমতাতুচ্ছ করে, প্রতিবাদে আন্দোলন কারীদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে ব্রাদারহুডের হাজার হাজার নেতাকর্মী,
মিথ্যা মামললায় ফাঁসি দিয়ে হত্যা করা হয় শত শত নেতাকর্মীদের, শুধু বন্দি রাখা হয় ব্রাদারহুড প্রধান মুসরিকে, ব্রাদারহুডের দাবি এটি একটি হত্যা কান্ড,মুসরির মৃত্যুতে মিশরর জুড়ে শুধুই কান্না।
মুরসীকে হত্যা করা হয়েছে : মুসলিম ব্রাদারহুড

প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসীর মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করেছে তার সংগঠন ইখওয়ানুল মুসলিমিন বা মুসলিম ব্রাদারহুড।সোমবার (১৭ জুন) মুসলিম ব্রাদারহুডের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, মুহাম্মাদ মুরসীকে ক্রমান্বয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতার ও পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদ শুরুর পর মুরসীর শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে এবং এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার মিশরের আদালতের মধ্যে তিনি ইন্তেকাল করেন।
উল্লেখ্য, মুহাম্মাদ মুরসী ইসলামী সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রথম সারির নেতা ছিলেন। ২০১২ সালে ব্রাদারহুডের প্রার্থী হিসেবে তিনি জনগণের ভোটের মাধ্যমে মিসরের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ক্ষমতা গ্রহণের এক বছরের মাথায় ২০১৩ সালে, তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইহুদিবাদী ইসরাইলের দোষর আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির নেতৃত্বে এক রক্তক্ষয়ী সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অবৈধভাবে মুহাম্মাদ মুরসীকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।
ক্ষমতাচ্যুত করার পর মুরসীকে কারাবন্দি করে পশ্চিমাদের সমর্থন পাওয়া সিসির সরকার। এরপর রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তিসহ তথাকথিত বিভিন্ন অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করা হয় তাকে।
মৃত্যুর আগ থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে জানানো হয়েছিল কারাগারে মুরসির শারীরিক অবস্থা মোটেও ভালো নয়, কারাগারে তার মৃত্যুও হতে পারে। ডায়াবেটিস আক্রান্ত মুরসীকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে না বলে পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছিল।
ব্রিটিশ রাজনীতিক ও আইনজীবীদের একটি প্যানেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার ফলে মুরসীর শারীরিক অবস্থা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাতে তিনি অকালে মারা যেতে পারেন। তবে এসব বক্তব্যকে মোটেও গুরুত্ব দেয়নি মিশরের বর্তমান সরকার।








