প্রিয় নেতাকে হারিয়ে মিশরর জুড়ে আজ শুধুই কান্না ।

শ্রদ্ধা ,ভালবাসাও দোয়া এমন জিনিস যা সমস্ত টাকা-পয়সা ও দুনিয়ার বিনিয়মেও পাওয়া যায়না । অথচ এই লোকটা মানুষের দুই পয়সার উপকার করার সময়টুকুও পায়নি ।জালিমের কারাগারে দীর্ঘদিন বন্দি থাকা বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের প্রাণ পুরুষ হাফেজ ড.মুসরি সবাইকে ছেড়ে চলে গেছেন, মিশরের ইতিহাসে তিনিই ছিলেন জনগনের ভোটে নির্বাচিত সরকার,
কিন্তু দুর্ভাগ্য এক বছরের মাথায় ইসরাইলের মদদে লোভী সেনাপ্রধান সিইসি সড়যন্ত্র করে ইসরাইলী শাসন চালু করার জন্য এবং ইহুদীদের এজেন্ট বাস্তবায়ন করার জন্য প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুসরি কে ক্ষমতাতুচ্ছ করে, প্রতিবাদে আন্দোলন কারীদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে ব্রাদারহুডের হাজার হাজার নেতাকর্মী,
মিথ্যা মামললায় ফাঁসি দিয়ে হত্যা করা হয় শত শত নেতাকর্মীদের, শুধু বন্দি রাখা হয় ব্রাদারহুড প্রধান মুসরিকে, ব্রাদারহুডের দাবি এটি একটি হত্যা কান্ড,মুসরির মৃত্যুতে মিশরর জুড়ে শুধুই কান্না।
মুরসীকে হত্যা করা হয়েছে : মুসলিম ব্রাদারহুড


প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসীর মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করেছে তার সংগঠন ইখওয়ানুল মুসলিমিন বা মুসলিম ব্রাদারহুড।সোমবার (১৭ জুন) মুসলিম ব্রাদারহুডের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, মুহাম্মাদ মুরসীকে ক্রমান্বয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতার ও পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদ শুরুর পর মুরসীর শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে এবং এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার মিশরের আদালতের মধ্যে তিনি ইন্তেকাল করেন।
উল্লেখ্য, মুহাম্মাদ মুরসী ইসলামী সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রথম সারির নেতা ছিলেন। ২০১২ সালে ব্রাদারহুডের প্রার্থী হিসেবে তিনি জনগণের ভোটের মাধ্যমে মিসরের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ক্ষমতা গ্রহণের এক বছরের মাথায় ২০১৩ সালে, তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইহুদিবাদী ইসরাইলের দোষর আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির নেতৃত্বে এক রক্তক্ষয়ী সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অবৈধভাবে মুহাম্মাদ মুরসীকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।
ক্ষমতাচ্যুত করার পর মুরসীকে কারাবন্দি করে পশ্চিমাদের সমর্থন পাওয়া সিসির সরকার। এরপর রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তিসহ তথাকথিত বিভিন্ন অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করা হয় তাকে।
মৃত্যুর আগ থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে জানানো হয়েছিল কারাগারে মুরসির শারীরিক অবস্থা মোটেও ভালো নয়, কারাগারে তার মৃত্যুও হতে পারে। ডায়াবেটিস আক্রান্ত মুরসীকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে না বলে পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছিল।
ব্রিটিশ রাজনীতিক ও আইনজীবীদের একটি প্যানেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার ফলে মুরসীর শারীরিক অবস্থা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাতে তিনি অকালে মারা যেতে পারেন। তবে এসব বক্তব্যকে মোটেও গুরুত্ব দেয়নি মিশরের বর্তমান সরকার।

পীস টিভি বাংলায় আহলে হাদীসের এক চেটিয়াতে বাংলাদেশের কি লাভ ও ক্ষতি !


পীস টিভি ইংলিশ ও উর্দু খুব নাম করেছে। কারণ এখানে জাকির নায়েক ছিল সর্বসের্বা। তিনি প্রোগ্রাম সাজাতেন, স্পীকার সিলেক্ট করতেন এবং কন্টেন্ট বলে দিতেন। আমি দেখেছি এমন কি তিনি বক্তার এপ্রোচ কেমন হবে তাও ঠিক করে দিতেন।
তিনি বাংলা টিভি করেছিলেন বাংলাভাষীদের ভালোবাসতেন বলে। বাংলা যখন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তখন শায়খ আবু আব্দুর রহমান নুরুল ইসলাম, ও শায়খ আব্দুল মতিন নামে পশ্চিম বংগের দুইজন শায়খ তার সাহায্যে এগিয়ে আসেন। যারা এই জগতে সম্পূর্ণ আনাড়ি ছিলেন। ডঃ জাকির স্পীকার নিয়োগের ক্ষেত্রে ছিলেন খুবই ইনক্লুসিভ। উর্দুতে সালাফি, হানাফি, দেওবন্দী ও জামায়াতে ইসলামী সবাইকে নিয়েছেন। ইংরেজিতে তো আরো উদার তিনি। কিন্তু বাংলাতে এই নুরুল ইসলাম সাহেবের কারণে বাংলাদেশ থেকে তিনি আহলে হাদীসদের কেই বাছাই করেন প্রথম পর্যায়ে। মাত্র ৫ জন ছিলেন হানাফী, তবে তাদের ৪ মাদানী বা রিয়াদী হওয়ায় তারাও বলা যায় একই ধাঁচের ছিলো।
পরে তিনি আহলে হাদীসীদের একচেটিয়া দখলের ভয়ংকর অবস্থা আঁচ করতে পারেন ও নুরুল ইসলামকে সরিয়ে দেন । কিন্তু ইতিমধ্যে আহলে হাদীসীদের একগুয়েমী ও ইলমের স্বল্পতার দরুন দরুন বাংলা ভাষাভাষী মানুষের নিকট পিচটিভি প্রশ্নের মুখোমুখী হয় ।অথচ আহলে হাদীসী আলেমদের এই নিকৃষ্ট চালাকী ডাঃ জাকির নায়েক যখন বুঝলেন তখন আহলে হাদীসীরা পিচটিভি বাংলাকে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল ।

আমি দেখেছি এমন কি তিনি বক্তার এপ্রোচ কেমন হবে তাও ঠিক করে দিতেন। তার পছন্দ করা বলিউডের সেরা প্রডিউসার ইজহার ফরিদী ও বোম্বের সিনে জগতের সেরা মেইক আপ ম্যান, সেরা ক্যামেরা ম্যান ও বাছাই করা টিভি ব্যাকগ্রাউন্ডার দিয়ে তিনি টিভি চালাতেন। খরচ করতেন, রাত দিন কাজ করতেন, এবং আর্টিস্ট ও কলাকৌশলিদের কাছে রাখতেন। তিনি বাংলা টিভি করেছিলেন বাংলাভাষীদের ভালোবাসতেন বলে। আমার জানা মতে কোটি কোটি টাকার ইনভেস্ট তিনি এখানে যখন প্রথম করেন, তখন অনেকেই এটা পছন্দ করেননি। কারণ ছিলো দুটো। তিনি বাংলা জানতেন না। ও বাংলা ভাষার তেমন ভালো লোক পাচ্ছিলেন না। বাংলা যখন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তখন শায়খ আবু আব্দুর রহমান নুরুল ইসলাম, ও শায়খ আব্দুল মতিন নামে পশ্চিম বংগের দুইজন শায়খ তার সাহায্যে এগিয়ে আসেন। যারা এই জগতে সম্পূর্ণ আনাড়ি ছিলেন। ডঃ জাকির স্পীকার নিয়োগের ক্ষেত্রে ছিলেন খুবই ইনক্লুসিভ। উর্দুতে সালাফি, হানাফি, দেওবন্দী ও জামায়াতী সবাইকে নিয়েছেন। ইংরেজিতে তো আরো উদার তিনি। কিন্তু বাংলাতে এই নুরুল ইসলাম সাহেবের কারণে বাংলাদেশ থেকে তিনি আহলে হাদীসদের কেই চয়েস করেন প্রথম পর্যায়ে। মাত্র ৫ জন ছিলেন হানাফী, তবে তাদের ৪ মাদানী বা রিয়াদী হওয়ায় তারাও বলা যায় একই ধাঁচের ছিলো। পরে তিনি ভয়ংকর অবস্থা আঁচ করতে পারেন। ও নুরুল ইসলামকে সরিয়ে দেন। এর পর থেকে বাংলাদেশের বেশ কিছু প্রিয় মুখ এখানে আগমন করে। কিন্তু এরই মধ্যে উগ্র পন্থী আহলে হাদীসদের দিয়ে যে ড্যামেজ তিনি বাংলাদেশে করে ফেলেছিলেন তা থেকে আর ফিরতে পারেননি। আর আজ পর্যন্ত তার যে বিপদ তিনি মাড়িয়ে চলছেন, তা বাংলাদেশ কেন্দ্রিকই। বাংলাদেশের এই উগ্রপন্থী ও শায়খ আব্দুর রহমান মার্কা তথা মাদখালী গ্রুপের কট্টোর পন্থী তথাকথিত শায়খরা বা মাদানীরা যে ক্ষতি গুলো করেছেন তা আমার বিবেচনায় ২টিঃ ১। হানাফী মাযহাব কোনদিন আহলে সুন্নাত ওইয়াল জামায়াতের বাইরে কিছুই ছিলোনা। ইবনে তাইমিয়্যার মত কট্টোরপন্থী হাদীস অনুসারী ইমাম ও ইমাম আবূ হানীফা কে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বাইরে মনে করেন নি। কিন্তু যেহেতু মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আপামোর ধ্যান ধারণা হলো হানাফী মাযহাব আমলের ক্ষেত্রে দূর্বলতম, এমন কি তাদের অধিকাংশ শিক্ষক মুরুব্বিদের দৃষ্টিতে আবু হানীফা ছিলেন ‘মুরজিয়াতুল ফুক্বাহা” দের একজন, কাজেই বাংলাদেশে তারা ঐ চেতনা ছড়ানোতে ব্যপৃত হয়ে যান এই মাদানী শায়খরা। তারা টিভির আলোচনায়, মাহফিলের মাইক্রোফনের চিৎকারে ও সুরের ভংগিমায়, কিংবা সেমিনার সেম্পোজিয়ামে হানাফী মাযাহাবের মাসআলা গুলো নিয়ে মারাত্মক সমালোচনায় লিপ্ত হয়ে পড়ে। আমি গুণে গুণে দেখিছি ৪০ থেকে ৪৫ টা মাসআলা আছে, যে গুলো ঐ আহলে হাদীস ভায়েরা গত ১০ বছরে সারা দেশে কপচায়েছে। এই মাসআলা গুলো প্রায়ই ছিলো সুন্নাহ ও নফল ক্যাটাগরীর, কিন্তু তারা এইটাকে মূল ধর্মের রং দিয়ে এই গুলো না মানলে সহীহ আক্বীদার হবে না বলে ফতোয়া দিয়ে বেড়ায়েছে। এতে সমাজের সর্বস্তরে হেনেছে মারাত্মক আঘাত। ঘরে ঘরে মানুষ কনফিউজড হয়েছে। তাদের সারা জীবনের করা আমল সব বাতিল, ভুল, কিংবা বিদআহ হিসেবে দেখানো হয়েছে। দেশের আলিম সমাজকেও বিব্রত হতে হয় সর্ব ক্ষেত্রে। তারাও রোষে উঠে নানান কর্ণারে। ফলে একটা কৃত্রিম মাযহাবী যুদ্ধ তৈরী হয়ে যায়। আমি এ দৃশ্য গুলো দেখেছি আর হা পিত্যেস করেছি, এই সব আলেমদের দৃষ্টির সীমাবদ্ধতা দেখে। নামাযে হাত উঁচু করতে হবে তা সুন্নাত। কিন্তু তা কয়বার এই নিয়ে আছে বিস্তর মতভেদ। এই আলিমরা বুঝাতে চাইলো হানাফী মাযহাবের একবার হাত উঁচু করা এটা ঠিক না, তাই এরা সহীহ আক্বীদার না। নামাযে হাত কথায় বাঁধতে হবে এ ব্যাপারে একটাও সহীহ হাদীস নেই। গলা, বুকে, নাভীর নিচে বা ছেড়ে দেয়া সব রীতিতেই এটা চলে আসছে ইসলামে। কোন ঝামেলা হয়নি। পীস টিভির এই শায়খরা বুকের উপর বাঁধাতে যেয়ে গোটা বাংগালীর হাত গুলো ভেংগে ফেলার মত করে দিলেন। সূরা ফাতিহার পড়ার পর আমীন বলা শুধু সুন্নাত না নৈতিক ভাবে প্রণোদিত। এটা আস্তে বা জোরে সবটাই বলে ইসলাম চলে আসছে হাজার বছর। কিন্তু পীস টিভির এই সব ভায়েরা বুঝাতে চাইলেন মসজিদ ও “আহলে হাদীস মসজিদ” বানানো যাবে শুধু জোরে আমীন বলার সুযোগ নিতে। লক্ষ মসজিদের বাংলাদেশে একটা হানাফী মসজিদ নামে মসজিদ নেই, অথচ এরা কয়েক ডজন মসজিদ বানায়েছে “আহলে হাদীস মসজিদ” নাম দিয়ে। এইভাবে কয়েকটি মাত্র মাসআলা নিয়ে তারা হানাফী আলিম সমাজকে কুপমুন্ডক বানায়েছে, আর সাধারণ মুসলমানদের ভুলকারী বানায়েছে। এতে সমাজে সত্যিই বিশৃংখলা দেখা দেয়। শায়খ আকরামুজ্জামান নামক এক মাদানীর মুফতি আহমাদ শফীকে মুর্খ বলার মতো দম্ভোক্তি আমরা দেখেছি। আমার কাছে এদের এই ছোট খাটো ব্যাপার নিয়ে সমাজকে বিভক্ত করা টা কে ইসলামি দাওয়ার ক্ষেত্রে খুব বেমানান মনে হয়েছে।

ভারতে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে মুসলিমদের ওপর অত্যাচার

রবিবার উত্তর পূর্ব ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চল মধ্য বিহারের বেগুসরাই জেলার বাসিন্দা মুসলিম হকার কাসিম বাইকে করে আশপাশের গ্রামগুলোতে ডিটারজেন্ট পাউডারের প্যাকেট বিক্রি করতে বেরিয়েছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি তার নাম জিজ্ঞেস করে।  কাসিম নাম বলার সাথে সাথে তাকে অশ্রাব্য ভাষায় আমাকে গালি দেয়া হয়। তারপর জিজ্ঞেস করে, তুমি কি করছ এখানে? তোমার তো পাকিস্তানে থাকা উচিত।

ফাইল নিউজ

এরপর কিছু বুঝে ওঠার আগেই পিস্তল বের করে কাসিমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলি কাসিমের পিঠে লাগে। সে আবার গুলি ছুড়তে গেলে কাসিম তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে আসি।

এ ঘটনা যখন ঘটে তখন একজন পথচারী তা ভিডিও করেন। তারপর ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে।

কাসিম বলেন, লোকটি যখন পিস্তল নিয়ে তার উপর হামলা চালায় তখন গ্রামবাসীদের কেউই তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি। ঘটনার পর তিনি ক্ষতস্থানে একটি কাপড় পেঁচিয়ে ও শরীর থেকে রক্ত বের হতে থাকা অবস্থায় স্থানীয় থানায় যান। পুলিশ তার অবস্থা গুরুতর দেখে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে।

মুসলমান নাম বলার সাথে সাথে কাসিমের গুলি খাওয়ার ঘটনায় দেশের বহু লোক দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

ভারতের সমাজ বিজ্ঞানী শচীন্দ্র নারায়ণ বলেন, এ ধরনের ঘটনা হচ্ছে মাসব্যাপী নির্বাচনের সময় আগ্রাসী নির্বাচনী প্রচারণার পরিণতি। শুধু রাজনৈতিক লাভ পাবার জন্য অন্য সম্প্রদায় সম্পর্কে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্থানীয় সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা নীরাজ কুমার সিং বুধবার বেগুসরাইতে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মামলা নিয়েছি। পলাতক হামলাকারীকে গ্রেফতার করতে অভিযান চলছে।

এদিকে শনিবার রাতে নয়াদিল্লীর কাছে অর্থনৈতিক ও কারিগরি কেন্দ্র গুরুগ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ বরকত আলম তারাবি নামাজ শেষে স্থানীয় মসজিদ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় একদল হামলাকারী সেখানে হাজির হয়।

দি হিন্দু সংবাদপত্রকে মোহাম্মদ আলম বলেন, তারা আমাকে টুপি পরার ব্যাপারে হুঁশিয়ার করে দিল। বলল, আর টুপি পরা চলবে না। মাথা থেকে ওটা খুলে ফেল। আমি টুপি খুলতে অস্বীকার করায় তারা আমাকে মারধর করল, তারপর টুপি খুলে নিল। তারপর বলল, জয় শ্রী রাম বল। আমি বলতে রাজি না হওয়ায় আমাকে শূকরের মাংস খাওয়ানোর হুমকি দিয়ে চলে গেল।

এছাড়া, ভারতের মধ্য প্রদেশে গো রক্ষকরা গরুর মাংস বহন করার সন্দেহে তিনজন মুসলমানকে একটি গাছের সাথে বেঁধে প্রচন্ড মারধর করে। ২২ মে এ দুঃখজনক ঘটনা ঘটলেও ২ দিন পর এ ঘটনার একটি ভিডিও সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তা জানা যায়। পুলিশ ঐ তিন মুসলিমকেই গ্রেফতার করেছে এ যুক্তিতে যে মধ্য প্রদেশে গরুর মাংস রাখা, বহন করা বা বিক্রি করা আইনগত ভাবে নিষিদ্ধ। নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ কিছুই করেনি। 

ছাত্রনেতা কানহাইয়া এ জন্য কিছু রাজনীতিককে দায়ী করে বলেন, নেতারা ও তাদের বোড়েরা রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ঘৃণা ছড়ান। তারাই এ ধরনের ঘটনার জন্য দায়ী।

বিশেষজ্ঞরা এ সব ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুতর হিসেবে দেখছেন ও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। দিল্লি ভিত্তিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ অজয় ঝা বলেন, এবার প্রধানমন্ত্রী মোদি পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন। তাকে এখন প্রমাণ করতে হবে যে এক ভারত, এক জাতি শুধু স্লোগান নয়। তাকে এটা বাস্তবেও প্রমাণ করতে হবে।

১৫ জুন ২০১৯ পর্যন্ত মাথাপিছু ঋণ ৬৭ হাজার টাকা

মাথাপিছু ঋণ ৬৭ হাজার টাকা। বরাদ্দের দ্বিগুণেরও বেশি মাথাপিছু ঋণ ।প্রস্তাবিত বাজেটে তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ঋণের সুদ পরিশোধে । দেশে ঋণের বোঝা বাড়ছে। আজ যে শিশুটি জন্ম নেবে, তার মাথায় ৬৭ হাজার ২৩৩ টাকা ঋণের দায় চাপবে। কারণ বর্তমানে দেশের প্রতিটি নাগরিকের মাথাপিছু এ পরিমাণ ঋণ রয়েছে। গত ১ বছরে যা বেড়েছে প্রায় ৭ হাজার ২৩৩ টাকা।
আগামী ১ বছরে তা আরও ৫ হাজার ৫৪৭ টাকা বাড়বে। ফলে ওই সময়ে মাথাপিছু ঋণের স্থিতি দাঁড়াবে ৭২ হাজার টাকা। এ কারণে ২০১৯-২০ অর্থবছরেও প্রস্তাবিত বাজেটে ঋণের সুদ পরিশোধে তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ রেখেছে সরকার। অন্যদিকে প্রস্তাবিত বাজেটে মানুষের মাথাপিছু বরাদ্দ ৩২ হাজার ৩৫৫ টাকা।
এ হিসাবে ঋণ মাথাপিছু বরাদ্দের দ্বিগুণেরও বেশি। ঋণ অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কর আদায় করতে না পারায় সরকারকে বেশি ঋণের আশ্রয় নিতে হচ্ছে। আর এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ৪ থেকে ৫ বছরের মধ্যে ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, প্রতি বছর দেশীয় উৎস থেকে সরকার যে হারে ঋণ নিচ্ছে, তা অর্থনীতির ব্যবস্থাপনার জন্য ইতিবাচক নয়। কারণ সুদের হার বেড়েছে, যা বিনিয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে।
তিনি বলেন, প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে কর আদায়ের হার অত্যন্ত কম। বর্তমানে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় কর আদায় ১০ শতাংশের কম। অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হলে জিডিপির তুলনায় করের অন্তত ১৫ থেকে ১৬ শতাংশ থাকা উচিত।
তিনি বলেন, করের হার বাড়াতে পারলে ঋণ কমবে না। তিনি আরও বলেন, ঋণ নিয়ে বাজেট ঘাটতি মেটানো ভালো পদক্ষেপ নয়। এতে আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা নষ্ট নয়।
অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ১০ লাখ ৮৭ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে বেসরকারি খাতে ঋণ ৯ লাখ ৭০ হাজার ৩৪৮ কোটি এবং সরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ত মিলিয়ে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮১৪ কোটি টাকা। এছাড়াও এ পরিমাণ ঋণ জিডিপির ৩৫ শতাংশের বেশি।
অন্যদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ১৭ লাখ। এ হিসাবে প্রতিটি নাগরিকের মাথাপিছু ঋণ ৬৭ হাজার টাকা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬০ হাজার টাকা। এ হিসাবে ১ বছরে বেড়েছে ৭ হাজার ২৩৩ টাকা।
এরপর আগামী অর্থবছরে আরও ১ লাখ ৩৮ হাজার ২১২ কোটি টাকা ঋণ নিতে যাচ্ছে সরকার। এর মধ্যে বিদেশি ঋণ ৬৩ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা, বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ২৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়া হবে। ফলে ঋণের স্থিতি আরও ৮ হাজার ৫৪৭ টাকা বাড়বে।
এ ঋণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কারণ সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে যে ঋণ নেয়া হয়, তার বিপরীতে সরকারকে বছরে ১০ শতাংশের বেশি সুদ গুনতে হচ্ছে। এ কারণে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ঋণ পরিশোধে ৫৭ হাজার ৬৩ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে সরকার। যা দুটি পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের সমান। এক্ষেত্রে ঋণ না কমলে এ টাকা বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করা যেত।
এ ব্যাপারে মির্জ্জা আজিজ আরও বলেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ ঋণ অনেক ব্যয়বহুল। সেই ঋণের একটা মোটা অংশ যদি হয় সঞ্চয়পত্র, তাহলে তা আরও ব্যয়বহুল। সরকার ব্যয়বহুল ঋণ বেশি নিচ্ছে, এর অর্থই হচ্ছে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো অগ্রাধিকার খাতগুলোয় সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী বরাদ্দ রাখতে পারছে না।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, দেশে বর্তমানে যে ঋণ নেয়া হচ্ছে, তার ৬০ শতাংশই অভ্যন্তরীণ উৎসের ওপর। এতে আগামী ৪ থেকে ৫ বছরের মধ্যে দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, ঋণ নির্ভরতা কমানোর জন্য রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে রাজস্ব খাতে বিভিন্ন সংস্কার জরুরি।
পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর মনে করেন, সরকার ঠিকমতো ঋণ ব্যবস্থাপনা করতে পারছে না বলেই এর দায় নিতে হচ্ছে জনগণকে। তুলনামূলকভাবে বিদেশি ঋণ অনেক সাশ্রয়ী। কিন্তু সরকার সহজ পথ হিসেবে বেছে নেয় বেশি সুদের অভ্যন্তরীণ উৎসকে। এতে আর্থিক খাতে চাপ বেড়ে যায়।
অন্যদিকে মুদ্রা পরিস্থিতি ইতিবাচক অবস্থায় নেই। ব্যাংকের আমানতের চেয়ে জনগণের হাতে টাকা বেশি। বর্তমানে দেশে মুদ্রার পরিমাণ ১১ লাখ ৬০ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা। এর মধ্যে মেয়াদি আমানত ৯ লাখ ৮ হাজার ১৯৮ কোটি টাকা, তলবি আমানত ১ লাখ ৬ হাজার ৪১০ কোটি টাকা ও ব্যাংকের বাইরে মানুষের হাতের টাকার পরিমাণ ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৬৩ কোটি টাকা।

একদিন গোলাম ছিলাম রে……..

একদিন গোলাম ছিলাম রে……..

ব্রিটেনের দস্যু রানীর সাথে ছবি তুলেছে ১০ দেশের ক্রিকেট দলের প্রধান।
৯টি দেশ (ইংল্যান্ড নিজে বাদে) : বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড এবং আফগানিস্তান কিন্তু এক সময় জলদস্যু শাসিত ব্রিটিশ উপনিবেশের অংশ ছিলো। জলদস্যু ব্রিটিশরা খুব অহংসকার করে বলতো- The sun never sets on the British Empire. অর্থ-ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সূর্য কখনো অস্ত যায় না।” জলদস্যু জাত ব্রিটিশরা যখন দেখলো তাদের সম্রাজ্যবাদের পতন আসন্ন, তখন তারা “কমনওয়েলথ” নামক সংস্থা বানিয়ে রাখলো- যাদের দেখলে সব সময় মনে হবে- এই দেশগুলো এক সময় ব্রিটিশ গোলাম ছিলো।

সেই ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদীদের বানানো খেলা হইলো- ক্রিকেট।
মালিক খেলা চালু করে গোলামদের ডাক দিছে খেলতে।
আর গোলামরা খেলতে পেরে কত খুশি হইছে।
মালিকও গোলামদের সাথে ছবি তুলে খুশি।
হাসতে হাসতে বলে- তোরা সারাদিন থাকবি খেলা নিয়ে, আর আমার নাতিরা শিখবে যুদ্ধ,
আফগানিস্তানে গিয়ে বোম্বিং করে মজা নিবে।

আমি জানি, এসব বললে- কেউ কেউ বলবে-
সব কিছুর মধ্যে আপনি রাজনীতি আর ষড়যন্ত্র টেনে আনেন।
আমি তাদের বলবো- ভাই সমস্যা কি জানেন ?
মূল সমস্যা হইলো আমাদের ইজ্জত নাই,
আর তার থেকেও বড় সমস্যা হইলো, আমদের যে ইজ্জত নাই, এটাও আমরা বুঝি না।
আজকে পৃথিবীতে সুপার পাওয়ার হইছে আমেরিকা।
এই ব্যাটা ভালো হোক আর মন্দ হোক, সে কিন্তু ইজ্জত কি এটা বুঝে।
এই আমেরিকা (ইউএসএ) কিন্তু এক সময় ব্রিটিশ উপনিবেশের অংশ ছিলো।
সে বহু কষ্ট করে যুদ্ধ করে সেখান থেকে বের হইছে।
কিন্তু সে কিছুতেই এটা স্বীকার করতে চায় না, যে সে এক সময় ব্রিটিশ গোলাম ছিলো।
এই জন্য এই ব্যাটা ব্রিটিশ বানানো ক্রিকেট খেলতে আসে নাই।
ব্রিটিশ বানানো কমনওয়েলথও যোগ দেয় নাই।
ব্রিটিশরা কোন নিয়ম চালু করলে সেখানে লাফ দিয়ে নামে নাই।
ব্রিটিশরা বাম দিয়ে গাড়ি চালায়, সে চালায় ডান দিয়ে।
ব্রিটিশরা লাইটের সুইচ অন করে উপর থেকে নিচে, আর সে করে নিচ থেকে উপরে।
যদিও ধর্মে দুই দেশ খ্রিস্টান, কিন্তু ব্রিটিশ নিয়ম মানলে আবার ‘এক সময় ব্রিটিশদের গোলাম ছিল’ এটা মনে করতে হয় কি না, এজন্য তারা ব্রিটিশদের বানানো নিয়ম মানে নাই, আবার অনেক ক্ষেত্রে বেশি জরুরী হলো মডিফাই করে ব্যবহার করছে, তবুও ডাইরেক্ট মানে না। এটা হইলো আসল ই্জ্জত। আর ইজ্জত বজায় রাখার জন্য আজকে আমেরিকানরা সুপার পাওয়ার হইতে পারছে।

মুসলমানরা যখন এক সময় সারা বিশ্ব শাসন করতো, তখন এই পলিসি কিন্তু মুসলমানদের মধ্যেও ছিলো।
তারা অমুসলিমদের কোন নিয়ম-কানুন মানতো না। নিজস্ব পলিসিতে চলতো।
খলিফা উমরের জীবনীতে পরেছিলাম- বায়তুল মোকাদ্দাস বিজয়ের পর তিনি যখন চাবি আনতে গিয়েছিলেন,
তখন তিনি চামড়ার তৈরী খাবারের দস্ত থেকে রুটির টুকরা তুলে খাচ্ছিলেন, যা ইসলামের একটি নিয়ম।
তখন অনেকে বলেছিলো- এখানে অনেক খ্রিস্টান রাজা বাদশাহ আছে, তাদের সামনে দস্ত খানা থেকে খাবার তুলে না খেলে কি হয় না।?
তখন তিনি খুব রাগান্বিত হয়ে জোরে বলেছিলেন- এসব আহাম্মকের জন্য কি, আমি আমার ইসলামীক নিয়ম-নীতি ছেড়ে দিবো ?

আমরা দেশকে ভালোবাসি, জাতিকে নিয়ে অনেক বড় বড় স্বপ্ন দেখি।
আমরা চিন্তা করি বিভিন্ন শত্রুর অধীনে থেকে দেশের যে ক্ষতি হয়েছে একটা সময় হয়ত সেটার পরিবর্তন হবে।
কিন্তু সেই পরিবর্তন হওয়ার জন্য আগে প্রয়োজন আমাদের মন-মগজের পরিবর্তন করা।
যারা সম্রাজ্যবাদী তারা তো মন-মগজে আমাদের গোলাম বানিয়ে রেখেছে।
যতদিন আমরা আমাদের মন-মগজ ও বিশ্বাসকে তাদের গোলামির কাতার থেকে বের না করতে পারবো, ততদিন আমরা আসলেই স্বাধীন হবো না এবং স্বতন্ত্র জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশও করতে পারবো না- এটাই আগে আমাদের বুঝতে হবে।

#আহলে_হাদীসীদের মুনাফিকীর খতিয়ানের কোন শেষ নাই।


আপনারা কি তুরস্কের নাম শুনেছেন?
এই দেশে আমেরিকার একটা পোষ্য কুকুর ছিলো, সেই কুকুরের নাম ছিলো কামাল আতাতুর্ক পাশা।
সেই কামাল তুরুস্কে কি করেছিলো জানেন?
সেটার বিবরন নিচে দেওয়া হলো—

১/কামাল পাশা নারীদের হিজাব বন্দ করেছিলো ।

২/বোরকা বন্দ করেছিলো।

৩/যুবকদের দাঁড়ি রাখা বন্দ করেছিলো ।

৪/ মসজিদে মাইক দিয়ে প্রকাশ্য আযান বন্দ করেছিলো।

৫/ আরবী ভাষা নিষিদ্ধ করেছিলো।

৬/ কেন্দ্রীয় সুফিয়া মসজিদকে গীর্জায় রুপান্তর করেছিলো ।

৭/ সকল মাদ্রাসা শিক্ষা বন্দ করেছিলো।

৮/ নতুন করে একটি মসজিদ মাদ্রাসাও তৈরি করেনি।

৯/অসংখ্য পতিতালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলো।

১০/ অসংখ্য মদের বার ও নাইট ক্লাব চালু করেছিলো ।

এই নাস্তিক কামাল পাশার শাষনামলে কিন্তু আহলে হাদীসরাও দাওয়াতি কাজ করতো, পাশাপাশি এরদোয়ানের ইসলামিক পার্টির কর্মীরাও দাওয়াতি কাজ করতো।
ফলস্রুতিতে এরদোয়ান রাষ্ট্র ক্ষমতায় পৌছে পর্যায়ক্রমে যেসব কাজগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠা করেছে,সেই কাজগুলোর বিবরনও নিচে দেওয়া হলো—–

১/এরদোয়ান নারীদের হিজাব চালু করেছে।

২/বোরকা পড়া চালু করেছে।

৩/যুবকদের দাঁড়ি রাখা চালু করেছে।

৪/ মসজিদে মাইক দিয়ে প্রকাশ্য আযান দেওয়া চালু করেছে।

৫/ আরবী ভাষা চালু করেছে।

৬/ কেন্দ্রীয় সুফিয়া মসজিদকে চালু করেছে।

৭/ সকল মাদ্রাসা শিক্ষা চালু করেছে।

৮/ সারাদেশে ১০ হাজার নতুন মসজিদ তৈরি করেছে।

৯/ পতিতালয়গুলোতে অভিযান চালিয়ে অসংখ্য পতিতা গ্রেফতার করেছে,এখনও গ্রেফতার অভিযান চলছে।

১০/ অসংখ্য মদের বার ও নাইট ক্লাব বন্দ করেছে।

এখন নিরেপক্ষ দৃষ্টিতে পাঠকদের কাছে কয়েকটা প্রশ্ন করতে চাই।

আহলে হাদিসরাওতো তুরুস্কে ছিলো, এখনও তারা আক্কীদার বয়ান করতেছে,
সেখানকার শায়েখরা কিছু কর‍্তে পেরেছে কি ?????

১/তারা পেরেছে কি নারীদের হিজাব পড়া ফিরিয়ে দিতে??

২/তারা পেরেছে কি বোরকা চালু করে দিতে?

৩/যুবকদের দাঁড়ি রাখার অধিকার ফিরিয়ে দিতে পেরেছে কি?

৪/ পেরেছে কি মসজিদে মাইক দিয়ে আযান চালু করতে?

৫/ পেরেছে কি নিষিদ্ধ আরবী ভাষা চালু করতে?

৬/ পেরেছে কি বন্দ করে দেওয়া সুফিয়া মসজিদকে পূনরায় চালু করে দিতে???

৭/ পেরেছে কি বন্দ হওয়া মাদ্রাসাগুলো চালু করতে?

৮/ পেরেছে কি অন্তত একটি মসজিদ তৈরি করতে?

৯/ পেরেছে কি পতিতাদের গ্রেফতার করতে?

শুধু পেরেছে কিভাবে যালিমদের পা চেটে জীবন পার করা যায়।
শুধু পেরেছে নাস্তিক কামালের প্রস্রাব পায়খানা খেয়ে এরদোয়ানের বিরুধীতা করে যেতে।
এরা পৃথিবীর যেখানেই আছে, সেখানেই ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধে ফতোয়াবাজি করে যালিমদেরকে খুশি করে চলে।
এরা যালিম কামাল পাশাকে সমর্থন করেছিলো,
এরা যালিম সিসিকে সমর্থন করেছে,
এরা আওয়ামীলীগকে আনুগত্য করার কথা বলেছে।
এরা নিজেরা সহী আক্কীদার কথা বলে ধোকা দিয়ে মানুষদেরকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় পৌছার প্রয়াস থেকে দূরে রাখতে, এবং যালিমদের গোলাম বানাতে বদ্ধপরিকর।
আল্লাহ এসব মুসলীম নামধারী কতিপয় মুনাফিক শায়েখদের কবল থেকে যাতে সকলের ঈমান হেফাজত করেন আমীন।

রচনা:,
– মো: নজরুল ইসলাম আমীনী।
লেখক,কবি,গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী।

https://www.youtube.com/channel/UCiMGAmK89o9ZP1JpvQJ9ngg(Copy,

আপনি কি #হতাশায় ভুগছেন ?

আপনি কি #হতাশায় ভুগছেন ? আপনার দুইপাশে মরুভুমি আর মাঝখানে সাগর দেখছেন ? অবশেষে হিন্দু #সাধু_সন্যাসীদের দালাল দ্বারা নির্ধারিত কিছু পথভ্রষ্ট ডাক্তারের পরামর্শে হিন্দু যোগীদের মত যোগ ব্যায়ামের নামে কুফরী পদ্ধতির মাধ্যমে মনের প্রশান্তি ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছেন? (যেটাকে তারা নাম দিয়েছে #ইয়োগা বা #মেডিটেশন) । বলদের ওলান থেকে ৫ লিটার দুধ বের করা যেমন অসম্ভব , ওসব দ্বারা দেহ মনের প্রশান্তি এর চেয়েও অসম্ভব ! জীবনটাকে সরল অঙ্কের মত জটিল বানাবেন না । শরীর ঝাড়া দিয়ে উঠুন, দাড়ান, অজু করে নামাজে দাড়িয়ে দীর্ঘ সেজদাহ করে আপনার মালিককে সমস্যাগুলো বলুন । জীবনে র পথ সুগম করার জন্য সার্টিফিকেটের তেমন কোন প্রয়োজন নেই । প্রয়োজন কেবল শিক্ষার । তাই পড়াশোনা অব্যাহত রাখুন । আর আপনার মালিকের উপর ভরসা রাখুন ভরসা করার মত । কারণ একমাত্র তিনিই বান্দার ফরিয়াদ শোনেন ।

বল্টুর কুমীরের রচনা ও আহলে হাদীসি শায়খের হানাফী তত্ত্ব ।

বল্টুর কুমীরের রচনা ও আহলে হাদীসি শায়খের হানাফী তত্ত্ব ।
#বল্টুকে একবার তার শিক্ষক কুমীরের রচনা লিখতে দিলেন । বল্টু অনেক চিন্তা করে রচনা লিখা শুরু করলো …..
#কুমীরের_রচনা
কুমীর একটি উভচর সরীসৃপ প্রাণী । কুমীরের চারটি পা,দুইটি গোল গোল চোখ,একটি মুখ ও লম্বা একটি লেজ আছে ।কুমীরের বুক ও পেট সাদা বর্ণের আর পুরো শরীরটা
খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা………..।
খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা………..।
খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা ………..। —এভাবে তিন পৃষ্টা ।।
শিক্ষক দেখে তো আক্কের গুড়ুম ! চিন্তা করলো হারামীটাকে সোজা করতে হবে । তাই পরের দিন রচনা লিখতে দেয়া হলো “আমাদের গ্রাম” । বল্টু রচনা লিখতে শুর করলো,,,,,
#আমাদের_গ্রাম
আমাদের গ্রামের নাম রসুলপুর । আমাদের গ্রামটি সুজলা সুফলা ।এই গ্রামের পাশ দিয়ে একটি ছোট্ট নদী বয়ে গেছে । নদীতে অনেক মাছ থাকে । কিন্তু বর্ষাকাল এলেই জোয়ারের সাথে নদীতে কিছু কুমীর চলে আসে ।কুমীর একটি উভচর সরীসৃপ প্রাণী । কুমীরের চারটি পা,দুইটি গোল গোল চোখ,একটি মুখ ও লম্বা একটি লেজ আছে ।কুমীরের বুক ও পেট সাদা বর্ণের হলেও পুরো শরীরটা
খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা………..।
খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা………..।
খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা ………..। —এভাবে তিন পৃষ্টা ।
এবারও শিক্ষক দেখে তো মাথা খারাপ হওয়ার দশা ! চিন্তা করলো হারামজাদাকে সাইজ করতে হবে । তাই তার পরের দিন রচনা লিখতে দেয়া হলো “সিরাউদ্দৌলা” । শিক্ষক এবার মনে মনে চিন্তা করলো এইবার দেখি কোথা যাও চান্দু ।ঐতিহাসিক রচনা লিখতে দিয়েছি ।দেখি কিভাবে কুমীর নিয়ে আসো ।
বল্টু রচনা লিখতে শুর করলো,,,,,
#সিরাজউদ্দৌলা_রচনা
নবাব সিরাজউদ্দৌলা একজন ভাল শাষক ছিলেন । তিনি তার নানা আলিবর্দি খাঁন এর নিকট থেকে রাজত্ব পেয়েছিলেন । আলিবর্দি খাঁন তাকে চোখ কান খোলা রেখে রাজ্য পরিচালনা করতে বলেছিলেন । কিন্তু নানার মৃত্যুর পর নবাব সিরাজউদ্দৌলা সবকিছু ভুলে অসৎ চরিত্রের মীর জাফরকে সেনাপতি বানিয়ে খাল কেঁটে কুমীর নিয়ে আসলেন ।মূলতঃ কুমীর একটি উভচর সরীসৃপ প্রাণী । কুমীরের চারটি পা,দুইটি গোল গোল চোখ,একটি মুখ ও লম্বা একটি লেজ আছে ।কুমীরের বুক ও পেট সাদা বর্ণের হলেও পুরো শরীরটা
খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা………..।
খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা………..।
খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা, খাঁজ কাটা ………..। —এভাবে তিন পৃষ্টা ।
এবারও শিক্ষক এই রচনা দেখে মাথা ঘুরে মুর্ছা গেলেন । শিক্ষকের মুর্ছা দশা থেকে সুস্থ্য হতে কত দিন লেগেছিল তা জানা নেই ।
তবে আমাদের #আহলে_হাদীসী কিছু শায়খ মাদানীদের অবস্থা বল্টুর মতই মারাত্মক । গত প্রায় ১২ বছর ধরে দেখছি যে তথা কথিত কিছু আহলে হাদীসী শায়খ সাবজেক্ট এবং উপলক্ষ যাই হোকনা ,৫ মিনিট কোরআন হাদীসর কথা বলে বল্টুর মত পুরো তিন ঘন্টা জুড়ে হানাফী মাজহাবের কুৎসা ও হানাফী আলেমদের গীবৎ করেই যাচ্ছে । বল্টু আর এসব শায়খ মাদানীর মাঝে তফাৎ হলো – বল্টু কেবল ঐ কুমীরের রচনাটাই জানে তাই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সকল রচনাতেই সে কুমীরকে টেনে আনে । তদ্রুপ আহলে হাদীসী শায়খ মাদানীরা বল্টুর মত একটা বিষয়ই জানে । আর তা হলো মাজহাব গুলোর কুৎসা আর হক্কানী আলেমদের নামে গীবৎ ও মিথ্যাচার ।
আর এই বল্টুদের চরিত্র নিয়ে যতদিন তারা ময়দানে দাওয়াতী কাজ করবে ততদিন কেবল মুসলীম সমাজে ভাঙ্গনই সৃষ্টি হবে । মুসলীম #ঐক্যের প্রচেষ্টা একটি ফরজ ইবাদত । #ভাঙ্গন তৈরী করা শয়তান ও মোনাফিকের কাজ ।
তাই আমরা আহলে হাদীসী শায়খ মাদানীদের বলতে চাই দয়াকরে বল্টু চরিত্র পরিহার করে ঐক্য গড়তে সচেষ্ট হোন । আর আপনাদের গালীবাজ অনুসারীগুলোকে থামান ।