আসুন আমরা জেনে নেই মদীনার বাইরে জন্ম গ্রহণ করা আলেম এবং ইমামগণের কিছু বৃত্তান্ত ।

অনেককেই বার বার বলতে শুনি মদীনার আলেম সঠিক আর মদীনার বাইরের আলেম ঠিকনা । তবে সত্য কথা হল সাহাবা কেরাম ও তাবেয়েঈগণের পর মদীনায় তেমন উল্লেখযোগ্য আলেম আজো জন্ম গ্রহণ করেন নি ।আসুন আমরা জেনে নেই মদীনার বাইরে জন্ম গ্রহণ করা আলেম এবং ইমামগণের কিছু বৃত্তান্ত ।মাত্র ২%আলেম মদীনায় জন্মেছেন । বাকী ৯৮ % ইসলামী স্কলারই জন্মেছেন মদীনার তথা আবরবের বাইরে । নিচে মাত্র ২৫ জনের বৃত্তান্ত দিলাম । বাকিটুকু নিজেই বিচার করে নিন ।আরো জানার জন্য পড়ুন ইসলামী বিশ্বকোষ । ইসলামী ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত ।
০১/ ইমাম বুখারীঃ ১৯৪ হিজরীতে (৮১০ খ্রিস্টাব্দ) খোরাসানের বুখারা বর্তমানে উজবেকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন।
০২/ইমাম মুসলীমঃ ৮১৯ সনে খুরাসানের অন্তর্গত নায়সাবুরে বর্তমানে ইরানে জন্মগ্রহণ করেন ।
০৩/ ইমাম তিরমিজিঃ ২০৯ হিজরি মোতাবেক ৮২৪ খ্রিস্টাব্দে বর্তমান উজবেকিস্তানের জিহুন নদীর বেলাভূমিতে অবস্থিত বিখ্যাত শহর তিরমিজের ‘বুগ’ নামক পল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন
০৪/ ইমাম আবু দাঊদঃ২০২ হিজরী মোতাবেক ৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে কান্দাহার ও চিশতের নিকটবর্তী সিজিস্তানে জন্ম গ্রহণ করেন।
০৫/ ইমাম নাসাঈঃ তিনি খোরাসান বর্তমান উজবেকিস্তানের -এর অধিবাসী ও ৯১৫-১৬-এ মৃত্যুবরণ করেন।
০৬/ ইবনে মাজাহঃ তিনি ২০৯ হিজরী মোতাবেক ৮২৪ খ্রিষ্টাব্দে ইরাকের প্রসিদ্ধ শহর কাযভীনে জন্মগ্রহণ করেন ও ২৭৫ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
০৭/ইমাম তাহাবীঃ ইমাম আবূ জা’ফর আহমদ তাহাবী (রহ:)মিসরের ‘তাহা’ নামক জনপদের অধিবাসী হিসেবে তিনি ‘তাহাবী’ নামে পরিচিত।
০৮/ ইমাম আল-গাজ্জালিঃ ইমাম আল-গাজ্জালির ১০৫৮ সালে ইরানের খোরাসানের তুশ নগরীতে জন্মগ্রহণ এবং মৃত্যুবরণ করেন।
০৯/আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে জারির আল তাবারিঃ ৮৩৯ –খ্রিষ্টাব্দ বর্তমান ইরানের অন্তর্গত মাজানদারানের তাবারিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে ওফাত হয় ।
১০ / ইবনে তাইমিয়াঃ ইবনে তাইমিয়া রাহিমাহুল্লাহর জন্ম হয়েছিলো দামেস্কের হাররান প্রদেশে, আর মৃত্যু হয়েছিলো দামেস্কে।
১১/ইমাম আয-যাহাবিঃআয-যাহাবী ৫ অক্টোবর ১২৭৪ সালে দামেস্কে জন্মগ্রহণ করেন,১৩৪৮ সালে এই মহান ইমাম মৃত্যুবরণ করেন।
১২/ইবনে কাসীরঃ ইবনে কাসীরের প্রকৃত নাম ইসমাইল,আবুল ফিদা তার ডাকনাম একং ইমামুদ্দিন।তিনি সিরিয়ার বসরান মাজদল নামক স্থানে ৭০০ হিজরী সালে জন্মগ্রহণ করেন।
১৩/ নাসির উদ্দিন আলবানিঃ নাসির উদ্দিন আলবানি রহঃ ১৩৩৩ হিজরী মোতাবেক ১৯১৪ খৃষ্টাব্দে আলবেনিয়ার রাজধানী স্কোডার (Shkodër-বর্তমান নাম তিরানা) এ জন্ম গ্রহণ করেন।
১৪/ ইমাম নববীঃ ইমাম নববী রহঃ দামেস্কের অধীন “নওবি” গ্রামে মুহররম ৫, ৬৩১ হিজরী জন্ম গ্রহণ করেন।মাত্র ৪৫ বছর জীবিত ছিলেন।মৃত্যু: রজব, ৬৭৬ হিজরী।
১৫/ইবনে হাজার আসক্বালানীঃ ইবনে হাজার আসক্বালানী রহঃ এর আসল নাম হলো আহমদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ। আবুল ফজল হলো তাঁর উপনাম। শিহাবুদ্দীন হলো তাঁর উপাধি। এছাড়া তিনি হাফেজ উপাধিতেও ভূষিত হয়েছেন। তাঁর পরিবার মূলত তিউনিসিয়ার অন্তর্গত কাবেস এলাকার অধিবাসী ছিল। পরবর্তীতে তারা ফিলিস্তিনের অন্তর্গত আসক্বালান নামক এলাকায় বসতি গড়ে। তার পরিবার আসক্বালানের অধিবাসী ছিল বলে তাকে আসক্বালানী (আসক্বালান সংশ্লিষ্ট)বলা হয়, যদিও তাঁর জন্ম মিশরে।
১৬/ ইমাম আবু হানিফাঃ ইমাম আবু হানিফা ৬৯৯ হিজরীতে ইমাম আবু হানিফা ইরাকের কুফা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন ।
৭৬৭ সালে আবু হানিফা কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন।ইমাম শাফি-রঃ মতে: যে ব্যক্তি ফেকাহর জ্ঞান অর্জন করতে চায়, সে যেন ইমাম আবু হানিফা এবং তার ছাত্রদের সান্নিধ্য লাভ করে। কারণ ফেকাহর ব্যাপারে সকলেই আবু হানিফা-র মুখাপেক্ষী।
১৭/ইমাম আহমদ বিন হাম্বলঃ ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল আশ্ শায়বানী আল-মারুযী (রহ:)-এর জন্ম ১৬৪ হিজরী মোতাবেক ৭৮০ সালে বাগদাদ নগরীতে এবং বেসালও সেখানেই ২৪১ হিজরী/৮৫৫ সালে।
১৯/ইমাম শাফেয়ীঃ ইমাম শাফেয়ী (রহ:)মিসরের আসকালনা প্রদেশের গাযাহ নামক স্থানে ১৫০ হিজরী সনে জন্মগ্রহণ করেন।
২০/ইমাম মালেকঃ ইমাম মালেক ইবনে আনাস (রা:) ৯৫ হিজরী মোতাবেক ৭১৫ খৃষ্টাব্দে মদীনা মোনাওয়ারায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৭৯ হিজরী/৭৯৫ খৃষ্টাব্দ সালে সেখানেই বেসালপ্রাপ্ত হন।
২১/ ইমাম জালাল উদ্দীন সুয়ূতীঃইমাম হাফেয সুয়ুতী রাহিমাহুল্লাহর জন্ম ১ লা রজব, ৮৪৯ হিজরীতে মিশরের ‘আস্য়ুত্ব’ শহরে।৯১১ হিজরীতে এ যুগশ্রেষ্ঠ জ্ঞানী ও গুণী ইমামের ইনতিক্বাল হয়েছে।
২২/ মুহাম্মাদ শফী উসমানীঃমুফতী মুহাম্মাদ শফী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) ১৩১৪ হিজরী সনের শা’বান মাসের ২১ তারিখে (২৫ জানুয়ারি ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দ) অভিভক্ত ভারতে জন্মগ্রহণ করেন ।এই আলেমে দ্বীন ও মনীষী ১৩৯৬ হিজরী সনের শাওয়াল মাসের ১০ তারিখে ইন্তেকাল করেন।
২৩/ সাইয়েদ কুতুবঃসাইয়েদ কুতুব শহীদ রহঃ ১৯০৬ সালের ৯ অক্টোবর মিসরের উসইউত জিলার মুশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ।সাইয়েদ কুতুব ছিলেন মিসরের প্রখ্যাত আলেম ও সাহিত্যকদের অন্যতম। ছোটদের জন্যে আকর্ষণীয় ভাষায় নবীদের কাহিনী লিখে তার সাহিত্যক জীবনের সূচনা। পরবর্তীকালে ‘আশওয়াক’ (কাটা) নামে ইসলামী ভাবধারাপুষ্ট একখানা উপন্যাস রচনা করেন।ফি যিলালিল কুরআন (কুরআনের ছায়াতলে) – কুরআনের তাফসীরটি একটি বিখ্যাত ও বহুল পঠিত তাফসীর ।ইসলামী সমাজ বিপ্লবের ধারা (মা’আলিম ফিত তারিক্ব);গ্রন্থ রচনার জন্য জালিম শাষক তাঁকে ফাঁসী দিয়ে শহীদ করে ।
২৪/ সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদীঃ মাওলানা মওদুদী, বা শাইখ সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদী নামেও পরিচিত, ছিলেন।তিনি আওরঙ্গাবাদ (বর্তমানে মহারাষ্ট্রের মধ্যে), হায়দারাবাদ, ভারত এ জন্ম নেন ।আল্লামা মওদূদী একজন মুসলিম গবেষক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা ও বিংশ শতাব্দীর একজন গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী চিন্তাবিদ ও দার্শনিক।তিনি ছিলেন ২০ শতাব্দীর সবচেয়ে প্রভাবশালী মুসলিম স্কলারদের মধ্যে একজন। তিনি ইতিহাসের দ্বিতীয় এবং সর্বশেষ ব্যক্তি যাহার গায়েবানা জানাজার নামাজ পবিত্র কাবাতে পড়া হয়।ইমাম ইবনে তাইমিয়ার পর তিনি (মওদুদী) দ্বিতীয় চিন্তাবিদ যিনি আধুনিক বিশ্বে ইসলামী রাজনৈতিক চিন্তাধারা-কে প্রভাবিত করেছেন।তিনি তাফহীমুল কুরআন – তাফসির সহ শতাধিক ইসলামী ও গবেষনা গ্রন্থ রচনা করেন । কিদীয়ানীদের বিরুদ্বে কাফের ফতোয়ার ভিত্তিতে তাঁকে জালিম শাষক ফাঁসিক হুকুম দেয় ও পরে জনরোষে রহিত করে মুক্তি দেয়।
২৫/ভারতের ডাঃ জাকির নায়েক তো একজন জীবন্ত কিংবদন্তী । ওনার কথাতো সবারই জানা ।
ধন্যবাদ ।।
——–মরুচারী মুসাফির ।।

গোটা এশিয়ায় ঘুষ লেনদেনের শীর্ষে ভারত !ভারতের পরেই দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার ও বাংলাদেশের নাম ।

দুর্নীতির ফলে কোনো দেশের রাজস্ব আদায় কমে যায়। ফলে উন্নয়ন কর্মকা- বাধাগ্রস্ত হয়। কর ফাঁকি দেওয়ায়, যারা কর দিচ্ছেন তাদের উপর চাপ সৃষ্টি হয়। ফলে দেশের নাগরিকগণ কর দিতে নিরুৎসাহিত হন।
বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল সব ধরনের দেশেই ঘুষ লেনদেন হচ্ছে। এটি পরিমাপ করা কঠিন হলেও সাম্প্রতিক এক হিসেবে দেখা গেছে গড়ে বছরে প্রায় দেড় থেকে দুই ট্রিলিয়ন ডলার ঘুষ লেনদেন হচ্ছে। এ পরিমাণ অর্থ বিশ্ব জিডিপির ২ ভাগের সমান। তবে আর্থ-সামাজিক ক্ষতির পরিমাণ আরো অনেক বেশি। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ‘দুর্নীতি: খরচ ও নির্মূলের কৌশল’ শিরোনামের প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট করে কোনো দেশের দুর্নীতি কিংবা ঘুষের হিসাব উল্লেখ নেই। মূলত বিভিন্ন সময়ে করা অর্থনীতিবিদ ও দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনের আলোকে অর্থনীতির উপর দুর্নীতির বিরূপ প্রভাব ও পরিস্থিতি উত্তরণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্নীতি মোট দেশজ উৎপাদনকে (প্রবৃদ্ধি) বাধাগ্রস্ত করে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক খরচও বেড়ে যায়। স্বচ্ছতা, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা এবং নেতৃত্ব উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি। আইএমএফের প্রধান ক্রিস্টিন ল্যাগার্দ উল্লেখ করেন দুর্নীতির প্রত্যক্ষ অর্থনৈতিক ব্যয়ের কথা সবার জানা। কিন্তু এর পরোক্ষ খেসারত অনেক বেশি। এটা প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ও আয় বৈষম্য সৃষ্টি করছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্নীতি অর্থনৈতিক উন্নয়নকে নানাভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। প্রথমত: দুর্নীতির ফলে কোনো দেশের রাজস্ব আদায় কমে যায়। ফলে উন্নয়ন কর্মকা- বাধাগ্রস্ত হয়। কর ফাঁকি দেওয়ায়, যারা কর দিচ্ছেন তাদের উপর চাপ সৃষ্টি হয়। ফলে দেশের নাগরিকগণ কর দিতে নিরুৎসাহিত হন। দ্বিতীয়ত: রাষ্ট্রীয় কেনাকাটায় দুর্নীতি হলে সেটি সরকারি ব্যয়ের গুণগত মান নষ্ট করে। তৃতীয়ত: রাজস্ব আদায় কম হলে কোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ধার করার পরিমাণ বাড়াতে হয়। এর ফলে সেই দেশের মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে যায়। পাশাপাশি দুর্নীতির প্রভাবে আর্থিক খাতের উপর চাপ সৃষ্টি হয়। সর্বশেষ দুর্নীতির ফলে অর্থ বাজারে সাধারণের অর্থ প্রপ্তির সুবিধা কমে যায়। ফলে উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বৃদ্ধি পায়। দুর্নীতির ফলে আর্থিক ক্ষতি ছাড়াও সামাজিক এবং পরিবেশগত খরচও বেড়ে যায়। প্রতিবেদনে দুর্নীতি নির্মূলে কোনো দেশের প্রতি সরাসরি পরামর্শ দেওয়া হয়নি। তবে বিভিন্ন সামগ্রিক বিবেচনায় কিছু সুপারিশে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ের কৌশলে স্বচ্ছতা, স্পষ্ট আইনি রূপরেখা থাকা প্রয়োজন। সেইসঙ্গে প্রয়োজন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা।
বিপদে ১০০০ ডলার খরচের সামর্থ্য নেই দুই-তৃতীয়াংশ মার্কিনির
আমেরিকা বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি এবং একক সুপারপাওয়ার। তবে বেশিরভাগ আমেররিকানের আর্থিক অবস্থাই অত্যন্ত শোচনীয়। নতুন এক জরিপে দেখা যাচ্ছে, জরুরি প্রয়োজনের সময় ১ হাজার ডলার বা ৮০ হাজার টাকার যোগান দেয়ার সামর্থ্য নেই ­
এপি প্রকাশিত এক জরিপে এই বিস্ময়কর তথ্য পাওয়া গেছে। এপি এবং এনওআরসি সেন্টার জরিপটি পরিচালনা করেছে। জরিপে দেখা যায়, আর্থিক এই দুরাবস্থা আমেরিকার সব শ্রেণির লোকদের। দেশটির ৭৫ ভাগ পরিবারের বার্ষিক আয় ৫০,০০০ ডলার (প্রায় ৪০ লাখ টাকা) হলেও বিপদাপদে ১ হাজার ডলার খরচ করার সামর্থ্য তাদের নেই।
তবে যেসব পরিবারের আয় ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ডলার তাদের এই দুরাবস্থা ৬৭ ভাগ কম।
এমনকি দেশটির সবচেয়ে ধনী ২০ ভাগ, যাদের বার্ষিক আয় ১ লাখ ডলারের বেশি, তদেরও ৩৮ ভাগ বলেছেন যে বিপদাপদে ১ হাজার ডলার যোগান দেয়া তাদের জন্য কঠিন। যেমন হ্যারি স্প্যাঙ্গলের কথাই ধরুন। নিউ জার্সির ৬৬ বছর বয়সী সাবেক এই ইলেকট্রিসিয়ান ভাবতেন তার চাকরি কখনো যাবে না এবং তিনি যা পাও খরচ কর নীতিতে চলতেন।
কিন্তু আমেরিকায় মন্দা শুরু হলে তিনি বেকার হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ১ হাজার ডলারের জরুরি প্রয়োজন হলে তিনি বন্ধু-বান্ধবদের কাছ থেকে ধার নিতেন।
তবে এসব সত্ত্বেও গড়পড়তা আমেরিকানদের দিন খারাপ যায় না। তারা প্রাত্যহিক ব্যয় ভালোভাবেই সামাল দেন।
বেশিরভাগ আমেরিকান বলেছেন, বেকার হলে কিংবা চিকিৎসার জন্য ১ হাজার ডলার প্রয়োজন হলে তারা হাতের নগদ অর্থ থেকে সেটা মেটাবেন। এক তৃতীয়াংশ আমেরিকান বলেছেন, তারা ব্যাংক থেকে ঋণ নেবেন কিংবা বন্ধুদের কাছ থেকে ধার করবেন অথবা ক্রেডিট কার্ডের ওপর নির্ভর করবেন।
১৩ ভাগ বলেছেন, তারা অন্যান্য বিল পরিশোধ হয়তো বন্ধ রাখবেন আর ১১ ভাগ বলেছেন, তারা ওই বিল আদৌ পরিশোধই করবেন না।
এই জরিপে দেখা যাচ্ছে, বেশিরভাগ আমেরিকানের ১ হাজার ডলার জমা বা সঞ্চয় নেই।
[সূত্র : বিবিসি]

গোটা এশিয়ায় ঘুষ লেনদেনের শীর্ষে ভারত !ভারতের পরেই দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার ও বাংলাদেশের নাম ।
তাছাড়া ভারতীয়রা দুনিয়ার যেখানেই থাকুক , ঘুষ লেনদেনের একটা ক্ষেত্র তারা তৈরী করেই ফেলবে । লজ্জার পরিবর্তে ঘুষ খাওয়াকে ভারতীয়রা স্মার্টনেস মনে করে ।
“ঘুষ দেয়া-নেয়া আমাদের সংস্কৃতির এক অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির সবচেয়ে প্রকট অংশ ঘুষ। বিশ্বের সব দেশেই কমবেশি ঘুষ লেনদেনের ঘটনা ঘটে । কাজ পাওয়ার জন্য বা অপরাধ থেকে বেঁচে যেতে ঘুষ দেয়া-নেয়ার ঘটনা হরহামেশাই ঘটছে। তবে ঘুষের লেনদেনের এমন ঘটনাগুলো আড়ালেই থেকে যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে
তবে এবার একটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষার রিপোর্টে জানা গেলো, ঘুষ দেয়া-নেয়ার কর্মকান্ডে গোটা এশিয়ায় সবার ওপরে অবস্থান করছে আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভারত। সমীক্ষার ফলাফল বলছে, প্রতি ১০ জন নাগরিকের ৭ জনকেই কোনো না কোনো কারণে ঘুষ দিতে হয় ভারতে ।
অন্যদিকে এই দুর্নীতির পরিমাণ সবথেকে কম জাপানে। জাপানে দুর্নীতির পরিমাণ সবচেয়ে কম। সেখানে ঘুষ চাওয়ার প্রবণতাও কম। সমীক্ষা বলছে, জাপানে মাত্র ০ দশমিক ২ ভাগ মানুষকে বিভিন্ন পরিষেবা পেতে ঘুষ দিতে হয়।
আন্তর্জাতিক দুর্নীতি পর্যবেক্ষক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানানো হয়েছে, সম্প্রতি ১৬টি এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশের মধ্যে ঘুষ লেনদেনের প্রবণতা নিয়ে এই সমীক্ষা চালায় তারা।
সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে ঘুষ চাওয়ার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি ভারতে। জন্ম থেকে মৃত্যু, স্কুল বা হাসপাতালে ভর্তি, সরকারি দপ্তর, পুলিশ বা আদালতে কোনো কাজ করাতে গেলে ঘুষ দিতেই হয়।
সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে সবচেয়ে বেশি ঘুষ দিতে হয় স্বাস্থ্যক্ষেত্রে। এর পরেই শিক্ষাক্ষেত্র। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ৫৯ ভাগ এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ৫৮ ভাগ মানুষকে ঘুষ দিতে হচ্ছে।
সমীক্ষার রিপোর্টে ভারতের পরেই দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার ও বাংলাদেশের নাম । সেখানে গড়ে ৬৫ ভাগ মানুষের ঘুষ দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
পরের তালিকায় এসেছে মালয়েশিয়ার নাম। ঘুষ লেনদেনের পরিমান সেখানে ৫৯ শতাংশ। পর্যায়ক্রমে ভিয়েতনাম ৫৬ শতাংশ, সাউথ কোরিয়া ৫০ শতাংশ।
পরের তালিকায় রয়েছে থাইল্যান্ড। সেখানে ৪১ শতাংশ মানুষ ঘুষের লেনদেন করেন। চতুর্থ তালিকায় রয়েছে, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান ও মিয়ানমারের নাম। এই তিনটি দেশে গড়ে ৪০ শতাংশ মানুষকে ঘুষ লেনেদেনের সাথে যুক্ত থাকার কথা বলা হয়েছে সমীক্ষার রিপোর্টে ।
পঞ্চম তালিকায় এসেছে চীনের নাম । সেখানে মাত্র ২৬ শতাংশ ঘুষ লেন দেনের ঘটনা ঘটে। সমীক্ষায় জানানো হয়েছে চীনে ৭৩ ভাগ মানুষ মনে করেন ঘুষের ঘটনা সেদেশে কমতে শুরু করেছে।

আগের দিনে বিয়ে মানেই ছিল আনন্দ । আর বর্তমানে বিয়ে মানেই হলো আতঙ্ক

আগের দিনে বিয়ে মানেই ছিল আনন্দ । আর বর্তমানে বিয়ে মানেই হলো আতঙ্ক । আগের দিনে বিয়ের দাওয়াত পেলে মানুষের মন ভরে যেতো , আর বর্তমানে ব্লাড প্রেসার বেড়ে যায় । কারণ আজকাল বিয়ে বাড়ী মানেই হলো হাইজ্যাকারের বাড়ী । বিয়ে বাড়ীতে প্যান্ডেলের গেটেই এখন টেবিল চেয়ার নিয়ে নিঃর্লজ্জের মত উপহারের জন্য বসে থাকে আর এতিমের মত তাকিয়ে থাকে দাওয়াতী মেহমানের হাতের দিকে । । মনে হয় রেস্টুরেন্টের ক্যাশ কাউন্টার । রেস্টুরেন্টের বাকী খাওয়া গেলেও এই বিয়ে বাড়ীর অভিনব রেস্টুরেন্টে বাকী খাওয়ার সুযোগ নেই । রক্ত বিক্রি করে হলেও/ ছেলের স্কুলের বেতন না দিয়ে হলেও/ ঔষধ না কিনে হলেও আপনাকে এখানে নগদ Pay করতে হবে । মানুষের দৃষ্টভঙ্গী এত নিচে নেমেছে যে আজকাল বহু মানুষ বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করে উপহার তথা টাকা পাওয়ার আশায় ।অনেকেতো আগেই হিসাব করে- কত টাকা খরচ হবে আর কত টাকার উপহার আসবে । ইদানিং না্কি কুলখানিতে টাকা নেয়া হয় ।
যাইহোক, বিয়েতে আমরা খামে ভরে টাকা দিয়ে আসি অনিচ্ছা সত্বেও । অথচ বিয়েটা হয় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী এবং প্রয়োজনীয় টাকা হাতে নিয়েই শরু করে । বিয়েতে টাকা না দিলেও নিকৃষ্ট সমালোচনা ছাড়া কিছু করতে পারবেনা ।
পক্ষান্তরে, রোগ-ব্যধী বিনা নোটিশেই চলে আসে এবং আমরা হাসপাতালে বা বাড়ীতে রোগী দেখতে যাই । আমি মধ্যপ্রাচ্যে দেখেছি আরবরা বিয়েতে কিছু না দিলেও রোগীকে তারা কিছু না কিছু দেবেই । এটা সুন্নত এবং রোগী তাতে শান্তি পায় ফলে তার রোগ দ্রুত ভাল হতে সাহায্য করে । আমরা কি রোগীকে খামে ভরে টাকা দিয়ে আসতে পারিনা ?
চলুন আমরা ভাল কিছুর প্রচলন করি । আসুন আমরা নতুন করে এই পদ্ধতি শুরু করি । আসুন আমরাই প্রথম শুরু করি । দায় সারার জন্য কলা- রুটি আর ফরমালিনযুক্ত আপেল- কমলা না নিয়ে আমরা খামে ভরে রোগীক ৫০০/১০০০ টাকা দিতে পারি । তাতে সওয়াব যেমন হবে তেমনি মিটে যাবে রোগীর আর্থিক সমস্যা ।

মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ

শাহবাগ বললে যে নামটি অবধারিতভাবে সামনে চলে আসে, সেটিহল মাওলানা ফরীদ উদ্দিন মাসঊদ। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ফোন করলাম তাঁকে। সবেমাত্র ইন্ডিয়া থেকে বাইপাস সার্জারি করিয়ে এসেছেন। বেশি কথা বলা ডাক্তারের নিষেধ। তবুও কথা বললেন। শুরু করলাম এভাবে—

-আপনি শাহবাগ আন্দোলনের সাথে একাত্মতা জানিয়েছিলেন। তার মানে তারা সঠিক ছিল? যা করছিল ঠিকই করছিল?

মাওলানা মাসঊদ : আমি যখন শাহবাগ আন্দোলনের সাথে একাত্মতা জানিয়েছিলাম, তখন তাদেরকে সঠিকই মনে করেছিলাম এবং এখনো তা-ই মনে করি।

রশীদ জামীল : যখন এবং ছিল, তার মানে পরে তারা আর সঠিক ছিল না বা আপনার কাছে সঠিক মনে হয়নি। যদি তা-ই হয়, তাহলে প্রতিবাদ করলেন না তো?

মাওলানা মাসঊদ : প্রতিবাদ করলাম না…কথাটা সঠিক নয়। যখন শাহবাগের সাথে অ্যান্টি ইসলাম কিছু নাস্তিকের সম্পৃক্ততার কথা প্রকাশিত হয়েছে, তখন আমি প্রতিবাদ করেছি। এখনো আমার প্রতিবাদের অনেক ভিডিও ক্লিপ ইউটিউবে সার্চ করলে পাবেন।

রশীদ জামীল : কিন্তু তখন শাহবাগের পক্ষে আপনার নেওয়া অবস্থানের ব্যাপারটি যেভাবে ফলাও করে প্রকাশ করেছিলেন, প্রতিবাদের ব্যাপারটি তো সেভাবে প্রচার করলেন না।

মাওলানা মাসঊদ : দেখুন মাওলানা, কোনোটাই আমি ফলাও করে প্রচার করিনি। আমি যখন শাহবাগে গিয়েছিলাম, তখন সেই ব্যাপারটিকে জামায়াত-শিবিরের লোকজন ব্যাপকভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আমার কওমি আলেম-ওলামার সরল আবেগটাকে আমার বিরুদ্ধে টেনে নিতে চেষ্টা করেছে এবং অনেকাংশে সফলও হয়েছে। কিন্তু নাস্তিকতার বিরুদ্ধে আমার বক্তব্য বা অবস্থানের ব্যাপার কেউ সেভাবে সামনে নিয়ে আসেনি।

রশীদ জামীল : আপনি শাহবাগ গেলেন, শাপলায় গেলেন না কেন? যে চেতনা থেকে শাহবাগ গিয়েছিলেন বলে আপনার দাবি, সেই একই চেতনা থেকেই তো উচিত ছিল শাপলায় যাওয়া এবং আলেম-ওলামার সাথে একাত্মতা জানানো।

মাওলানা মাসঊদ : আমি শাপলায় কীভাবে যাব। সেই রাস্তা তো আমার জন্য বন্ধ করে রাখা হয়েছিল।

রশীদ জামীল : কারা বন্ধ করে রাখল? কীভাবে করল?

মাওলানা মাসঊদ : আমি কারও নাম নিতে চাই না। হেফাজতের ইসলামের ভেতরের কিছু মানুষ চাননি আমি আল্লামা শাহ আহমদ শফী দামাত বারাকাতুহুমুল আলিয়ার কাছে যাই। সবসময় তাঁরা একটি প্রতিবন্ধকতার দেয়াল খাড়া করে রেখেছেন।

রশীদ জামীল : আপনি তখন আল্লামা আহমদ শফীকে চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠিতে আপনি তাঁকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিতে। কেন করেছিলেন? আর কিছু বলার থাকলে সরাসরি চট্টগ্রাম চলে যেতে পারতেন। হুজুরের সাথে ফেইস টু ফেইস হয়ে কথা বলতে পারতেন—যেটুকু আপনার বলার ছিল।

মাওলানা মাসঊদ : আমি আন্দোলন প্রত্যাহারের জন্য অনুরোধ জানাইনি। আমি অনুরোধ জানিয়েছিলাম দাবিগুলোর সাথে আরেকটি দাবি যুক্ত করে নিতে। সেটি হলো জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করা। আর আমি হুজুরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। আমাকে হুজুরের সাথে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। বার বার ফোন করার পরও আমাকে জানানো হয়েছে ‘হুজুর অসুস্থ। কথা বলতে পারবেন না’।

রশীদ জামীল : আমি জানি না কথাটি সত্যি কি না। এক সাক্ষাৎকারে আপনি বলেছিলেন, ‘শাহবাগে গিয়ে আমি আমার জীবনের সবচে বড় নেক কাজ করেছি’। কথাটি যদি একটু ব্যাখ্যা করতেন?

মাওলানা মাসঊদ : কথাটি আমি ঠিক কীভাবে বলেছিলাম আমার মনে নেই। তবে এটুকু মনে আছে যে, এমন একটি কথা আমি বলেছিলাম। কথাটির ব্যাখ্যা হলো, আমি আজীবন মওদুদিবাদের বিরোধিতা করে আসছি। এই মিশন নিয়ে আমি কাজ করছি সারাজীবন। এই কাজটি আমি পেয়েছি আমার আকাবির-আসলাফ তথা ওলামায়ে দেওবন্দের কাছ থেকে। আপনি জানেন, মওদুদিয়্যতের সাথে আমাদের মূল বিরোধটা হলো আকাইদ সংক্রান্ত। ইসমতে আম্বিয়া এবং আদালতে সাহাবা সংক্রান্ত। মওদুদিরা আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামকে ‘মাসুম আনিল খাতা’ মানে না। সাহাবায়ে কেরামকে সমালোচনার ঊর্ধ্বে স্বীকার করে না। আর ইসমতে আম্বিয়া এবং আদালতে সাহাবা অস্বীকারকারীদের বিরোধিতা করাকে আমি একটি নেক কাজ এবং শ্রেষ্ঠ ইবাদত মনে করি। শাহবাগের জমায়েতকে আমার কাছে একটি সুবর্ণ সুযোগ মনে হয়েছিল। আমার কাছে মনে হয়েছিল সাহাবার দুশমনদের বিরুদ্ধে এটি একটি শক্ত অবস্থান। এই সুযোগকে কাজে লাগানো যেতে পারে। এই নেক নিয়তেই আমি সেখানে গিয়েছিলাম।

রশীদ জামীল : কিন্তু এই নেক কাজটি করতে আপনি এমন জায়গায় চলে গেলেন, যেখানে নাচ-গান-বাজনা এবং ছেলেমেয়েদের বেপর্দা সহাবস্থান ছিল। কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?

মাওলানা মাসঊদ : ……………………

রশীদ জামীল : একটি টেলিভিশন টকশোতে আপনি বলেছিলেন, ‘আমি ইস্তেখারা করে শাহবাগে গিয়েছিলাম’। ইস্তেখারাটির কি একটু ব্যাখ্যা করবেন?

মাওলানা মাসঊদ : ………………………
.
বিস্তারিত, বহুবচন, পৃষ্ঠা-৩১৫
বিশ্বাসের বহুবচন প্রকাশ করছে কালান্তর
পাওয়া যাবে ১৩ মে ২০১৮ থেকে, সারাদেশে।
(বহুবচনে সকল লভ্যাংশ শাপলায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায়দের জন্য উৎসর্গিত)

বাংলাদেশে সমকামিতার উত্থান , প্রতিরোধের এখনি সময় ।


সমকামিতা বলতে বোঝায়, সমলিঙ্গের ব্যক্তির প্রতি স্নেহ বা প্রণয়ঘটিত এক ধরণের যৌন প্রবণতা। এ প্রবণতা কি ব্যধি না সুস্থ মানসিকাতর যৌন আকাক্সক্ষা? বিষয়টি বিতর্কের। তবে সমকামিতা যে কোনো ধর্মেই নিষিদ্ধ। ধর্মে কোনো কিছু নিষিদ্ধের একটি কারণ হচ্ছে তা সমাজের জন্য ক্ষতিকর। ধর্ম কোনো ক্ষতিকর বিষয়কে সমাজের জন্য অনুমতি দেয় না।
পশ্চিমা বিশ্বে সমকামিতার বৈধতা নিয়ে আন্দোলন চললেও এবার তা শুরু হয়েছে বাংলাদেশেও। সমকামীদের একটি গ্রুপ এই প্রথম সমকামী নারী কমিক চরিত্র তৈরি করেছে। গ্রুপটি বলছে, সমকামিতার ব্যাপারে লোকজনকে সচেতন করতেই তাদের এই উদ্যোগ।
তাদের শ্লোগান কমিক স্ট্রিপের এই কার্টুন চরিত্রটির মধ্য দিয়ে সারা দেশে ভালোবাসার স্বাধীনতার বার্তা পৌঁছে যাবে। তারা বলছেন, কে কাকে ভালোবাসবে এই সিদ্ধান্ত ও স্বাধীনতা তার নিজের। বাংলাদেশে সমকামিতা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। এ জন্যে সমকামী নারী ও পুরষকে গোপনে তাদের জীবন যাপন করতে হয়!
সমকামিতার বৈধতার চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠেও নেমেছে সমকামীরা। ২০১৪ সালের বাংলা নববর্ষে প্রথম সমকামীরা র‌্যালি বের করে। সম্প্রতি সমকামীদের সম্মেলনও হয়ে গেল। দিন যেতে যেতে সমকামিদের আন্দোলন আরও তীব্র হবে। বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হচ্ছে সুশীল সমাজকে।
ইসলামে সমকামিতাকে ব্যভিচারের চেয়েও ভয়ঙ্কর ঘোষণা করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা হযরত লুত আ. এর কালের লোকদের শুধুমাত্র এই কারণেই সমূলে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন যে, তারা সমকামী ছিল।
কোরআনে সমকামীদের শাস্তির ঘটনাটি বর্ণিত হয়েছে এভাবে “আর তাঁর কওমের লোকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার (গৃহ) পানে ছুটে আসতে লাগল। পূর্ব থেকেই তারা কু-কর্মে তৎপর ছিল। লুত আ. বললেন-হে আমার কওম! আমার কন্যারা রয়েছে, এরা তোমাদের জন্য অধিক পবিত্রতমা। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং অতিথিদের ব্যাপারে আমাকে লজ্জিত করো না, তোমাদের মধ্যে কি কোন ভাল মানুষ নেই।
তারা বলল, তুমি তো জানই, তোমার কন্যাদের নিয়ে আমাদের কোন আগ্রহ নেই। আর আমরা কি চাই, তাও তুমি অবশ্যই জান।
লূত আ. বললেন-হায়, তোমাদের বিরুদ্ধে যদি আমার শক্তি থাকত অথবা আমি কোন সুদৃঢ় আশ্রয় গ্রহণ করতে সক্ষম হতাম।
মেহমান ফেরেশতারা বললেন, হে লূত! আমরা তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ হতে প্রেরিত ফেরেশতা। এরা কখনো তোমার দিকে পৌঁছাতে পারবে না। ব্যস তুমি কিছুটা রাত থাকতে থাকতে নিজের লোকজন নিয়ে বাইরে চলে যাও। আর তোমাদের কেউ যেন পিছনে ফিরে না তাকায়। কিন্তু তোমার স্ত্রী নিশ্চয় তার উপরও তা আপতিত হবে, যা ওদের উপর আপতিত হবে। ভোর বেলাই তাদের প্রতিশ্রুতির সময়, ভোর কি খুব নিকটে নয়?
অবশেষে যখন আমার হুকুম এসে পৌঁছাল, তখন আমি উক্ত জনপদকে উপরকে নিচে করে দিলাম এবং তার উপর স্তরে স্তরে কাঁকর পাথর বর্ষণ করলাম। {সূরা হুদ-৭৮-৮২}
সমকামিতার কারণে হযরত লুতের উম্মতদের ধ্বংস করার বর্ণনা আল্লাহ তায়ালা এভাবেই কোরআনে এনেছেন। ব্যভিচারের কারণে আল্লাহ তায়ালা কোনো জনপদকে ধ্বংস করে দিয়েছেন এমন ঘটনা কোরআনের কোথাও উল্লেখ নেই। এতে স্পষ্ট হয় ব্যভিচারের চেয়েও সমকামিতা আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় অপরাধ।
হাদিসে সমকামিতাকে জ্বেনার সমতুল্য বলে আখ্যায়িত করে কঠিন শাস্তির কথা বর্ণিত হয়েছ। হযরত আবু মুসা আশআরী রা. থেকে বর্ণিত। রাসুল সা. বলেছেন, যে পুরুষ পুরুষের সাথে নোংরা কাজে লিপ্ত হয়, উভয়ে ব্যভিচারকারী হিসেবে সাব্যস্ত হবে। তেমনি যে নারী আরেক নারীর সঙ্গে কুকর্মে লিপ্ত হয় উভয়ে ব্যভিচারকারী হিসেবে সাব্যস্ত হবে। (শুয়াবুল ঈমান)
হযরত ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত। রাসুল সা. ইরশাদ করেছেন, লুত আ. এর কওমের মত কুকর্মে লিপ্ত উভয়কে হত্যা করে ফেল। (মুসনাদে আহমাদ, সুনানে ইবনে মাজাহ,সুনানে আবু দাউদ)
“ইবনে আব্বাস বলেন, রাসুল (স) বলেছেন, তোমরা যদি কাউকে পাও যে লুতের সম্প্রদায় যা করত তা করছে, তবে হত্যা কর যে করছে তাঁকে আর যাকে করা হচ্ছে তাকেও।” (আবু দাউদ ৩৮:৪৪৪৭)
“জাবির (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা) বলেছেন, আমি আমার উম্মতের জন্য সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটা আশঙ্কা করি সেটা হল লুতের উম্মত যা করত সেটা যদি কেউ করেৃ ” (তিরমিজি)
কোরআন হাদিসে এভাবেই সমকামকে কঠিন অপরাধ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু অপরাধ নয়, সমকামিতার কারণে ভয়াবহ শাস্তিও নেমে আসার হুমকি দেওয়া হয়। শাস্তি যখন আসবে শুধুমাত্র সমকামীদের ওপর নয়, ভাল মন্দ সবার ওপরেই আসবে।

ফেইসবুকের বিভিন্ন funny এ্যাপ কেড়ে নিচ্ছে মুসলিমদের ঈমান!

আমার wife কেমন হবে, আমার gf কেমন
হবে,আমার কয়টি বাচ্চা হবে, ২০ বছর পর আমি
দেখতে কেমন হব, বলে যারা বিভিন্ন পোষ্ট
করছেন তারা নিজের অজান্তেই নিজের ঈমান
হারিয়ে ফেলেছেন!

ভাই আপনারা কি আমার এই কথায় আশ্চর্য হচ্ছেন?
এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই যেটা সত্য সেটাই
বললাম..

আপনি ফেইসবুকের যেসব এ্যাপ ইউজ করে
নিজের ভবিষ্যৎ জেনে নিচ্ছেন তা আপনার নিজের
অজান্তেই আপনাকে মুশরিক বানিয়ে ফেলেছে!
বানিয়ে ফেলছে আপনাকে কাফির ! বের করে
দিচ্ছে আপনাকে মুসলিম মিল্লাত থেকে!
তওবা করে ফিরে আসুন..

ভাই আপনারা হয়তো ফান করার জন্যই পোষ্ট গুলি
করছেন কিন্তুু এটা এমন এক বিষয় নিয়ে ফান করা
হচ্ছে যা আপনার ঈমান ধ্বংস করে দিচ্ছে!

আপনি যে এপের আশ্রয় নিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ
জানলেন তাকে ইসলামী পরিভাষায় গায়িব বলা হয় বা
ভবিষ্যৎ বক্তা বা গনকের কথা বিশ্বাস করাকে বুঝায়!

মনে রাখতে হবে পৃথিবীর কোন এ্যাপ গনক শুধু
নয় পৃথিবীতে যত নবী রাসুল এসেছিলেন তারা
কেউই গায়িব বা ভবিষ্যৎ জানতেন না! অথচ আপনি
বিশ্বাস করছেন একটি এ্যাপ আপনার ভবিষ্যৎ জানে!
আস্তাগফিরুল্লাহ!
আল্লাহ বলেনঃ
ﻗُﻞ ﻟَّﺎ ﻳَﻌْﻠَﻢُ ﻣَﻦ ﻓِﻰ ﭐﻟﺴَّﻤَٰﻮَٰﺕِ ﻭَﭐﻟْﺄَﺭْﺽِ ﭐﻟْﻐَﻴْﺐَ ﺇِﻟَّﺎ ﭐﻟﻠَّﻪُ ﻭَﻣَﺎ
ﻳَﺸْﻌُﺮُﻭﻥَ ﺃَﻳَّﺎﻥَ ﻳُﺒْﻌَﺜُﻮﻥَ
বলুন, আল্লাহ ব্যতীত নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে
কেউ গায়বের খবর জানে না এবং তারা জানে না যে,
তারা কখন পুনরুজ্জীবিত হবে।
সূরা আন নম্ল ( ﺍﻟﻨّﻤﻞ ), আয়াত: ৬৫

উপরের আয়াতটি ভালভাবে দেখুন যেখানে
পৃথিবীর কেউই গায়িব জানেনা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া
সেখানে আপনি একটি এ্যাপকে গায়িব জানে বলে
বিশ্বাস করছেন! যেটা সরাসরি আল্লাহর সাথে শরিক
করা..

রাসুল ﷺ বলেনঃ যে ব্যাক্তি কোন
ভবিষ্যৎ বক্তা তথা গনক এ্যাপ পীর জ্বীনের কথা
বিশ্বাস করে সে আমার উপর নাযিলকৃত কোরআন
হাদিস অস্বীকার করল!
বলুনতো, যে ব্যাক্তি কোরআন হাদিস অস্বীকার
করে সে কি মুসলিম হতে পারে??
অবশ্যই না!
ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻭَﺍﻟْﺤَﺴَﻦِ ﻋَﻦ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﷺ
ﻗَﺎﻝَ ﻣَﻦْ ﺃَﺗَﻰ ﻛَﺎﻫِﻨًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﺮَّﺍﻓًﺎ ﻓَﺼَﺪَّﻗَﻪُ ﺑِﻤَﺎ ﻳَﻘُﻮﻝُ ﻓَﻘَﺪْ ﻛَﻔَﺮَ
ﺑِﻤَﺎ ﺃُﻧْﺰِﻝَ ﻋَﻠَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ ﷺ
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি কোন ভবিষ্যৎ
বক্তার নিকট উপস্থিত হয়ে সে যা বলে তা সত্য
মনে (বিশ্বাস) করল, সে ব্যক্তি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর অবতীর্ণ (কুরআনের
হাদিস ) অস্বীকার করল।’’
গ্রন্থঃ হাদীস সম্ভার
অধ্যায়ঃ ২২/ নিষিদ্ধ কার্যাবলী
হাদিস নম্বরঃ ২০৫৩
আহমাদ ৯৫৩৬, হাকেম ১৫, সহীহুল জামে’ ৫৯৩৯,
ইবনু মাজাহ ৬৩৯, তিরমিজি ১৩৫ ইফাঃ
হাদিসের মানঃ সহিহ
অভিশপ্ত শয়তান আপনাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে তা
কি একটুও ভাববেন না??
রাসুল ﷺ আরো বলেন,যে ব্যাক্তি
কোন ভবিষ্যৎ বক্তার কথা বিশ্বাস করে তার চল্লিশ
দিনের সালাত কবুল হবেনা!
ﻭَﻋَﻦْ ﺻَﻔِﻴَّﺔَ ﺑِﻨﺖِ ﺃَﺑِﻲ ﻋُﺒَﻴﺪٍ ﻋَﻦ ﺑَﻌﺾِ ﺃَﺯﻭَﺍﺝِ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ
ﷺ ﻭَﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻨﻬَﺎ ﻋَﻦِ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ
ﷺ ﻗَﺎﻝَ ﻣَﻦْ ﺃَﺗَﻰ ﻋَﺮَّﺍﻓﺎً ﻓَﺴَﺄَﻟَﻪُ ﻋَﻦْ ﺷَﻲْﺀٍ
ﻟَﻢْ ﺗُﻘْﺒَﻞْ ﻟَﻪُ ﺻَﻼَﺓٌ ﺃَﺭْﺑَﻌِﻴﻦَ ﻟَﻴﻠَﺔ ﺭﻭﺍﻩ ﻣﺴﻠﻢ
স্বাফিয়্যাহ বিনতে আবূ উবাইদ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম এর কোন স্ত্রী (হাফসাহ রাযিয়াল্লাহু
আনহা) হতে বর্ণনা করেছেন, নাবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি গণকের
নিকট এসে কোন (গায়বী) বিষয়ে প্রশ্ন করে,
তার চল্লিশ দিনের নামায কবুল করা হয় না।’
গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৪০/ সালাম ( ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻟﺴﻼﻡ )
হাদিস নম্বরঃ ৫৬২৭
হে আমার মুসলিম ভাইয়েরা শয়তানের ফাঁদে পড়ে
কেন এভাবে নিজের ঈমান বিসর্জন দিচ্ছেন? ?
একটু ফান করতে গিয়ে শয়তান আপনাকে কাফির
মুশরিকে পরিনত করছে অথচ আপনি টেরও
পাচ্ছেন না!
কবে ফিরবে আপনাদের হুশ??

অর্থ ছাড়া সৌদির আর কিছুই নেই: ট্রাম্প

সৌদি আরবকে নিয়ে ফের উপহাস করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, সৌদি আরবের অর্থ ছাড়া আর কিছুই নেই।

ফক্স নিউজ’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌদি আরবের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন ট্রাম্প। এবং এটাকে তিনি নিজের জন্য গর্ব হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

গত বছরও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, তাদের সেনা-সমর্থন ছাড়া সৌদি রাজা সালমান দুই সপ্তাহও ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না। মার্কিন সরকারই সৌদি আরবকে রক্ষা করছে বলে তিনি জানিয়েছিলেন।

এছাড়াও ফক্স নিউজের উপস্থাপক ওই সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে ইরানের আকাশসীমায় অত্যাধুনিক মার্কিন ড্রোন ধ্বংস, ইরানিদের মাধ্যমে তেল ট্যাংকার আটক এবং হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন করেন।

এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারা যেসব তেল ট্যাংকার আটক করেছে সেগুলো আমাদের নয় এবং হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা ইস্যুতে বলব ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকে হরমুজ প্রণালী আমাদের জন্য খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তাদের জাহাজ খুব একটা চলাচল করে না। পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্লোগান তুলে আমেরিকা ইরানবিরোধী জোট গঠনে ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প এসব কথা বললেন।

ইত্তেফাক/এসআর

স্তন শুল্ক | Breast Tax | মূলাক্করম ]

স্তন শুল্ক | Breast Tax | মূলাক্করম ]

দক্ষিণ ভারতে নিয়ম ছিল যে হিন্দু ব্রাহ্মণ নারী ব্যতীত অন্য কোনো হিন্দু নারী তার স্তনকে ঢেকে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র ব্রাহ্মণ শ্রেণীর হিন্দু নারীরা তাদের স্তনকে এক টুকরো সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে পারতো, বাকি হিন্দু শ্রেণীর নারীদেরকে প্রকাশ্যে স্তন উন্মুক্ত করে রাখতে হতো। আবৃত করতে হলে দিতে হবে স্তনশুল্ক অর্থাৎ শুল্কের বিনিময়ে কিনে নিতে হবে আত্মমর্যাদা ! শুল্কের পরিমাণ নির্ভর করবে স্তনের আকারের উপর! যার স্তন যতবড় তার শুল্ক তত বেশী !

এই স্তনশুল্কের মোটা অংশ চলে যেত পদ্মনাভ মন্দিরে ! গিনেস বুকের তথ্য অনুযায়ী, এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মন্দির!

১৮০৩ সালে নাঙ্গেলী (Nangeli) নামক এক নিম্ন বর্ণের হিন্দু নারী তার স্তনকে আবৃত করে রাখে এবং “স্তন কর” দিতে অস্বীকৃতি জানায়। কিন্তু শুল্ক সংগ্রাহকের নজরে পড়ায় তারা শুল্ক দাবী করে ! অস্বীকৃত হয় নাঙ্গেলি ! শুল্ক সে দেবে না ! শুল্ক সংগ্রাহকরা অতিষ্ট করে তোলে নাঙ্গেলীকে! দিন দিন করের বোঝাও বাড়তে থাকে! অবশেষে কর দিতে রাজী হয় নাঙ্গেলি ! শুল্ক সংগ্রাহকরা তার থেকে স্তন কর চাইতে এলে , নাঙ্গেলী তাদের কিছুক্ষণ বসতে বলে। তারপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে ফেলে তার স্তন দুটি ! শুল্ক সংগ্রাহকের হাতে শুল্কস্বরূপ তুলে দেয় কলাপাতার আবরণে রক্ত মাখা স্তন! অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে নাঙ্গেলির মৃত্যু হয় !

দক্ষিণ ভারতে নারীদের স্তন আবৃত করার জন্য বহু সংগ্রাম করতে হয়েছে। হিন্দু পুরোহিতরা স্পষ্ট করে বলে দেয়- নিচু বর্ণের নারীদের শরীরের উপরের অংশ আবৃত করা ধর্ম-বিরোধী। বিষয়টি নিয়ে ১৮৫৯ সালে দক্ষিণ ভারতে একটি দাঙ্গা সংগঠিত হয়। এই দাঙ্গার উদ্দেশ্য ছিলো হিন্দু নারীদের শরীরের উপরের অংশ আবৃত করার অধিকার আদায় করা। এই দাঙ্গা “কাপড়ের দাঙ্গা” হিসেবে পরিচিত।

আরও বিস্তারিত পড়তে –

১. https://en.wikipedia.org/wiki/Breast_Tax
২. https://en.wikipedia.org/wiki/Nangeli
৩. https://www.bbc.com/news/world-asia-india-36891356
৪. https://www.thenewsminute.com/article/dress-code-repression-keralas-history-breast-tax-avarna-women-48982

ইজ্জত মারছে বাংলার এমপি

বাংলাদেশের আইন সভার সদস্য অর্থাৎ এমপি বুবলি ভাড়াটে লোক দিয়ে পরীক্ষার সংবাদ আন্তজার্তিক গনমাধ্যম দ্যা গার্ডিয়ান,বিবিসি, আরব বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী আরবি পত্রিকায় আল খালিজ সহ বিশ্বের প্রায় ডজন খানেক পত্রিকায় ছাপা হয়েছে । ফলে দেশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে । আজ ইজিপশিয়ান এক ডাক্তার আমাকে পত্রিকার খবরটি দেখিয়ে জিজ্ঞেস করলো যে তোমার দেশে ডিগ্রী পাশ না করেই এই মেয়ে আইন সভার সদস্য হলো কি করে? আমি যখন বল্লাম যে আমাদের সংসদে থ্রি -ফোর পাশ করা এমপি ও আছে । তখন সে বল্ল তোমাদের দেশে কি শিক্ষিত লোক নেই । আমি শুধু বলেছি আছে

সন্তানকে বদ দোয়া দিবেননা

আপনি রাগ হয়ে বললেন, ” মর তুই “, ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন,”তোর ভবিষ্যৎ অন্ধকার “,ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন,”তোর মুখ দেখতে চাই না”,ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন, ” জীবনে স্বামীর ভাত খাইতে পারবি না”,ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন,”মরার সময় তো পানি পাবি না “,ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন,” তুই তো ফেল নিশ্চিত “,ফেরেশতা বলল “আমিন”আপনি রাগ হয়ে বললেন,”আমার লাশ দেখবি “,ফেরেশতা বলল “আমিন”….আপনিই তো সেই মানুষ,যে সন্তানকে যে ভাবে ভালোবাসেন এর চেয়ে বেশি ভালো জীবনে বাসেন নি কাওকে,নিজেকেও না।আপনিই তো সেই মানুষ,যার চেয়ে আন্তরিক দু’য়া এই পৃথিবীততে কেউ করবে না তার জন্যে,সে নিজেও না।এমনিতেই মানুষের সব কথার শেষে ফেরেস্তা রা আমিন আমিন বলেন। আর সন্তানের জন্য বাবা মা’র মুখ থেকে বের হওয়া প্রতিটি শব্দ মারাত্মক শক্তিশালী মিসাইল একেক টা।আসুন এর মর্যাদা বুঝি,এর অপব্যবহার না করি।
খুব কস্ট পাই অনেক বাবা মা’র ভাষা শুনে, অবাক হই,এদের কেও আল্লাহ্ সন্তান দেন।
হ্যা,সন্তান অন্যায় করেছে,কিন্তু মা-বাবা হিসেবে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার না করে আসুন বলি,
“আল্লাহ তোমাকে হিদায়াত দিন,আমার জন্য চক্ষু শীতলকারি বানান।”অথবা বলতে পারেনআল্লাহ তোমাকে ওমর(রা) মত বানান।আল্লাহ তোমাকে আয়েশা(রা) মত বানান।আল্লাহ তোমাকে কাবা ঘরের ইমাম বানান।আল্লাহুম্মা আমীন!💗
রাগের সময়‌ও আমাদের কথা বলা অভিশাপ দেওয়া এগুলো আল্লাহ কবুল করেন।
তাই যখনি বুঝবেন কোন কিছুতে রাগ উঠে যাচ্ছে মেজাজ এর টেম্পারেচার বাড়ছে, শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বাচার জন্য তখনি‎ﺃﻋﻮﺫ ﺑﺎﺍﻟﻠﻪ ﻣﻦ ﺍﻟﺸﻴﻄﺎﻥ ﺍﻟﺮﺟﻴﻢ …..’আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’মনে মনে পড়তে থাকবেন দেখবেন নিজের প্রতি নিজের কন্ট্রোল চলে এসেছে ইনশা-আল্লাহ।📚📖📌 বাবা-মা যারা আছেন তারা এই ব‌ই গুলা পড়বেন অনেক কিছু শিখতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
১.প্যারেন্টিং -(আধুনিক যুগে আমার সন্তানকে কিভাবে মানুষ করবো)২.সন্তানের চরিত্র গঠনের পরিবার ও পরিবেশ৩.প্যারেন্টিং – (এন ইসলামিক আইডিলজ ফর চিল্ডেন)৪.সন্তান লালন-পালনে আর্দশ মায়ের ভূমিকা৫.সন্তান স্বপ্নের পরিচর্যা৬.আপনার সন্তান আপনার ভবিষ্যৎ৭.যখন তুমি মা
(শুধু মা-বাবার ক্ষেত্রে না,আমরা যা-ই, যাকে ই বলি না কেন,আমাদের কথার শেষে ফেরেস্তারা আমিন বলেন,তাই কথা বলার সময় ভেবে বলা উচিত।)কপিকরা