হলিউডের মুভির মূল থিম হলো ‘Devil Worshipper’ অর্থাৎ ‘শয়তারপূজারী ধর্মের’ প্রচারনা চালানো। শয়তান পূজারী ধর্মে মানুষকে আকৃষ্ট করাই সেই মুভির প্রধান লক্ষ্য! আর দ্বিতীয় লক্ষ্য আমার মত কম ঈমানের মুসলিমদের কনফিউজড করে দেওয়া।
.

যাইহোক, মূল বক্তব্যে আসি। ‘Devil Worshipper’ এর ভক্তরা মনে করে থাকে, আল্লাহ ইবলিস শয়তানের সাথে ন্যায়বিচার করেন নি। তার শুধুমাত্র একটা ভুলের কারণেই আল্লাহ তাকে কোন সুযোগ না দিয়েই শয়তান হতে বাধ্য করেছে। অথচ মানুষকে হাজারবার ক্ষমা করে দেওয়া হচ্ছে। তাকে কোন সুযোগ না দিয়েই শয়তান হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
.
আমি জানি না, শয়তানপূজারীর অনুসারীরা সূরা সাদ পড়েছিল কি না! সূরা সাদ পড়লেই বুঝতে পারবেন, আল্লাহ তাকে ফিরে আসার সুযোগ দিয়েছিল কিনা।

আমি জানি না, শয়তানপূজারীর অনুসারীরা সূরা সাদ পড়েছিল কি না! সূরা সাদ পড়লেই বুঝতে পারবেন, আল্লাহ তাকে ফিরে আসার সুযোগ দিয়েছিল কিনা।
.
সবচেয়ে মজার কথা কি জানেন ? আমাদের মধ্যকার সবচেয়ে বুঝদার এবং প্রাকটিসিং মুসলিমের চেয়েও ইবলিস শয়তানের ঈমানের পারদ অনেক বেশি। বলতে দ্বিধা নেই, এমনকি কাবা শরীফের ইমামের চেয়েও ইবলিস শয়তানের ঈমান অনেক বেশি ছিল। ইবলিস শয়তান আল্লাহর আরসের বিশেষ ফেরেশতাদের সঙ্গে থাকার সুযোগ পেয়েছিল। এমনকি সে আল্লাহর সঙ্গে কথাও বলেছিল। অতএব আল্লাহর প্রতি ইবলিসের বিশ্বাস এবং আপনার আমার বিশ্বাসের পারদ কখনোই এক হবে না। বরঞ্জ ইবলিসই বেশি ঈমানদার ছিল। কিন্তু সেই ঈমানদার হবার পরও আল্লাহর আদেশকে অমান্য করতে কার্পন্য করেনি।
.
মনে রাখবেন, একজন মা তার স্বামীর হত্যাকারীকে হয়তো ক্ষমা করতে পারেন। কিন্তু একজন মা অবাধ্য সন্তানকে কখনোই ক্ষমা করতে পারেন না। কারণ, সেই সন্তানই কেবল জানে তার মায়ের ত্যাগের পরিমান কতটুকু। তেমনি আল্লাহর আরশে আশ্রয়প্রাপ্তরাই কেবল জানে, আল্লাহর ক্ষমতা কত্তো বিশাল। কিন্তু তারপরও সে আল্লাহর আদেশকে অমান্য করেছিল। সে অহংকার করে বলেছিল, আমি আগুনের সৃষ্টি। অতএব আল্লাহ কখনোই অবিবেচক নন।
.
শয়তান পূজারীরা মনে করে, একসময় আল্লাহ এবং ইবলিস শয়তানের মধ্যকার যুদ্ধ হবে। সেই যুদ্ধে তারা শয়তানের পক্ষ অবলম্বন করবে। আর সবচেয়ে মজার বিষয়, আমাদের বাংলাদেশেও ইবলিসের পক্ষের কতক সৈনিক তৈরী হয়ে যাচ্ছে !
.
‘Devil Worshipper’ এর উপর হলিউডে ইতোমধ্যে কয়েক ডজন মুভি তৈরী করা হয়েছে। আমাদের তরুনদের সেসব মুভি দেখে মাথা খারাপ করার টাইম থাকলেও কুরআন পড়ে মাথা ঠিক করার টাইম নাই। ভাবখানা এমন, কুরআন তো বুড়ো বয়সে পড়ার জন্য। তরুন বয়স শুধু মুভি,মাস্তি আর হ্যাংআউটের টাইম !


.

Leave a comment